০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

  • প্রকাশিত ০৩:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৪৮ বার দেখা হয়েছে

 

তানিন আফরিন
স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা
গাইবান্ধা সদর উপজেলার লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ টিআইএম মিজানুর রহমানের শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১০ ডিসেম্বর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদ আল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে সদর উপজেলার কৃষি অফিসার মো. শাহাদত হোসেনকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম সাঈদ হাসান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাকিরুল হাসান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মো. সুজন মিয়া ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এএইচএম হুমায়ুন কবির। জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ টিআইএম মিজানুর রহমান তাঁর চাচাতো ভাই, জ্যাঠাত ভাই এবং আত্মীয়-স্বজনকে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে কলেজটিকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। এ সংক্রান্ত একটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

বাঁশখালীতে ছাত্রদলের প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীরাই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত ০৩:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

 

তানিন আফরিন
স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা
গাইবান্ধা সদর উপজেলার লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ টিআইএম মিজানুর রহমানের শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১০ ডিসেম্বর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদ আল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে সদর উপজেলার কৃষি অফিসার মো. শাহাদত হোসেনকে কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম সাঈদ হাসান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাকিরুল হাসান, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মো. সুজন মিয়া ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এএইচএম হুমায়ুন কবির। জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, লেংগা বাজার আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ টিআইএম মিজানুর রহমান তাঁর চাচাতো ভাই, জ্যাঠাত ভাই এবং আত্মীয়-স্বজনকে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে কলেজটিকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। এ সংক্রান্ত একটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।