০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ

  • প্রকাশিত ০১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
  • ৩৬১ বার দেখা হয়েছে

শেখ সাদী সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ উপনির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল আগামী মাসেই হতে পারে এমন গুঞ্জন উপজেলার সর্বত্র। তাই এই নির্বাচনে কারা প্রার্থী হচ্ছেন এমন আলোচনা চলছে শহরজুড়ে।

এর মাঝেই এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন। তার এই ঘোষণার পর অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে এবং জমজমাট একটি উপজেলা নির্বাচনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শোভনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক প্রচারণা চালাচ্ছে তার সংগঠনের নেতাকর্মী ও তার কর্মী সমর্থকেরা।

শাহাদাত হোসেন শোভনকে সদর আসনের এমপি ও গৃহায়ন মন্ত্রী সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলেও ভোটের মাঠে খবর চাউর হয়েছে। শোভন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে দুই মেয়াদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শোভন ছাড়াও এই নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে প্রথম থেকেই আলোচনায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা চৌদ্দ দলের সমন্বয়ক হাজী হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মহসিন মিয়া,জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এডভোকেট লোকমান হোসেন,রিয়াদ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিম রেজা।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে দৌড়ঝাপ করতে দেখা গেলেও বিএনপির কাউকে দৃশ্যমান ভাবে এখনো উপজেলা নির্বাচনের মাঠে দেখা যায় নি। বিএনপি থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হবেন কি-না জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরে আলম সিদ্দিকী তেপান্তরকে বলেন,” আমরা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত এই সরকারের অধীনে আমার দল কোন নির্বাচনে যাবে না।তবে দল যদি নির্বাচনে আসে তাহলে অবশ্যই আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।”

বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ ও এর বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। গতবারের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনের কেউই এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। বিএনপিও এই নির্বাচনে অংশ নেবে না এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করবে না। আর এ কারণেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে।

সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভাইস-চেয়ারম্যান পরে সম্ভাব্য পার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের সাবেক সফল কাউন্সিল এবং ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি মরহুম শেখ মো:বাবর আলী ( কমিশনারে ) সুযোগ সন্তান মালেশিয়া ছাএলীগের সাবেক সহ- সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দহ্মিন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সাবেক সাঙ্গঠানিক সম্পাদক, পৌর আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের অন্যতম নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসাহি শেখ নয়ন বিন বারব সহ , বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং রাজনৈতিক বিদ মো: নূর নবী এছাড়া ও আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার আবারও নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য জেলা যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি উম্মে হানি সেতু এবং জেলা ছাত্রলীগ নেত্রী আফরিন ফাতেমা জুই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন।

Tag :

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তারাগঞ্জে সাংবাদিকে হুমকি দিলেন আবু সাঈদ হত্যামামলার আসামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ

প্রকাশিত ০১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

শেখ সাদী সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ উপনির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল আগামী মাসেই হতে পারে এমন গুঞ্জন উপজেলার সর্বত্র। তাই এই নির্বাচনে কারা প্রার্থী হচ্ছেন এমন আলোচনা চলছে শহরজুড়ে।

এর মাঝেই এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবার ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন। তার এই ঘোষণার পর অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে এবং জমজমাট একটি উপজেলা নির্বাচনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইতিমধ্যে শোভনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক প্রচারণা চালাচ্ছে তার সংগঠনের নেতাকর্মী ও তার কর্মী সমর্থকেরা।

শাহাদাত হোসেন শোভনকে সদর আসনের এমপি ও গৃহায়ন মন্ত্রী সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলেও ভোটের মাঠে খবর চাউর হয়েছে। শোভন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে দুই মেয়াদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শোভন ছাড়াও এই নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে প্রথম থেকেই আলোচনায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা চৌদ্দ দলের সমন্বয়ক হাজী হেলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মহসিন মিয়া,জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এডভোকেট লোকমান হোসেন,রিয়াদ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী সেলিম রেজা।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে দৌড়ঝাপ করতে দেখা গেলেও বিএনপির কাউকে দৃশ্যমান ভাবে এখনো উপজেলা নির্বাচনের মাঠে দেখা যায় নি। বিএনপি থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হবেন কি-না জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরে আলম সিদ্দিকী তেপান্তরকে বলেন,” আমরা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত এই সরকারের অধীনে আমার দল কোন নির্বাচনে যাবে না।তবে দল যদি নির্বাচনে আসে তাহলে অবশ্যই আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।”

বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগ ও এর বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। গতবারের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনের কেউই এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। বিএনপিও এই নির্বাচনে অংশ নেবে না এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করবে না। আর এ কারণেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে।

সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভাইস-চেয়ারম্যান পরে সম্ভাব্য পার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের সাবেক সফল কাউন্সিল এবং ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি মরহুম শেখ মো:বাবর আলী ( কমিশনারে ) সুযোগ সন্তান মালেশিয়া ছাএলীগের সাবেক সহ- সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দহ্মিন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সাবেক সাঙ্গঠানিক সম্পাদক, পৌর আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের অন্যতম নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসাহি শেখ নয়ন বিন বারব সহ , বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং রাজনৈতিক বিদ মো: নূর নবী এছাড়া ও আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার আবারও নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য জেলা যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি উম্মে হানি সেতু এবং জেলা ছাত্রলীগ নেত্রী আফরিন ফাতেমা জুই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন।