০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সিনিয়ার রিপোর্টার :

অপহৃত বিশ্বজিৎ বিশ্বাস ২৪ ঘন্টা পর উদ্ধার

  • প্রকাশিত ০৬:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

 

সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শ্রীপুর­ হাসান কলোনির বাসা থেকে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে অপহরণের ২৪ ঘন্টা পর উদ্ধার করলো আশুলিয়া থানা পুলিশ।স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযানটি পরিচালনা করেন এসআই সাইফুল। অপহরণকৃত বিশ্বজিৎ বলেন তাকে ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টায় তার বাসা স্থানীয় কাওসার মোল্লার নেতৃত্বে লিয়নের সহযোগিতায় তাকে বাসা থেকে তুলে নেয়া হয়। এবং খান কলোনির একটা রুমে নিয়ে তাকে আটকে রাখে। বিশ্বজিতের ভাষ্যমতে তার এলাকার একজন কাকা অধির বিশ্বাসের মাধ্যমে তিনি ৩ বছর আগে ওখানে গিয়ে একটি ১২ তলা ভবনের ম্যানেজারিতে চাকরি নেন।পরবর্তিতে চাকরি ছেড়ে নিজেই একটি ছোটোখাটো দোকান দেন এবং তা দিয়েই স্ত্রীপুত্র নিয়ে সংসার চালাতেন। হঠাৎ করে অধির একদিন লাপাত্তা হয়।এবং স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা গেলো অধীর ওখানে ১৮/১৯ বছর যাবৎ মেডিসিনের ব্যবসা করে। এবং ফ্লাট বাড়ির মালিক হয়েছে।তার সাথে কাওছার মোল্লার বাপ আওয়ামীলীগ নেতা গেদু রাজের হরিহর সম্পর্ক।তাই স্থানীয় লোকজন অধীরকে সমীহ করতো।অনেকের কাছ থেকে টাকাপয়সা ধারদেনা করেছে। এমনকি কাওছার মোল্লাও অধীরের কাছে ছয় লাখ টাকা পাবে।এমন পরিস্থিতিতে অধীর বিশ্বাস পালালে তার (অধীর)এলাকার ভাতিজা সম্পর্কীয় বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে কাওসার মোল্লা তার ম্যানেজার লিয়নের সহযোগিতার বাসা থেকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং অধীরের কাছে পাওনা টাকা তাকে( বিশ্বজিৎ)কে পরিশোধ করতে বলে। টাকা না দিলে বিশ্বজিৎকে হত্যার হুমকি দেয়।অপহরণের সময় বিশ্বজিতের কাছে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ১ টি মোবাইলফোন,দোকানের চাবি,এবং বাসা থাকে তার স্ত্রীর ১ ভরি ওজনের স্বর্নালংকার নিয়ে যায়।ধারনা করা হচ্ছে বিশ্বজিৎ যেহেতু হিন্দু মানুষ তাই এই অপহরনের দায় বিএনপির মাথায় চাপানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করতে পারে

বিশ্বজিতের তথ্য মতে তার বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার বরাকোঠা গ্রামে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

সিনিয়ার রিপোর্টার :

অপহৃত বিশ্বজিৎ বিশ্বাস ২৪ ঘন্টা পর উদ্ধার

প্রকাশিত ০৬:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শ্রীপুর­ হাসান কলোনির বাসা থেকে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে অপহরণের ২৪ ঘন্টা পর উদ্ধার করলো আশুলিয়া থানা পুলিশ।স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযানটি পরিচালনা করেন এসআই সাইফুল। অপহরণকৃত বিশ্বজিৎ বলেন তাকে ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টায় তার বাসা স্থানীয় কাওসার মোল্লার নেতৃত্বে লিয়নের সহযোগিতায় তাকে বাসা থেকে তুলে নেয়া হয়। এবং খান কলোনির একটা রুমে নিয়ে তাকে আটকে রাখে। বিশ্বজিতের ভাষ্যমতে তার এলাকার একজন কাকা অধির বিশ্বাসের মাধ্যমে তিনি ৩ বছর আগে ওখানে গিয়ে একটি ১২ তলা ভবনের ম্যানেজারিতে চাকরি নেন।পরবর্তিতে চাকরি ছেড়ে নিজেই একটি ছোটোখাটো দোকান দেন এবং তা দিয়েই স্ত্রীপুত্র নিয়ে সংসার চালাতেন। হঠাৎ করে অধির একদিন লাপাত্তা হয়।এবং স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা গেলো অধীর ওখানে ১৮/১৯ বছর যাবৎ মেডিসিনের ব্যবসা করে। এবং ফ্লাট বাড়ির মালিক হয়েছে।তার সাথে কাওছার মোল্লার বাপ আওয়ামীলীগ নেতা গেদু রাজের হরিহর সম্পর্ক।তাই স্থানীয় লোকজন অধীরকে সমীহ করতো।অনেকের কাছ থেকে টাকাপয়সা ধারদেনা করেছে। এমনকি কাওছার মোল্লাও অধীরের কাছে ছয় লাখ টাকা পাবে।এমন পরিস্থিতিতে অধীর বিশ্বাস পালালে তার (অধীর)এলাকার ভাতিজা সম্পর্কীয় বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে কাওসার মোল্লা তার ম্যানেজার লিয়নের সহযোগিতার বাসা থেকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে এবং অধীরের কাছে পাওনা টাকা তাকে( বিশ্বজিৎ)কে পরিশোধ করতে বলে। টাকা না দিলে বিশ্বজিৎকে হত্যার হুমকি দেয়।অপহরণের সময় বিশ্বজিতের কাছে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ১ টি মোবাইলফোন,দোকানের চাবি,এবং বাসা থাকে তার স্ত্রীর ১ ভরি ওজনের স্বর্নালংকার নিয়ে যায়।ধারনা করা হচ্ছে বিশ্বজিৎ যেহেতু হিন্দু মানুষ তাই এই অপহরনের দায় বিএনপির মাথায় চাপানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করতে পারে

বিশ্বজিতের তথ্য মতে তার বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার বরাকোঠা গ্রামে।