০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেরপুর জেলা শ্রীবরদী থানার ঝগড়ার চর বাজার নিঃরে সন্ত্রসীদের লুটপাটে লুৎফর রহমানের পরিবাস্ব।

  • প্রকাশিত ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • ১২৩ বার দেখা হয়েছে

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার ঝগড়ার চর বাজার এলাকায় মোঃ লুৎফর রহমানের পরিবারকে ভিটেমাটি ছাড়া করেছে মোঃ দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গত ২৯ অক্টোবর ২০২৪ মঙ্গলবার ভোর ৫:০০ টার দিকে মোঃ দুলাল মিয়া ও মোঃ নূর হোসেন কালুর নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মোঃ লুৎফর রহমানের স-মিল ও বাড়ীতে অতর্কিত আক্রমন চালিয়ে মিল থেকে লুৎফর রহমানকে বেঁধে নিয়ে বরারচর দুলালের বাড়ীর একটি গাছের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় বেঁধে রেখে তার মিলে লুটপাট চালিয়ে মিলে থাকা কাঠ ও মিল ভাংচুর করে মিল উঠিয়ে নিয়ে যায়। স-মিলের পিছনে থাকা লুৎফর রহমানের বসত বাড়ীতে লুটপাট চালিয়ে জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এমন কি বাড়ীর বেড়া, ঘরের দরজা জানালা খুলে নিয়ে যায়। বাড়ীতে থাকা গাছ পর্যন্ত কেটে নিয়ে গেছে। সন্ত্রাসীরা লুৎফর রহমানের পরিবারের ২/৩ জন সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে যার চিহৃ দেয়ালে রক্তের দাগ থেকে পাওয়া যায়। আহতরা এখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এখানেই সন্ত্রাসীরা ক্ষান্ত হয়নি, তারা লুৎফর রহমানের স্ত্রী মোছাম্মত লিপি আক্তারের কাপড় টেনে খুলে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে এবং মারধর করে জখম করে। সন্ত্রাসীরা ভোর ৫:০০ থেকে সকাল ৮:৩০ মিনিট পর্যন্ত তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে লুৎফর রহমানের পরিবারের মিল থেকে নগদ অর্থসহ প্রায় ২৩,৬০,০০০ (তেইশ লাখ ষাট হাজার) টাকার কাঠ লুট করে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদশীর্রা জানায়, সন্ত্রাসীরা লুৎফর রহমানকে বেঁধে দুলালের বাড়ীতে নিয়ে মারধর করতে থাকলে এলাকাবাসীরা স্বপ্রনোদিত হয়ে ৯৯৯ এ ফোন করে। সংবাদ পেয়ে ৯:৩০ মিনিটে দিকে পুলিশ এসে লুৎফর রহমানকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদশীর্রা আরো জানায় ঘটনার সময় মোবাইলে ভিডিও করতে গেলে সন্ত্রসীরা কয়েকজনের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। এ বিষয়ে লুৎফর রহমানের স্ত্রী বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা করেছে। শ্রীবরদী থানার মামলা নং ২০, তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ইং।
কিন্তু বিপত্তি দেখা দিয়েছে অন্য এক জায়গায়। লুৎফর রহমানকে ভোর ৫ টায় তার স-মিলের অফিস থেকে ধরে নিয়ে বেঁধে রেখে বেদম মারধর করে আহত করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং তার স্ত্রী প্রায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়। তার ভাইরা মারাত্বক আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। সন্ত্রাসীরা লুটপাট করে ২৩,৬০,০০০ (তেইশ লাখ ষাট হাজার)টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এরপরও শ্রবরদী থানার পুলিশ লুৎফর রহমানকে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে চালান দিয়েছে। কারণ সন্ত্রাসী দুলালের স্ত্রী হাসি বেগম শ্রীবরদী থানায় প্রভাব খাটিয়ে লুৎফর রহমানের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে, যার শ্রীবরদী থানার মামলা নং ১৯, তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৪। ২৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ সকাল ৬:০০ ঘটিকার সময় তার স্বামী মোঃ দুলাল মিয়া হোটেলে নাস্তা খাওয়ার উদ্দেশ্যে গেলে একদল জনতা মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এ কারণে এই মামলাটির উদ্ভব হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঝগড়ার চর বাজারে তকদীর হোটেলের সামনে হাসি বেগমের মামলায় উল্লেখিত সময়ে এ ধরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি। এর কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন ঐ দিন ভোর ৫টার দিকে দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী লুৎফর রহমানের স-মিলে আক্রমন করে লুৎফর রহমানকে উলঙ্গ করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ তাকে ৯:৩০ মিনিটের সময় উদ্ধার করে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলে, তাহলে লুৎফর রহমান তার লোকজন নিয়ে ঐ দিনেই ৬:০০ টার সময় মোঃ দুলাল মিয়াকে মারলো কিভাবে ? এলাকাবাসীরা জানায় দুলাল মিয়ার বউ হাসী বেগম তার এলাকার একজন মহিলা মেম্বার, প্রভাব খাটিয়ে থানাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে সে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করে লুটপাটের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করছে। এলাকাবাসীরা এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবী করছে।
ঘটনার মুলে উপস্থিত মোঃ ইদ্রিস আলী জানায়, আমরা উক্ত জমি ২০২৪ সালে বিপুল মোদকের নিকট থেকে কিনেছি। তাদেরকে জায়গা খালি করতে বলেছি, তারা জায়গা খালি করছেনা। ফলে আমরা এঘটনা ঘটিয়েছি। কালু মিয়া নামে একজন সাবেক মেম্বারও একই কথাই বলেছেন।
জমি সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মোঃ লুৎফর রহমানের পিতা আবদুস সামাদ ওরফে নেতাই আকন্দ ১৯৩৭ সালে ৫.৫২ একর জমি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের নিকট থেকে নিলামে ক্রয় করেছে। তারপর থেকে ৮০/৮৫ বছর বছর যাবৎ তারা এখানে বসবাস করে আসছে। তারা গ্রামের মুর্খ লোক হওয়ায় এসএ, আর, এস ও বি, আর এস রেকর্ড তাদের নামে করতে পারেনি । এই রেকর্ডগুলো তাদের নামে করার জন্য শেরপুর দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান আছে। এমনকি ভেলুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান এই জমির উপর ভুয়া দলিল করে জমি দখলে নিতে চেয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মামলা হলে সে জেল খাটে। উক্ত মামলা এখন হাইকোর্টে চলমান। এমতাবস্থায় দুলাল মিয়াসহ একদল সন্ত্রাসী বিপুুল মোদকের নিকট থেকে ৩০/০৯/২০২৪ ইং তারিখে একই দিনে ৩৯৩০ নং ও ৩৯৩১ নং সাফ কবলা দলিল করে নেয়। এই দুইটি দলিল বাতিল চেয়ে মোঃ লুৎফর রহমান গং মাননীয় শ্রীবরদী সহকারী জজ আদালত শেরপুর মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং ১৭০/২০২৪ অন্য প্রকার । তারা উক্ত মামলায় জমির উপর আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে। আদালত বিবাদী পক্ষকে জবাব দেয়ার জন্য ১৫ (পনের) দিন সময় দিয়েছে। বিবাদী পক্ষ আদালতে এপ্রিয়ার করেছে। অথচ তারা জবাব না দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় লুৎফর রহমানের পরিবারকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করতে গিয়ে লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি খুবই হৃদয় বিদারক। এদিকে ৩০ অক্টোবর ২০২৪ ইং বিকেলে সহকারী কমিশনার, ভুমি শ্রীবরদী এখানকার ২০ (বিশ) শতাংশ ভুমি তাদের দাবী করে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছেন। বিষয়টি এলাকাবাসীকে হতবাক করেছে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

শেরপুর জেলা শ্রীবরদী থানার ঝগড়ার চর বাজার নিঃরে সন্ত্রসীদের লুটপাটে লুৎফর রহমানের পরিবাস্ব।

প্রকাশিত ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার ঝগড়ার চর বাজার এলাকায় মোঃ লুৎফর রহমানের পরিবারকে ভিটেমাটি ছাড়া করেছে মোঃ দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় গত ২৯ অক্টোবর ২০২৪ মঙ্গলবার ভোর ৫:০০ টার দিকে মোঃ দুলাল মিয়া ও মোঃ নূর হোসেন কালুর নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মোঃ লুৎফর রহমানের স-মিল ও বাড়ীতে অতর্কিত আক্রমন চালিয়ে মিল থেকে লুৎফর রহমানকে বেঁধে নিয়ে বরারচর দুলালের বাড়ীর একটি গাছের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় বেঁধে রেখে তার মিলে লুটপাট চালিয়ে মিলে থাকা কাঠ ও মিল ভাংচুর করে মিল উঠিয়ে নিয়ে যায়। স-মিলের পিছনে থাকা লুৎফর রহমানের বসত বাড়ীতে লুটপাট চালিয়ে জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এমন কি বাড়ীর বেড়া, ঘরের দরজা জানালা খুলে নিয়ে যায়। বাড়ীতে থাকা গাছ পর্যন্ত কেটে নিয়ে গেছে। সন্ত্রাসীরা লুৎফর রহমানের পরিবারের ২/৩ জন সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে যার চিহৃ দেয়ালে রক্তের দাগ থেকে পাওয়া যায়। আহতরা এখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এখানেই সন্ত্রাসীরা ক্ষান্ত হয়নি, তারা লুৎফর রহমানের স্ত্রী মোছাম্মত লিপি আক্তারের কাপড় টেনে খুলে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে এবং মারধর করে জখম করে। সন্ত্রাসীরা ভোর ৫:০০ থেকে সকাল ৮:৩০ মিনিট পর্যন্ত তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে লুৎফর রহমানের পরিবারের মিল থেকে নগদ অর্থসহ প্রায় ২৩,৬০,০০০ (তেইশ লাখ ষাট হাজার) টাকার কাঠ লুট করে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদশীর্রা জানায়, সন্ত্রাসীরা লুৎফর রহমানকে বেঁধে দুলালের বাড়ীতে নিয়ে মারধর করতে থাকলে এলাকাবাসীরা স্বপ্রনোদিত হয়ে ৯৯৯ এ ফোন করে। সংবাদ পেয়ে ৯:৩০ মিনিটে দিকে পুলিশ এসে লুৎফর রহমানকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদশীর্রা আরো জানায় ঘটনার সময় মোবাইলে ভিডিও করতে গেলে সন্ত্রসীরা কয়েকজনের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। এ বিষয়ে লুৎফর রহমানের স্ত্রী বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা করেছে। শ্রীবরদী থানার মামলা নং ২০, তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ইং।
কিন্তু বিপত্তি দেখা দিয়েছে অন্য এক জায়গায়। লুৎফর রহমানকে ভোর ৫ টায় তার স-মিলের অফিস থেকে ধরে নিয়ে বেঁধে রেখে বেদম মারধর করে আহত করে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং তার স্ত্রী প্রায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়। তার ভাইরা মারাত্বক আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। সন্ত্রাসীরা লুটপাট করে ২৩,৬০,০০০ (তেইশ লাখ ষাট হাজার)টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এরপরও শ্রবরদী থানার পুলিশ লুৎফর রহমানকে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে চালান দিয়েছে। কারণ সন্ত্রাসী দুলালের স্ত্রী হাসি বেগম শ্রীবরদী থানায় প্রভাব খাটিয়ে লুৎফর রহমানের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে, যার শ্রীবরদী থানার মামলা নং ১৯, তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৪। ২৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ সকাল ৬:০০ ঘটিকার সময় তার স্বামী মোঃ দুলাল মিয়া হোটেলে নাস্তা খাওয়ার উদ্দেশ্যে গেলে একদল জনতা মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এ কারণে এই মামলাটির উদ্ভব হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঝগড়ার চর বাজারে তকদীর হোটেলের সামনে হাসি বেগমের মামলায় উল্লেখিত সময়ে এ ধরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি। এর কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন ঐ দিন ভোর ৫টার দিকে দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী লুৎফর রহমানের স-মিলে আক্রমন করে লুৎফর রহমানকে উলঙ্গ করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ তাকে ৯:৩০ মিনিটের সময় উদ্ধার করে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলে, তাহলে লুৎফর রহমান তার লোকজন নিয়ে ঐ দিনেই ৬:০০ টার সময় মোঃ দুলাল মিয়াকে মারলো কিভাবে ? এলাকাবাসীরা জানায় দুলাল মিয়ার বউ হাসী বেগম তার এলাকার একজন মহিলা মেম্বার, প্রভাব খাটিয়ে থানাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে সে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করে লুটপাটের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করছে। এলাকাবাসীরা এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও ন্যায় বিচার দাবী করছে।
ঘটনার মুলে উপস্থিত মোঃ ইদ্রিস আলী জানায়, আমরা উক্ত জমি ২০২৪ সালে বিপুল মোদকের নিকট থেকে কিনেছি। তাদেরকে জায়গা খালি করতে বলেছি, তারা জায়গা খালি করছেনা। ফলে আমরা এঘটনা ঘটিয়েছি। কালু মিয়া নামে একজন সাবেক মেম্বারও একই কথাই বলেছেন।
জমি সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মোঃ লুৎফর রহমানের পিতা আবদুস সামাদ ওরফে নেতাই আকন্দ ১৯৩৭ সালে ৫.৫২ একর জমি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের নিকট থেকে নিলামে ক্রয় করেছে। তারপর থেকে ৮০/৮৫ বছর বছর যাবৎ তারা এখানে বসবাস করে আসছে। তারা গ্রামের মুর্খ লোক হওয়ায় এসএ, আর, এস ও বি, আর এস রেকর্ড তাদের নামে করতে পারেনি । এই রেকর্ডগুলো তাদের নামে করার জন্য শেরপুর দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান আছে। এমনকি ভেলুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান এই জমির উপর ভুয়া দলিল করে জমি দখলে নিতে চেয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মামলা হলে সে জেল খাটে। উক্ত মামলা এখন হাইকোর্টে চলমান। এমতাবস্থায় দুলাল মিয়াসহ একদল সন্ত্রাসী বিপুুল মোদকের নিকট থেকে ৩০/০৯/২০২৪ ইং তারিখে একই দিনে ৩৯৩০ নং ও ৩৯৩১ নং সাফ কবলা দলিল করে নেয়। এই দুইটি দলিল বাতিল চেয়ে মোঃ লুৎফর রহমান গং মাননীয় শ্রীবরদী সহকারী জজ আদালত শেরপুর মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং ১৭০/২০২৪ অন্য প্রকার । তারা উক্ত মামলায় জমির উপর আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে। আদালত বিবাদী পক্ষকে জবাব দেয়ার জন্য ১৫ (পনের) দিন সময় দিয়েছে। বিবাদী পক্ষ আদালতে এপ্রিয়ার করেছে। অথচ তারা জবাব না দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় লুৎফর রহমানের পরিবারকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করতে গিয়ে লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি খুবই হৃদয় বিদারক। এদিকে ৩০ অক্টোবর ২০২৪ ইং বিকেলে সহকারী কমিশনার, ভুমি শ্রীবরদী এখানকার ২০ (বিশ) শতাংশ ভুমি তাদের দাবী করে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছেন। বিষয়টি এলাকাবাসীকে হতবাক করেছে।