০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অস্তিত্ব সংকটে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদ

  • প্রকাশিত ১০:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
  • ২৩৬ বার দেখা হয়েছে

বহু ইতিহাস ঐতিহ্য ও লড়াই সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন “চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদ “।প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে এই সংগঠনটি সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পূজা উদযাপনে সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি সেবামূলক কার্যক্রম ও অধিকার আদায় আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় দেখা গেলে ও বর্তমানে সাংগঠনিক অন্ধ কুণ্ডলে নিমজ্জিত।মূলত কিছু স্বার্থন্বেষী সংগঠন বেপারী কারণে সংগঠনটি আজ অস্তিত্ব হীনতায় ভুগছে বলে অনেকের মতামত।

ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে জানা যায় অধিকাংশ সদস্য ও বেশ কয়েকজন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই নিয়ে খোপ প্রকাশ করলেও প্রকৃত কি কারনে?কাদের জন্য সংগঠনটি আজ অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সাধারণ সদস্যদের অভিমত বিগত সময়ের বেশ কিছু কমিটি কয়েকজন স্বার্থন্বেষী ব্যক্তির অনৈতিক হস্তক্ষেপে সাংগঠনিক বিধি মোতাবেক না হইয়ে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মতানৈক্য সৃষ্টির ফলে সংগঠনটি কয়েক ভাবে বিভক্তি হয়ে পড়ে।

ফলশ্রুতিতে সংগঠনের সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়ে পড়ে ও বিভিন্ন রুটিন কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়তার থাকার ফলে আস্তা ও আকর্ষণ বিহীন জনবিচ্ছিন্ন সংগঠনে পরিণত হয়।এভাবে ধীরে ধীরে জুলুস হারিয়ে গণমানুষে আস্তার সংগঠনটি আজ এই বেহাল দশাই পরিণত হয়। তবে সকলের প্রত্যাশা একটাই সংগঠনটি গণমানুষের ভালোবাসা ও নির্ভরতার সংগঠন এই সংগঠনটি আবার নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে হারানো গৌরব ফিরে পাবে। তারা আরো প্রত্যাশা করে সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা নিজ দায়িত্বে সাংগঠনিক বিধি মোতাবে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করে সংগঠনকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবে। এতে করে সকল সাধারণ সদস্য ও সর্বসাধারণের খোপ থেকে দায়িত্বশীলেরা মুক্তি পাবে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

অস্তিত্ব সংকটে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদ

প্রকাশিত ১০:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

বহু ইতিহাস ঐতিহ্য ও লড়াই সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন “চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পূজা পরিষদ “।প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে এই সংগঠনটি সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পূজা উদযাপনে সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি সেবামূলক কার্যক্রম ও অধিকার আদায় আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকায় দেখা গেলে ও বর্তমানে সাংগঠনিক অন্ধ কুণ্ডলে নিমজ্জিত।মূলত কিছু স্বার্থন্বেষী সংগঠন বেপারী কারণে সংগঠনটি আজ অস্তিত্ব হীনতায় ভুগছে বলে অনেকের মতামত।

ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে জানা যায় অধিকাংশ সদস্য ও বেশ কয়েকজন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই নিয়ে খোপ প্রকাশ করলেও প্রকৃত কি কারনে?কাদের জন্য সংগঠনটি আজ অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সাধারণ সদস্যদের অভিমত বিগত সময়ের বেশ কিছু কমিটি কয়েকজন স্বার্থন্বেষী ব্যক্তির অনৈতিক হস্তক্ষেপে সাংগঠনিক বিধি মোতাবেক না হইয়ে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মতানৈক্য সৃষ্টির ফলে সংগঠনটি কয়েক ভাবে বিভক্তি হয়ে পড়ে।

ফলশ্রুতিতে সংগঠনের সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়ে পড়ে ও বিভিন্ন রুটিন কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়তার থাকার ফলে আস্তা ও আকর্ষণ বিহীন জনবিচ্ছিন্ন সংগঠনে পরিণত হয়।এভাবে ধীরে ধীরে জুলুস হারিয়ে গণমানুষে আস্তার সংগঠনটি আজ এই বেহাল দশাই পরিণত হয়। তবে সকলের প্রত্যাশা একটাই সংগঠনটি গণমানুষের ভালোবাসা ও নির্ভরতার সংগঠন এই সংগঠনটি আবার নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে হারানো গৌরব ফিরে পাবে। তারা আরো প্রত্যাশা করে সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা নিজ দায়িত্বে সাংগঠনিক বিধি মোতাবে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করে সংগঠনকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করবে। এতে করে সকল সাধারণ সদস্য ও সর্বসাধারণের খোপ থেকে দায়িত্বশীলেরা মুক্তি পাবে।