০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
মনির উদ্দিন মানিক, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

জনতার কল্যাণে নিবেদিত হোক বর্তমান নিয়োগ ভিত্তিক ডি, এম, পি, কমিশনার

  • প্রকাশিত ০২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৬০ বার দেখা হয়েছে

গত ০৯ ইং ডিসেম্বর আমাদের নতুন নিয়োগ ভিত্তিক পুলিশের ডি, এম, পি, কমিশনার সাহেব সত্যের সাথে আপনি জীবন মৃত্যুর ভয়ভীতি উপেক্ষা করে যে কথাগুলো জাতির সামনে প্রচার মাধ্যমে বলিষ্ঠ ভূমিকায় সদা সত্য কথাগুলো উপস্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর আমি ব্যক্তিগত বহু পুলিশ কর্মকর্তার জাতির, জনতার ও পুলিশের পক্ষে ও বিপক্ষে কথা বলেছেন বা পক্ষপাতিত্ব করেছেন। কিন্তু এই নবগঠিত ছাত্র জনতার একটি মুক্ত স্বাধীন রাষ্ট্রে প্রথমেই জাতির নিকট ও প্রশাসনের নিকট রাষ্ট্রীয় মর্যদা সম্পূর্ণ পবিত্র পেশাদারিত্ব পোশাক পরে বিগত পুলিশের কর্মকান্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থী হয়েছেন। হাত জোর করে ভুল ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এই রকম আমি আমার জীবনে কখনও দেখিনাই বা শুনি নাই। তবে ওনার শিক্ষায় ধীরে ধীরে এই মনমানসিকতা পুলিশের ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাঝে আসতে থাকবে। বিগত ১৭ বছরেরে দলীয়ভাবে প্রায় ৮০০০০, (আশি হাজার পুলিশ) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাই এই প্রশাসন জনতার নিকট হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে এখনও হতে চলেছে। কারণ পুলিশকে কেউ বিশ্বাস করেনা শুক্র মনে করেন। বুঝি আগের মতই পুলিশ চলবে-না- এখন আর না সে যেইহোক বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জাতীয় পাটি, জামায়াত ও সকল ইসলামি দল গুলোর কোনো হুকুম অন্যায় আবদার রাষ্ট্রের স্বার্থে, আইনের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে যাচাই বাছাই ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা রাষ্ট্রের জনগণের বন্ধু হতে চাই। যাই হউক আগের নিয়োগকৃত পুলিশ কেউ পালিয়ে গেছে অনেকেই এরেষ্ট বাকিরা মুখোশ ঢেকে লুকায়িত। এগুলো মানা যায় না বা পুলিশে প্রশ্রয় দেওয়া যায় না বা যাবেনা। নতুন একটি সত্য শক্ত অবোকাঠামোর মধ্যে বর্তমান পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে আসা হবে নতুন আঙ্গীকে। পুলিশের নতুন আইন তৈরি করে একটি আইনের শাসনে নিয়ে আসবে। ধন্যবাদ জানাই হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে আপনার এই মূল্যবান উপদেশ আমার ভাষার উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আল্লাহ আপনাকে অনেক অনেক হায়াত দান করুন, যেন স্বর্ণাক্ষরে জাতির নিকট ও পুলিশের হৃদয়ে এবং সকল আইন শৃঙ্খলা বোর্ডে এই পুলিশ কমিশনারের আর্দশ স্বার্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকুক। এখন একমাত্র সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। মাননীয় ডি, এম, পি কমিশনারের নিকট আমার অনুল আবেদন, উপদেশ শিক্ষণীয় খোলা একটি চিঠি মনে করে রাষ্ট্রের জন্য একটি আইন সকলেই মিলেমিশে করেন, তবে আপনি একটু আলাদা করে রাষ্ট্রকে উপদেশ দিকনির্দেশনা দিন, আপনার মাধ্যমে বিবেক জাগ্রত হোক সকলের মাঝে। কারণ একজন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রীয় ভাবে, সম্মান, নিরাপত্তা, সুখ-শান্তি, ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা দিক্ষায়, কলকারখানায়, অফিস আদালতে ও এলাকা ভিত্তিক নাগরিকের সুযোগ সুবিধা পেতে চায়, তাহলে দুইপক্ষ একত্রে বসে যেমন- সকল সিটি কর্পোরেশন ইউনিয়ন গুলো ও পুলিশ প্রশাসন একসাথে বসে সকল রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ নিয়ে একটি রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন জারি করেন, যে নাগরিক বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের, স্বাধীনতাকে আইনকে, সকল রাষ্ট্রীয় আদেশ উপদেশকে শ্রদ্ধা ও মেনে চলে এবং সিটি কর্পোরেশন ও আইন থেকে নাগরিত্বের সুযোগ সুবিধা ও সমর্থন পেতে চায় তাহলে সে যেই হোক, ছোট হোক বড় হোক, ফুটপাত হোক আর মার্কেট হোক সকলের পুঁজি ও ব্যবসার ধারণ ও আয় ব্যয়ের হিসাব উল্লেখ করে প্রতিদিন রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে উজ্জল করার জন্য সর্বনিম্ম এক হাজার থেকে ব্যবসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কর দিয়ে একটি সরকারি সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। কারণ কেউ না খেয়ে থাকেনা সবাই মোটামুটিভাবে আজ হোক বা কাল হোক মাসে একটা আয় এবং ব্যয় হয়ে থাকে এবং করতে থাকে। আগে জানতে হবে তার বর্তমান অবস্থান ব্যাংক ব্যালেন্স দোকানের পরিধি আয় ও ব্যয় প্রতি বছরে একবার কর দিয়ে বাধ্যতা মূলকভাবে নিজ হন্তে লিখিত দিয়ে এবং কাউন্সিলর কার্যালয় কর্তৃক ও থানা ভিত্তিক ভূমি, ব্যবসা, ব্যাংক আয়-ব্যয়ের ফরম পূরণ করে সত্য লিখে দিতে হবে। তাহলে ব্যবসায়ী চাকুরিজীবি সবার মধ্যে একটা রাষ্ট্রীয় সেবার পরিধি উপলব্ধি আসবে। এবং রাষ্ট্রীয় সেবা পেতে কোনো রকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবেনা। তাহলে আগামীতে আমাদের দেশে জনগনের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে যে দল ক্ষমতায় আসুক না কেন দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। এই একটি উদাহরণ যদি আপনার মাধ্যমে সৃষ্টি বা জন্ম দেওয়া যায়, আপনি হবেন এদেশের একজন যোগ্য সু-পুত্র আমার সোনার বাংলায় প্রথম বাংলাদেশে। আমার লেখনীর মাধ্যমে এই কথাগুলো প্রকাশ ও প্রচার করার জন্য ধন্যবাদ জানাই পত্রিকার সম্পাদক সাহেবকে।

লিখার শেষ নাই চলবে……….

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

মনির উদ্দিন মানিক, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

জনতার কল্যাণে নিবেদিত হোক বর্তমান নিয়োগ ভিত্তিক ডি, এম, পি, কমিশনার

প্রকাশিত ০২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪

গত ০৯ ইং ডিসেম্বর আমাদের নতুন নিয়োগ ভিত্তিক পুলিশের ডি, এম, পি, কমিশনার সাহেব সত্যের সাথে আপনি জীবন মৃত্যুর ভয়ভীতি উপেক্ষা করে যে কথাগুলো জাতির সামনে প্রচার মাধ্যমে বলিষ্ঠ ভূমিকায় সদা সত্য কথাগুলো উপস্থাপন করেছেন। স্বাধীনতার পর আমি ব্যক্তিগত বহু পুলিশ কর্মকর্তার জাতির, জনতার ও পুলিশের পক্ষে ও বিপক্ষে কথা বলেছেন বা পক্ষপাতিত্ব করেছেন। কিন্তু এই নবগঠিত ছাত্র জনতার একটি মুক্ত স্বাধীন রাষ্ট্রে প্রথমেই জাতির নিকট ও প্রশাসনের নিকট রাষ্ট্রীয় মর্যদা সম্পূর্ণ পবিত্র পেশাদারিত্ব পোশাক পরে বিগত পুলিশের কর্মকান্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থী হয়েছেন। হাত জোর করে ভুল ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এই রকম আমি আমার জীবনে কখনও দেখিনাই বা শুনি নাই। তবে ওনার শিক্ষায় ধীরে ধীরে এই মনমানসিকতা পুলিশের ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাঝে আসতে থাকবে। বিগত ১৭ বছরেরে দলীয়ভাবে প্রায় ৮০০০০, (আশি হাজার পুলিশ) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাই এই প্রশাসন জনতার নিকট হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে এখনও হতে চলেছে। কারণ পুলিশকে কেউ বিশ্বাস করেনা শুক্র মনে করেন। বুঝি আগের মতই পুলিশ চলবে-না- এখন আর না সে যেইহোক বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জাতীয় পাটি, জামায়াত ও সকল ইসলামি দল গুলোর কোনো হুকুম অন্যায় আবদার রাষ্ট্রের স্বার্থে, আইনের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে যাচাই বাছাই ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা রাষ্ট্রের জনগণের বন্ধু হতে চাই। যাই হউক আগের নিয়োগকৃত পুলিশ কেউ পালিয়ে গেছে অনেকেই এরেষ্ট বাকিরা মুখোশ ঢেকে লুকায়িত। এগুলো মানা যায় না বা পুলিশে প্রশ্রয় দেওয়া যায় না বা যাবেনা। নতুন একটি সত্য শক্ত অবোকাঠামোর মধ্যে বর্তমান পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে আসা হবে নতুন আঙ্গীকে। পুলিশের নতুন আইন তৈরি করে একটি আইনের শাসনে নিয়ে আসবে। ধন্যবাদ জানাই হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে আপনার এই মূল্যবান উপদেশ আমার ভাষার উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আল্লাহ আপনাকে অনেক অনেক হায়াত দান করুন, যেন স্বর্ণাক্ষরে জাতির নিকট ও পুলিশের হৃদয়ে এবং সকল আইন শৃঙ্খলা বোর্ডে এই পুলিশ কমিশনারের আর্দশ স্বার্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকুক। এখন একমাত্র সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। মাননীয় ডি, এম, পি কমিশনারের নিকট আমার অনুল আবেদন, উপদেশ শিক্ষণীয় খোলা একটি চিঠি মনে করে রাষ্ট্রের জন্য একটি আইন সকলেই মিলেমিশে করেন, তবে আপনি একটু আলাদা করে রাষ্ট্রকে উপদেশ দিকনির্দেশনা দিন, আপনার মাধ্যমে বিবেক জাগ্রত হোক সকলের মাঝে। কারণ একজন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রীয় ভাবে, সম্মান, নিরাপত্তা, সুখ-শান্তি, ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা দিক্ষায়, কলকারখানায়, অফিস আদালতে ও এলাকা ভিত্তিক নাগরিকের সুযোগ সুবিধা পেতে চায়, তাহলে দুইপক্ষ একত্রে বসে যেমন- সকল সিটি কর্পোরেশন ইউনিয়ন গুলো ও পুলিশ প্রশাসন একসাথে বসে সকল রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ নিয়ে একটি রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন জারি করেন, যে নাগরিক বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের, স্বাধীনতাকে আইনকে, সকল রাষ্ট্রীয় আদেশ উপদেশকে শ্রদ্ধা ও মেনে চলে এবং সিটি কর্পোরেশন ও আইন থেকে নাগরিত্বের সুযোগ সুবিধা ও সমর্থন পেতে চায় তাহলে সে যেই হোক, ছোট হোক বড় হোক, ফুটপাত হোক আর মার্কেট হোক সকলের পুঁজি ও ব্যবসার ধারণ ও আয় ব্যয়ের হিসাব উল্লেখ করে প্রতিদিন রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে উজ্জল করার জন্য সর্বনিম্ম এক হাজার থেকে ব্যবসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কর দিয়ে একটি সরকারি সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। কারণ কেউ না খেয়ে থাকেনা সবাই মোটামুটিভাবে আজ হোক বা কাল হোক মাসে একটা আয় এবং ব্যয় হয়ে থাকে এবং করতে থাকে। আগে জানতে হবে তার বর্তমান অবস্থান ব্যাংক ব্যালেন্স দোকানের পরিধি আয় ও ব্যয় প্রতি বছরে একবার কর দিয়ে বাধ্যতা মূলকভাবে নিজ হন্তে লিখিত দিয়ে এবং কাউন্সিলর কার্যালয় কর্তৃক ও থানা ভিত্তিক ভূমি, ব্যবসা, ব্যাংক আয়-ব্যয়ের ফরম পূরণ করে সত্য লিখে দিতে হবে। তাহলে ব্যবসায়ী চাকুরিজীবি সবার মধ্যে একটা রাষ্ট্রীয় সেবার পরিধি উপলব্ধি আসবে। এবং রাষ্ট্রীয় সেবা পেতে কোনো রকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবেনা। তাহলে আগামীতে আমাদের দেশে জনগনের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে যে দল ক্ষমতায় আসুক না কেন দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। এই একটি উদাহরণ যদি আপনার মাধ্যমে সৃষ্টি বা জন্ম দেওয়া যায়, আপনি হবেন এদেশের একজন যোগ্য সু-পুত্র আমার সোনার বাংলায় প্রথম বাংলাদেশে। আমার লেখনীর মাধ্যমে এই কথাগুলো প্রকাশ ও প্রচার করার জন্য ধন্যবাদ জানাই পত্রিকার সম্পাদক সাহেবকে।

লিখার শেষ নাই চলবে……….