সময় পেরিয়ে যায় নদীর জলের মতো;
অম্বু শুকিয়ে গেলে নদী মরুর রূপ পায়
লগি-বইঠাও ছিলো’না হাতে, মনের জোরে চলেছে নৌকা——-
হাত বাড়াইলে সদৃশ্য বালুচর অজানা গন্তব্য!
পা ছিলো মাটির উপর বিশ্বাস হয়না গত্যন্তর
আশেপাশে ভালো মানুষের বসত।
আকাশের নীল দিগন্ত মাথার উপর।
সৃষ্টির মাঝে অফুরন্ত সুভাষ——
এই বসুন্ধরায় বৈচিত্র্যের অবারিত লীলা!
আমার মনে বয়ে যেতো ভাবের বিশাল সিন্ধু…
যাহা ভাবছি বলতে পারিনা কোথায় কে আপন?
প্রশ্ন জাগে কারে বলি, কে-বা তাহা শোনে।
মনেই মজেছে মনের সকল ভাবালুতা।
হাঁটতে চলতে ম’নে হতো আমি মহৎ রাজা
ভিক্ষা নেয়া নয়! দেয়াই উত্তম চিন্তা——-
সময়ে বহিছে ব্যাপক কালের খরা,কেটে গেছে যৌবনের পাদপ্রদীপ।
আকাশের তারা মিটিমিটি আলো ছড়ায়——-
একবিন্দু সাধ জাগেনি নির্লিপ্ত বাসনা!
ধার নিতে যায়নি চাঁদের কোমল ভালোবাসা।
লোভ ছিলনা, না কোনো স্বার্থপরতা।
চাঁদ বলে তার জোছনা বুকে জড়িয়ে নিতে?
গা-ভাসাইনি শূন্যের ভিতর পূণ্য খুঁজে যায়…
অগত্যা ভীষণ নিন্দার ঝড়ে অন্দর বিদীর্ণ করে!
গগনে মেঘ জমে,বৃষ্টি নামে,একটু পরেই উজ্জ্বল;
#উৎসর্গঃ-আমার মরহুম মমতাময়ী “মা”