০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।

  • প্রকাশিত ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

 

মুজিবুল হাসান ছোটন (কক্সবাজার সদর প্রতিনিধি)

কক্সবাজার সদর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া ,নাজিরারটেক ও বন্দর পাড়া বাসিন্দাদের নিয়ে এক বিশাল র‍্যালি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার ৭(জানুয়ারি) সকালে এই সমাবেশে যোগ দেন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা, যুবক -যুবতি ও বৃদ্ধরা।এই সমাবেশে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সমাবেশের কারণে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে অচল হয়ে পড়ে হলিডেমোড় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮১ সাল হয়তে কুতুবদিয়া,ধলঘাটা, মাতারবাড়ী, মহেশখালীসহ উপকূলীয় নদী ভাঙ্গন অঞ্চলের বাস্তুহারা লোকজন এসে কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বসতি স্থাপন শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের প্রলয়নকারী ঘূর্ণিঝড়ে বিশাল জনগোষ্ঠী ভিটা মাটি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়লে উক্ত জনগোষ্ঠীকে তৎকালীন সরকারের আমলে মাননীয় জেলা প্রশাসক “কক্সবাজার বিমান বন্দর”এর পশ্চিম পাশে কক্সবাজার মৌজার সমুদ্রের ভরাট হওয়া বেলাভূমিতে বসতি স্থাপনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বৃহত্তর কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া,নাজিরারটেকে মোট ২২ টি মহল্লা গড়ে উঠে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে ১ নং ওয়ার্ডে ১২ হাজার পরিবারের অধিনে প্রায় ৫০-৬০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। সমাবেশে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন বিমান বন্দর সম্প্রসারণের কথা বলে তাদেরকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে সরকার,যা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না বলে জানান আন্দোলনকারীরা। শুধু তাই নয় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে শহর অচল করে দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।পরে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

Tag :
জনপ্রিয়

খুলনায় গ্যাস সরবরাহের দাবিতে খুলনা নাগরিক সমাজের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান।

প্রকাশিত ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

মুজিবুল হাসান ছোটন (কক্সবাজার সদর প্রতিনিধি)

কক্সবাজার সদর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া ,নাজিরারটেক ও বন্দর পাড়া বাসিন্দাদের নিয়ে এক বিশাল র‍্যালি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার ৭(জানুয়ারি) সকালে এই সমাবেশে যোগ দেন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা, যুবক -যুবতি ও বৃদ্ধরা।এই সমাবেশে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং সমাবেশের কারণে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে অচল হয়ে পড়ে হলিডেমোড় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮১ সাল হয়তে কুতুবদিয়া,ধলঘাটা, মাতারবাড়ী, মহেশখালীসহ উপকূলীয় নদী ভাঙ্গন অঞ্চলের বাস্তুহারা লোকজন এসে কক্সবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে বসতি স্থাপন শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের প্রলয়নকারী ঘূর্ণিঝড়ে বিশাল জনগোষ্ঠী ভিটা মাটি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়লে উক্ত জনগোষ্ঠীকে তৎকালীন সরকারের আমলে মাননীয় জেলা প্রশাসক “কক্সবাজার বিমান বন্দর”এর পশ্চিম পাশে কক্সবাজার মৌজার সমুদ্রের ভরাট হওয়া বেলাভূমিতে বসতি স্থাপনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বৃহত্তর কুতুবদিয়া পাড়া, সমিতি পাড়া,নাজিরারটেকে মোট ২২ টি মহল্লা গড়ে উঠে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে ১ নং ওয়ার্ডে ১২ হাজার পরিবারের অধিনে প্রায় ৫০-৬০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। সমাবেশে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন বিমান বন্দর সম্প্রসারণের কথা বলে তাদেরকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে সরকার,যা বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না বলে জানান আন্দোলনকারীরা। শুধু তাই নয় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে শহর অচল করে দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।পরে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।