০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
খান শওকত। দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা-র যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি।

নির্বাচনী জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! ৫০ ফুট দূর থেকে ছোঁড়া রাইফেলের গুলি ঠিক ডান কান ঘেঁষে (!) রক্ত ঝরিয়ে বেরিয়ে গেল! উত্তপ্ত আমেরিকা!

  • প্রকাশিত ০৪:১৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
  • ১৯৭ বার দেখা হয়েছে

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, পেনসিলভানিয়ার ওই জনসভা শুরুর কয়েক মুহূর্ত আগে রাইফেল হাতে এক ব্যক্তিকে নিকটবর্তী এলাকার একটি বহুতলের ছাদে উঠতে দেখা গিয়েছিল। পুলিশের হাতে সে নিহত হলেও এখনো তার নাম বা পরিচয় পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার সমাবেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে। গুলির শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প মঞ্চে বসে পড়েন। পরে গোয়েন্দা সংস্থার তাকে টেনে তুললে তার ডান কান ও মুখমণ্ডল দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। বাটলার কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় বন্দুকধারী ও আরেকজন নিহত হয়েছেন।

খবরে বলা হয়েছে, গুলির শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে সুরক্ষিত করেছেন। ঘটনার পর ট্রাম্পকে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে সমাবেশের মঞ্চ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাম্প মুষ্টি তুলে অভিবাদন জানাচ্ছেন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বেছন তিনি সমাবেশে বাইরে ছিলেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট কী বলছিলেন সেটিই কেবল শুনতে পারছিলেন। তখনি ছাদে থাকা এক ব্যক্তি তার নজরে আসে। “আমরা লক্ষ্য করি যে আমাদের পাশের ভবনের ছাদে অগ্রসর হচ্ছে, ৫০ ফুট দূরে ছিলো আমাদের,” বলছিলেন গ্রেইগ নামের ওই ব্যক্তি। “তার কাছে একটা রাইফেল ছিলো, আমরা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম যে একটা রাইফেল ছিলো,” বলছিলেন তিনি। “আমি ভাবছিলাম ট্রাম্প কেন এখনো বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছেন। তাকে কেন স্টেজ থেকে নামানো হচ্ছে না। তার দিকে দৃষ্টি দিয়ে আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। এরপর হলো পাঁচটি গুলির শব্দ”।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডান কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল গুলি। ভরা জনসভায় তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প। ঠিক সে সময়ই ঘটে এই ভয়াবহ হামলা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন লিখেছেন, “I have been briefed on the shooting at Donald Trump’s rally in Pennsylvania. I’m grateful to hear that he’s safe and doing well. I’m praying for him and his family and for all those who were at the rally, as we await further information. Jill and I are grateful to the Secret Service for getting him to safety. There’s no place for this kind of violence in America. We must unite as one nation to condemn it.”

এ বিষয়ে বারাক ওবামা লিখেছেন, “There is absolutely no place for political violence in our democracy. Although we don’t yet know exactly what happened, we should all be relieved that former President Trump wasn’t seriously hurt, and use this moment to recommit ourselves to civility and respect in our politics. Michelle and I are wishing him a quick recovery.”

পুলিশ সূত্রের খবর, জনসভায় ট্রাম্পের উপর পরপর গুলি চালানো হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে জনসভায় উপস্থিত এক সমর্থকেরও। আর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে বন্দুকবাজ।

অনেকে বলছেন, কড়া নিরাপত্তার মাঝে এভাবে গুলি হবে কিভাবে? আর ৫০ ফুট দূরের ছাঁদের উপর থেকে একটি রাইফেল থেকে ৫টি গুলি ছোঁড়া হলো উনাকে তাক করে, আর লাগলো উনার কানে! কানে গুলি লাগার অর্থই হলো মাথায় গুলি ঢুকবে! আর মাথায় গুলি লাগলে তো উনার বাঁচার কথা নয়। এভাবে কানে এত রক্ত এলো কিভাবে? সত্যিই কি গুলি লাগার জন্য এ রক্ত! ৫০ ফুট দূর থেকে ছোঁড়া রাইফেলের গুলি কি কোন মানুষের কান ঘেঁসে (!) রক্ত ঝরিয়ে চলে যায়! নাকি বিশেষ উদ্দেশ্যে সংঘটিত এ বিষয়টা পুরোটাই রাজনৈতিক! ঘটনা যেটাই হোক, ফেডারেল তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সত্য সামনে আসবেই। তবে এ ঘটনা আসন্ন নির্বাচনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে এটা একদম ঠিক!

আমেরিকার সকল জনগনের মতো আমরাও এ ঘটনার নিন্দা জানাই।

 

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

খান শওকত। দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা-র যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি।

নির্বাচনী জনসভায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! ৫০ ফুট দূর থেকে ছোঁড়া রাইফেলের গুলি ঠিক ডান কান ঘেঁষে (!) রক্ত ঝরিয়ে বেরিয়ে গেল! উত্তপ্ত আমেরিকা!

প্রকাশিত ০৪:১৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, পেনসিলভানিয়ার ওই জনসভা শুরুর কয়েক মুহূর্ত আগে রাইফেল হাতে এক ব্যক্তিকে নিকটবর্তী এলাকার একটি বহুতলের ছাদে উঠতে দেখা গিয়েছিল। পুলিশের হাতে সে নিহত হলেও এখনো তার নাম বা পরিচয় পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার সমাবেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে। গুলির শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প মঞ্চে বসে পড়েন। পরে গোয়েন্দা সংস্থার তাকে টেনে তুললে তার ডান কান ও মুখমণ্ডল দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। বাটলার কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় বন্দুকধারী ও আরেকজন নিহত হয়েছেন।

খবরে বলা হয়েছে, গুলির শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে সুরক্ষিত করেছেন। ঘটনার পর ট্রাম্পকে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে সমাবেশের মঞ্চ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাম্প মুষ্টি তুলে অভিবাদন জানাচ্ছেন।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বেছন তিনি সমাবেশে বাইরে ছিলেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট কী বলছিলেন সেটিই কেবল শুনতে পারছিলেন। তখনি ছাদে থাকা এক ব্যক্তি তার নজরে আসে। “আমরা লক্ষ্য করি যে আমাদের পাশের ভবনের ছাদে অগ্রসর হচ্ছে, ৫০ ফুট দূরে ছিলো আমাদের,” বলছিলেন গ্রেইগ নামের ওই ব্যক্তি। “তার কাছে একটা রাইফেল ছিলো, আমরা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম যে একটা রাইফেল ছিলো,” বলছিলেন তিনি। “আমি ভাবছিলাম ট্রাম্প কেন এখনো বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছেন। তাকে কেন স্টেজ থেকে নামানো হচ্ছে না। তার দিকে দৃষ্টি দিয়ে আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। এরপর হলো পাঁচটি গুলির শব্দ”।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডান কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল গুলি। ভরা জনসভায় তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন ট্রাম্প। ঠিক সে সময়ই ঘটে এই ভয়াবহ হামলা। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন লিখেছেন, “I have been briefed on the shooting at Donald Trump’s rally in Pennsylvania. I’m grateful to hear that he’s safe and doing well. I’m praying for him and his family and for all those who were at the rally, as we await further information. Jill and I are grateful to the Secret Service for getting him to safety. There’s no place for this kind of violence in America. We must unite as one nation to condemn it.”

এ বিষয়ে বারাক ওবামা লিখেছেন, “There is absolutely no place for political violence in our democracy. Although we don’t yet know exactly what happened, we should all be relieved that former President Trump wasn’t seriously hurt, and use this moment to recommit ourselves to civility and respect in our politics. Michelle and I are wishing him a quick recovery.”

পুলিশ সূত্রের খবর, জনসভায় ট্রাম্পের উপর পরপর গুলি চালানো হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে জনসভায় উপস্থিত এক সমর্থকেরও। আর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে বন্দুকবাজ।

অনেকে বলছেন, কড়া নিরাপত্তার মাঝে এভাবে গুলি হবে কিভাবে? আর ৫০ ফুট দূরের ছাঁদের উপর থেকে একটি রাইফেল থেকে ৫টি গুলি ছোঁড়া হলো উনাকে তাক করে, আর লাগলো উনার কানে! কানে গুলি লাগার অর্থই হলো মাথায় গুলি ঢুকবে! আর মাথায় গুলি লাগলে তো উনার বাঁচার কথা নয়। এভাবে কানে এত রক্ত এলো কিভাবে? সত্যিই কি গুলি লাগার জন্য এ রক্ত! ৫০ ফুট দূর থেকে ছোঁড়া রাইফেলের গুলি কি কোন মানুষের কান ঘেঁসে (!) রক্ত ঝরিয়ে চলে যায়! নাকি বিশেষ উদ্দেশ্যে সংঘটিত এ বিষয়টা পুরোটাই রাজনৈতিক! ঘটনা যেটাই হোক, ফেডারেল তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সত্য সামনে আসবেই। তবে এ ঘটনা আসন্ন নির্বাচনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে এটা একদম ঠিক!

আমেরিকার সকল জনগনের মতো আমরাও এ ঘটনার নিন্দা জানাই।