০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
মরিয়ম রহমান

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা

  • প্রকাশিত ০৬:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৮৫ বার দেখা হয়েছে

যে কোনো সম্পর্কের চড়াই উৎরায় থাকে
হোক তা স্বামী স্ত্রী বা বন্ধুত্বের ।
শুধু ভালবাসলেই একটি সুস্থ সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠবে এমনটি নয়।

বরং ভালোবাসার সাথে সাথে পারস্পারিক বোঝাপড়া ত্যাগ স্বীকার ও মানিয়ে চলার ব্যাপারগুলো জড়িত।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যদি পরস্পরের প্রতি যত্ন কথাবার্তা যোগাযোগ গারত্ব কমে যায়
তবে সেটা অবশ্যই মনোমালিন্যের অন্যতম লক্ষণ।
পরিবার বন্ধু বা প্রিয়জনের সঙ্গে ঝগড়া বা মনোমালিন্য হলে মন ভালো থাকে না ।

শুধু মাত্র ঝগড়ার সময় নয় বরং ঝগড়া হলে তা না মেটা পর্যন্ত সবসময় মন খারাপ থাকে। যার প্রভাব পড়ে অন্যান্য কাজেও ।

সর্বোপরি ঝগড়া ঠিক সময়ে মিটিয়ে না নিলে অনেক ভালো সম্পর্ক তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।
মনোমালিন্য মিটাতে দুই দিকেই পদক্ষেপ থাকা উচিত ।
একসাথে বা এক জায়গায় থাকলে ঝগড়া বা মনোমালিন্য হওয়াটাই স্বাভাবিক ।
ঠিক বা ভুল যেই হোক যে কোনো একজনকে আগে এগিয়ে আসতে হয়।

যদি বিপরিতের মানুষটা জেদি বা এক রোখা হয় কিছু কিছু সময় আপনি  নিজেই উদ্যেগ নিন কথা বলে সমস্যার সমাধান করে নেওয়াই  শ্রীয়।

তাই বলে সব সময় নয়। মনোমালিন্য হবে সব সময় একজনের তরফ থেকেই সেক্রিফাইস করবে এমনও হওয়া উচিত না।

খিটখিটে মানুষটার ও একটু হলেও বোধগম্য থাকা উচিত তারও একটু নমনীয় হওয়া
দরকার।
অপর দিকের মানুষটাই সব সময় মেনে নেবে সরি বলবে এটাও ঠিক না।

কারণ সেই মানুষটারও রক্ত মাংস শরীরে আছে তারাও কষ্ট বেদনা জেদ আছে কিন্তু সব সময় তিনি দেখান না।
তাই বলে কি তার ওপর সব সময় ভরসা করবেন এটা ঠিক না ।

তাহলে তো আপনি কারো সাথেই সম্পর্ক ঠিক রাখতে পারবেন না ।
আপনার ভেতরে মেনে নেওয়ার প্রবণতা  থাকতে হবে। তবেই একটা সম্পর্ক আপনি টিকিয়ে রাখতে পারবেন।

না হলে আপনি একা হয়ে যাবেন সেটা মোটেও আপনার জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

মরিয়ম রহমান

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা

প্রকাশিত ০৬:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

যে কোনো সম্পর্কের চড়াই উৎরায় থাকে
হোক তা স্বামী স্ত্রী বা বন্ধুত্বের ।
শুধু ভালবাসলেই একটি সুস্থ সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠবে এমনটি নয়।

বরং ভালোবাসার সাথে সাথে পারস্পারিক বোঝাপড়া ত্যাগ স্বীকার ও মানিয়ে চলার ব্যাপারগুলো জড়িত।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যদি পরস্পরের প্রতি যত্ন কথাবার্তা যোগাযোগ গারত্ব কমে যায়
তবে সেটা অবশ্যই মনোমালিন্যের অন্যতম লক্ষণ।
পরিবার বন্ধু বা প্রিয়জনের সঙ্গে ঝগড়া বা মনোমালিন্য হলে মন ভালো থাকে না ।

শুধু মাত্র ঝগড়ার সময় নয় বরং ঝগড়া হলে তা না মেটা পর্যন্ত সবসময় মন খারাপ থাকে। যার প্রভাব পড়ে অন্যান্য কাজেও ।

সর্বোপরি ঝগড়া ঠিক সময়ে মিটিয়ে না নিলে অনেক ভালো সম্পর্ক তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।
মনোমালিন্য মিটাতে দুই দিকেই পদক্ষেপ থাকা উচিত ।
একসাথে বা এক জায়গায় থাকলে ঝগড়া বা মনোমালিন্য হওয়াটাই স্বাভাবিক ।
ঠিক বা ভুল যেই হোক যে কোনো একজনকে আগে এগিয়ে আসতে হয়।

যদি বিপরিতের মানুষটা জেদি বা এক রোখা হয় কিছু কিছু সময় আপনি  নিজেই উদ্যেগ নিন কথা বলে সমস্যার সমাধান করে নেওয়াই  শ্রীয়।

তাই বলে সব সময় নয়। মনোমালিন্য হবে সব সময় একজনের তরফ থেকেই সেক্রিফাইস করবে এমনও হওয়া উচিত না।

খিটখিটে মানুষটার ও একটু হলেও বোধগম্য থাকা উচিত তারও একটু নমনীয় হওয়া
দরকার।
অপর দিকের মানুষটাই সব সময় মেনে নেবে সরি বলবে এটাও ঠিক না।

কারণ সেই মানুষটারও রক্ত মাংস শরীরে আছে তারাও কষ্ট বেদনা জেদ আছে কিন্তু সব সময় তিনি দেখান না।
তাই বলে কি তার ওপর সব সময় ভরসা করবেন এটা ঠিক না ।

তাহলে তো আপনি কারো সাথেই সম্পর্ক ঠিক রাখতে পারবেন না ।
আপনার ভেতরে মেনে নেওয়ার প্রবণতা  থাকতে হবে। তবেই একটা সম্পর্ক আপনি টিকিয়ে রাখতে পারবেন।

না হলে আপনি একা হয়ে যাবেন সেটা মোটেও আপনার জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।