তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স ঢাকা অন্যতম রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স এখানে প্রতিনিয়তো দলিল করতে আছে হাজার ও ক্রেতাে বিক্রেতারা যেখান থেকে সরকার প্রতিনিয়োতো পাওয়ার কথা লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব কিন্তু অসাধু সিন্ডিকেটের কারনে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে এই লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব থেকে
তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স অন্যতম রেজিস্ট্রি অফিস হচ্ছে খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিস যেখান থেকে সরকারে যা রাজস্ব পাওয়ার কথা তা সহজে চোঁখের পলকে চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটদের পকেটে এই খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসকে জিম্মি করে নিজের পকেট ভারী করে প্রতিনিয়ত নিজের আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন নকল নবীশ রাসেল
পদে নকল নবীশ হলেও ক্ষমতাসীল আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকা অবস্থায় আইন মন্ত্রী নাম ভাঙ্গিয়ে খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব এক সিন্ডিকেটের দল যারা প্রতিনিয়ত শোনেন তার কথা দলিল রেজিস্ট্রি করা, নকল উঠানো, দলিল লেখা, কোন জমির দলিলে কত দাম বসবে সব কিছুই নিয়ন্তন করে নকল নবীশ রাসেলের সিন্ডিকেট দলের লোকেরা আর এই সিন্ডিকেটের মূল নেতৃত্ব দেন নকল নবীশ রাসেল
নকল নবীশ অর্থাৎ যে কোন জমির দলিল সরকারি ভাবে রেজিস্ট্রি হওয়ার পর ভবিষ্যতে সেই দলিল ক্রেতার হাতে দেওয়ার জন্য ঐ দলিল কপি করে লেখার জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে নিয়োগ দেওয়া হয় নকল নবীশ যাদের দৈনিক হাজিরা মাএ ৪০ টাকা সেই পদে রয়েছে এই নকল নবীশ রাসেল কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার দেখিয়ে তিনি হয়ে যান খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসের গডফাদার ওরফে গডফাদার নকল নবীশ রাসেল
৫ই আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের পত হলে ও পতন হয়নি এদের তার মূল কারন হল সময়ে সাথে টাকার বিনিময়ে নিজেদের খোলশ পালটিয়ে হয়ে যান বিএনপির কর্মী আবারও শুরু করেন রাসেল তার পুরাতন ঘুষ দুর্নীতির রাজ্য কায়েম তার কাছে সাব রেজিস্ট্রার, উমেদার, দলিল লেখক থেকে শুরু করে সকলে জিম্মি হয়ে পড়েছেন তার অবৈধ ক্ষমতার কাছে
তার বিরুদ্ধে টু পর্যন্ত শব্দ করেন না কেউ এর কারনে খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ক্রেতা বিক্রেতার এসে জন হয়রানির শিকার হয়ে পড়েন এই নকল নবীশ রাসেল জন্য
রাসের তার এই অবৈধ সাম্রাজ্য কায়েম করে গড়ে তুলেছেন আফতাব নগর এলাকায় হাউজিং প্রকল্পে প্লট নং এফ /১৮,রোড নং -৪, সেক্টর নং -২, ব্লক -এফ জায়গা ক্রয় করে, ৭ তলা আলিশান ভবনটি নির্মাণ করেছেন শুধু তাই নয় নিজের আর পরিবারে চলফেরা করার জন্য ক্রয় করে লেটেস্ট মডেলের ২টি গাড়ি যার মূল্য হবে কোটি টাকার উপরে আরও রয়েছে হাউজিং কোম্পানি শেয়ার হোল্ডার হিসেবে
প্রশ্ন এখানে একজন দৈনিক ৪০ টাকা হাজিরা পাওয়া নকল নবীশ কিভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যান এ যেনো আলাদীনের চেরাকের মত চাহিবা মাএ চলে আছে হাতে যা সম্পূর্ণরূপে দুদকের চোখের আড়ালে
অথচ এই নকল নবীশ রাসেলের দুদক,আইজি আর, সচিবালয়ে রয়েছে তার বিরুদ্ধে ভুড়ি ভুড়ি ফাইল জমা কিন্তু ভাগ্য যদি ভাল হয় হাজার অপরাধ করলেও তা সামনে আছে না তেমনটি হয়েছে এই গডফাদার নকল নবীশ রাসেলে তার বিরুদ্ধে ফাইল গুলো আজও মনে হয় আলো মুখ দেখেতে পাবে কিনা তাও খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসের অনেকের অজানা।
এসকল বিষয় নকল নবীশ রাসেলকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি