০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ ইয়ার আলী শেখ।

কাশিয়ানীতে ব্রিজ ও রাস্তার কাজের চূড়ান্ত বিল পরিশোধের পরেও মামলার সত্যতা পায়নি তদন্তকারী দল।

  • প্রকাশিত ০৯:০০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

 

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বার্ষিকী উন্নয়ন কর্মসূচি এডিবি এর আওতায় কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ব্রিজ হতে মাইজকান্দি হয়ে আড়ুয়াকান্দি খাল পর্যন্ত তিনটি ব্রিজ সহ রাস্তা এইচবিবি করন কাজের জামানত সহ চূড়ান্ত বিল পরিশোধের (সাত) বছর পর প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পড়ে বিলের নথিপত্র থেকে জানাযায়, দর প্রস্তাব অনুযায়ী ৮৯লাখ ৭৭ হাজার ৬ শত টাকা ৬৬ পয়সা চুক্তি সম্পাদনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর নামে বিধি মোতাবেক গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রথম ও চলতি বিল বাবদ ৫৪,০৭,২১৭ /=টাকার চেক প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ১৬/৫/২০১৭ ইং তারিখে বিধি মোতাবেক গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর অনুকূলে নিট বিল বাবদ ২১ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৭৪ টাকার চেক প্রদান করা হয় এবং ১৯/০২/২০১৮ ইং তারিখে বিধি মোতাবেক জেলা পরিষদ গোপালগঞ্জে এর নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর অনুকূলে জামানত বাবদ ৪,৫০,০০০ টাকার চেক প্রদান করে। পরে (০৭) বছর পর ওই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে ৬,৩৩,৭৪৪ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে গোপালগঞ্জের জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন সহকারী পরিচালক মোঃ সোহরাব হোসেন সোহেল বাদী হয়ে গোপালগঞ্জের জেলা পরিষদের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান (৩৯) ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর স্বত্বাধিকারী এম এম হাবিবুর রহমান (৬৮)সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্টদের নামে মামলা দায়ের করেন পরবর্তীতে গত ২২ শে জানুয়ারি, মামলা বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় কে নিয়োগ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ৩ ফেব্রুয়ারি ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ সড়ক ও জনপদ বিভাগ এর (তিনজন) প্রকৌশলী, জেলা পরিষদের প্রকৌশলী ও উক্ত কাজের ঠিকাদার এর প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে পরিমাপ গ্রহণ করেছেন। তদন্তের সময় প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করে কোন দৃশ্যমান ত্রুটি বা বিচ্যুতি সনাক্ত করা যায়নি বলে জানা যায়।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ ইয়ার আলী শেখ।

কাশিয়ানীতে ব্রিজ ও রাস্তার কাজের চূড়ান্ত বিল পরিশোধের পরেও মামলার সত্যতা পায়নি তদন্তকারী দল।

প্রকাশিত ০৯:০০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বার্ষিকী উন্নয়ন কর্মসূচি এডিবি এর আওতায় কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ব্রিজ হতে মাইজকান্দি হয়ে আড়ুয়াকান্দি খাল পর্যন্ত তিনটি ব্রিজ সহ রাস্তা এইচবিবি করন কাজের জামানত সহ চূড়ান্ত বিল পরিশোধের (সাত) বছর পর প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পড়ে বিলের নথিপত্র থেকে জানাযায়, দর প্রস্তাব অনুযায়ী ৮৯লাখ ৭৭ হাজার ৬ শত টাকা ৬৬ পয়সা চুক্তি সম্পাদনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর নামে বিধি মোতাবেক গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রথম ও চলতি বিল বাবদ ৫৪,০৭,২১৭ /=টাকার চেক প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ১৬/৫/২০১৭ ইং তারিখে বিধি মোতাবেক গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর অনুকূলে নিট বিল বাবদ ২১ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৭৪ টাকার চেক প্রদান করা হয় এবং ১৯/০২/২০১৮ ইং তারিখে বিধি মোতাবেক জেলা পরিষদ গোপালগঞ্জে এর নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের যৌথ স্বাক্ষরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর অনুকূলে জামানত বাবদ ৪,৫০,০০০ টাকার চেক প্রদান করে। পরে (০৭) বছর পর ওই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করে ৬,৩৩,৭৪৪ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে গোপালগঞ্জের জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন সহকারী পরিচালক মোঃ সোহরাব হোসেন সোহেল বাদী হয়ে গোপালগঞ্জের জেলা পরিষদের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান (৩৯) ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাবিব এন্ড কোং এর স্বত্বাধিকারী এম এম হাবিবুর রহমান (৬৮)সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্টদের নামে মামলা দায়ের করেন পরবর্তীতে গত ২২ শে জানুয়ারি, মামলা বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় কে নিয়োগ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ৩ ফেব্রুয়ারি ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ সড়ক ও জনপদ বিভাগ এর (তিনজন) প্রকৌশলী, জেলা পরিষদের প্রকৌশলী ও উক্ত কাজের ঠিকাদার এর প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে পরিমাপ গ্রহণ করেছেন। তদন্তের সময় প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করে কোন দৃশ্যমান ত্রুটি বা বিচ্যুতি সনাক্ত করা যায়নি বলে জানা যায়।