০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শেখ মোঃ আকরাম হোসেন খোকসা কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২ এএসআই হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার

  • প্রকাশিত ১২:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুলিশের ২ এএসআই হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার (১০ মার্চ) বিকেলে কয়া ইউনিয়নের বেড়কালোয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
দুই এসআই হত্যা প্রধান আসামী ইয়ারুল (৪০) উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মৃত বদর উদ্দিন শেখের ছেলে!

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পুলিশ হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামী ইয়ারুলকে আটক করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান।

প্রসঙ্গত- ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চরসাদিপুর ইউনিয়নে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটকের জন্য কুমারখালী থানার এস আই নজরুল, এএসআই মিলন ও এএসআই সদরুল সহ সঙ্গীয় পুলিশ নৌকাযোগে পদ্মানদী পার হবার সময় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারীরা পুলিশের নৌকায় হামলা চালায়। এসময় এএসআই মিলন ও এএসআই সদরুল নদীতে নিখোঁজ হন এবং এসআই নজরুল সহ সঙ্গীয় পুলিশ আহত অবস্থায় পাড়ে উঠতে সক্ষম হন। ঘটনার পরেরদিন দুই এএসআই এর মরদেহ পদ্মা থেকে উদ্ধার করা হয়। সেসময় ইয়ারুলকে প্রধান আসামী করে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়!

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

শেখ মোঃ আকরাম হোসেন খোকসা কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২ এএসআই হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার

প্রকাশিত ১২:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুলিশের ২ এএসআই হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার (১০ মার্চ) বিকেলে কয়া ইউনিয়নের বেড়কালোয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
দুই এসআই হত্যা প্রধান আসামী ইয়ারুল (৪০) উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মৃত বদর উদ্দিন শেখের ছেলে!

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ জানান, পুলিশ হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামী ইয়ারুলকে আটক করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান।

প্রসঙ্গত- ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে চরসাদিপুর ইউনিয়নে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আটকের জন্য কুমারখালী থানার এস আই নজরুল, এএসআই মিলন ও এএসআই সদরুল সহ সঙ্গীয় পুলিশ নৌকাযোগে পদ্মানদী পার হবার সময় অবৈধভাবে ইলিশ শিকারীরা পুলিশের নৌকায় হামলা চালায়। এসময় এএসআই মিলন ও এএসআই সদরুল নদীতে নিখোঁজ হন এবং এসআই নজরুল সহ সঙ্গীয় পুলিশ আহত অবস্থায় পাড়ে উঠতে সক্ষম হন। ঘটনার পরেরদিন দুই এএসআই এর মরদেহ পদ্মা থেকে উদ্ধার করা হয়। সেসময় ইয়ারুলকে প্রধান আসামী করে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়!