০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছাঃ

সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি; বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত

  • প্রকাশিত ০৯:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে

 

ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত করা হয়েছে। সুন্দরবনের দুইটি বিভাগ, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ ও সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগ। সম্প্রতি সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড ও ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবন বিভাগ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক, কাশিয়াবাদ ও বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশন এলাকায় হরিণ শিকারীচক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই হরিণ শিকার হচ্ছে। অনেক জায়গায় হরিণের মাংস উদ্ধার হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিরা সুন্দরবনে হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ঈদের আগে ও পরে সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয়ে গোপনে রাতের আধারে দেদারসে হরিণের মাংস বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া যায়।এ সকল কারণে সুন্দরবন বিভাগ রেড অ্যালার্ট জারিসহ বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) রানা দেব বলেন, ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের ধরতে সুন্দরবনের সব টহল ফাঁড়ি, ষ্টেশনের বন কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের বিশেষ নজরদারী চালাতে বলা হয়েছে। বনরক্ষীরা তাদের টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে।

খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেএম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে বনরক্ষীদের ছুটি। বিশেষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ছুটি দেওয়া হবে না। ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর চোরাশিকারি চক্র মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে একটি চক্র বনে আগুন ধরায়। এদের প্রতিরোধে বনরক্ষীদের বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

৩৬ টি শীর্ষ শুন্য পদ এখন ও খালি এলজিইডি তে স্থবিরতা

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছাঃ

সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি; বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত

প্রকাশিত ০৯:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

 

ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত করা হয়েছে। সুন্দরবনের দুইটি বিভাগ, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ ও সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগ। সম্প্রতি সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড ও ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের হরিণ শিকার প্রতিরোধে সুন্দরবন বিভাগ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের কোবাদক, কাশিয়াবাদ ও বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশন এলাকায় হরিণ শিকারীচক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই হরিণ শিকার হচ্ছে। অনেক জায়গায় হরিণের মাংস উদ্ধার হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিরা সুন্দরবনে হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ঈদের আগে ও পরে সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয়ে গোপনে রাতের আধারে দেদারসে হরিণের মাংস বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া যায়।এ সকল কারণে সুন্দরবন বিভাগ রেড অ্যালার্ট জারিসহ বনরক্ষীদের ছুটি সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) রানা দেব বলেন, ঈদকে সামনে রেখে চোরাশিকারিদের ধরতে সুন্দরবনের সব টহল ফাঁড়ি, ষ্টেশনের বন কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের বিশেষ নজরদারী চালাতে বলা হয়েছে। বনরক্ষীরা তাদের টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে।

খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এজেএম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে বনরক্ষীদের ছুটি। বিশেষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ছুটি দেওয়া হবে না। ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছর চোরাশিকারি চক্র মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে একটি চক্র বনে আগুন ধরায়। এদের প্রতিরোধে বনরক্ষীদের বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।