উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, উত্তরার ১৩ নং সেক্টরে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনে বাঁধা প্রদান, রংপুরের মোসলেম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জোরপূর্বক হিজাব পরিধানে ও কোরআনের আয়াত মুখস্থ করতে বাধ্য করা, স্কুলে গীতাপাঠ বন্ধ করে দেওয়া, পুরান ঢাকায় ভূমিদস্যু কর্তৃক শ্রী শ্রী যুত মদন গোপাল জিউ বিগ্রহ ঠাকুর মন্দির এবং শ্রী শ্রী রাধা মাধব জিউ দেব বিগ্রহ মন্দির জবর দখলের প্রতিবাদে ২দিন ব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ আহ্বান করা হলো।
বিক্ষোভ কর্মসূচি ০১:
২৭ সেপ্টেম্বর, রোজ শুক্রবার, ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিকাল ০৩:০০ ঘটিকায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং সন্ধ্যা ০৬ ঘটিকায় মশাল মিছিল।
বিক্ষোভ কর্মসূচি ০২:
২৮ সেপ্টেম্বর, রোজ শনিবার, শাহবাগে জাদুঘরের সামনে বিকাল ০৩ ঘটিকায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং সন্ধ্যা ০৬ ঘটিকায় “জনতার জবাব” নামক উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলন। সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দকে বিশেষভাবে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
আমাদের ৮ দফা দাবি
১। সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য ‘দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল” গঠন করে দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান, ক্ষতিগ্রস্তদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২। অনতিবিলম্বে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করতে হবে।
৩। “সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়” গঠন করতে হবে।
৪। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে “হিন্দু ফাউন্ডেশন” এ উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকেও ফাউন্ডেশনে
উন্নীত করতে হবে।
৫। “দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন” প্রণয়ন এবং “অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন” যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। ৬। সরকারি/ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য উপাসনালয় নির্মাণ এবং প্রতিটি হোস্টেলে
প্রার্থনাকক্ষ বরাদ্দ করতে হবে।
৭। “সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড” আধুনিকায়ন করতে হবে।
৮। শারদীয় দুর্গাপূজায় ৫ দিন ছুটি দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রধান প্রধান ধর্মীয় উৎসবে প্রয়োজনীয় ছুটি প্রদান করতে হবে।