১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর : নজর রাখছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র

  • প্রকাশিত ১০:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
  • ২৪০ বার দেখা হয়েছে

রাজু আলীম: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পরপরই এবার আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার চীন সফর নিয়ে। আগামী ৮ থেকে ১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দিনের চীন সফরে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর দ্বিপক্ষীয় এ সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কমপক্ষে ১০টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে চীনের ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও ঢাকা সফর করছেন। গত সোমবার (২৪ জুন) তার সাথে বৈঠক করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, ৮ থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সম্ভাবনা বেশি।

এই সফরে যুগান্তকারী বাণিজ্য চুক্তি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও প্রায় ৭০০ কোটি ডলার সমপরিমাণের একটি ঋণ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে। আলোচনা চলছে আরও বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়েও। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে নজর রাখছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রও।

গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে অনুষ্ঠিত ভারত সফরের উপর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত এবং চীনের সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মৌলনীতিরই অংশ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির মূল বিষয় ছিল সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়। আর তিনি সেই নীতি অনুসরণ করে চলেছেন।

তিনি এটাও বলেন যে, ভারতের সঙ্গে চীনের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক এটি ওই দুই দেশের বিষয়, এটি বাংলাদেশের বিষয় নয়। কাজেই বাংলাদেশ চীন এবং ভারতের সঙ্গে সমান্তরালভাবে স্বাভাবিক সম্পর্ক রেখে চলবে।

সুতরাং ভারতের সঙ্গে চীনের খারাপ সম্পর্কের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। এই সফরের বিভিন্ন চুক্তি এবং সম্পর্কের উপরও নজর রাখবে।

Tag :

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তারাগঞ্জে সাংবাদিকে হুমকি দিলেন আবু সাঈদ হত্যামামলার আসামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর : নজর রাখছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত ১০:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

রাজু আলীম: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের পরপরই এবার আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার চীন সফর নিয়ে। আগামী ৮ থেকে ১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দিনের চীন সফরে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর দ্বিপক্ষীয় এ সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কমপক্ষে ১০টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে চীনের ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও ঢাকা সফর করছেন। গত সোমবার (২৪ জুন) তার সাথে বৈঠক করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, ৮ থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সম্ভাবনা বেশি।

এই সফরে যুগান্তকারী বাণিজ্য চুক্তি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও প্রায় ৭০০ কোটি ডলার সমপরিমাণের একটি ঋণ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে। আলোচনা চলছে আরও বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়েও। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে নজর রাখছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রও।

গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে অনুষ্ঠিত ভারত সফরের উপর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভারত এবং চীনের সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মৌলনীতিরই অংশ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির মূল বিষয় ছিল সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়। আর তিনি সেই নীতি অনুসরণ করে চলেছেন।

তিনি এটাও বলেন যে, ভারতের সঙ্গে চীনের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক এটি ওই দুই দেশের বিষয়, এটি বাংলাদেশের বিষয় নয়। কাজেই বাংলাদেশ চীন এবং ভারতের সঙ্গে সমান্তরালভাবে স্বাভাবিক সম্পর্ক রেখে চলবে।

সুতরাং ভারতের সঙ্গে চীনের খারাপ সম্পর্কের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। এই সফরের বিভিন্ন চুক্তি এবং সম্পর্কের উপরও নজর রাখবে।