১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মোঃ কয়েছ আহম্মেদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নবীনগরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাজ না করে এল, জি, এস,পি ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৪:৪১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৪১৭ বার দেখা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার লাউরফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত এল,জি,এস,পি এ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুনির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পের কাজ সম্পুর্ন না করে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নামে এল,জি,এস,পির বরাদ্দকৃত প্রকল্প গুলো হচ্ছে ১/আহমদপুর বিলে আবু তাহের মোল্লার খাটের পাশে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ২/ আহম্মদপুর মিস্ত্রি পাড়া সংলগ্ন খালে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ৩/ আবু ইসলাম মিয়া বাড়ির পাশের খালে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ও মাটি ভরাট। ৪/ হাজিপুর আনিস মিয়ার বাড়ির পাশে পাইপ কালবার্ট নির্মাণ ৫/ আহমদপুর উত্তরপাড়া ব্রিজ হইতে আলিম চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মাণ ৬/ হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা আত্মসাৎ ৭/ ডিজিটাল নাম্বার প্লেট দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ ৮/ অটো রিক্সা ( ইজি বাইক) লাইসেন্স দেওয়ার নামে আত্মসাৎ ৯/ টি আর কাবিখা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ১০/ ডাঃ শাহ আলম কমিনিটি ক্লিনিক এর পাশে গার্ড ওয়ালের অনিয়মের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবর ৫ জানুয়ারি ২০২৪ ইংরেজি ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন মিয়া ও ৫ নং ওয়ার্ড বি এন পির সভাপতি নাজিমুদ্দিন।

জানাযায়, উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও সমাজসেবা কর্মকর্তা সমন্বয় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাহার প্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার উক্ত প্রকল্পের সরজমিনে যান তদন্ত কমিটি।

এই অভিযোগের সূত্রধরে সরজমিন প্রকল্প গুলোর অবস্থা পরিদর্শন ও এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যায়ে আহমদপুর বিলে যে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ হউয়ার কথাছিল সরজমিনে গিয়ে তার কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তদন্ত অফিসার চেয়ারম্যান কে অতি দ্রুত কাজ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আহমদপুর মেস্তরী পাড়া সংলগ্ন প্রকল্পের সিডুলের সাথে কাজের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। আবু ইসলাম মিয়ার বাড়ির পার্শে পাইব কালভার্ট ১৫ ফুট ও পাইবের দু পাশে সি সি ডালাই দেওয়ার কথা থাকলে ও ১২ ফুট ৬ ইঞ্চি পাইব পাওয়া যায় ও দু পাশে সি সি ডালাই পাউয়া যায়নি। হাজিপুর আনিছ মিয়ার বাড়ীর পাশে ১৫ ফুট পাইব কালভার্ট ও দু পাশে সি সি ডালাই দেওয়ার কথা থাকলে ও বাস্তবে১২ ফুট ৬ ইঞ্চি পাইব কালভার্ট পাওয়া যায় সি সি ডালাইয়ের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আহম্মদপুর উচাব্রীজ হইতে আলীম চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের তিন বার বাজেট হলে ও তেমন কিছু সংস্কার দেখাযায় নি। আহম্মদপুর ডাঃ শাহ আলম কমিনিটি ক্লিনিকে গার্ড ওয়াল ৭৬ ফুট হউয়ার কথা থাকলে ও সরজমিনে ৫২ ফুট গার্ড ওয়াল পাওয়া যায়। এবং হোল্ডিং ট্যাক্স এর মানি রিসিট নিয়ে উপজেলা অফিসে যাওয়ার জন্য চেয়ারম্যানকে বলে যান।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানতে চাইলে উনি বলেন নির্বাচন চলাকালিন সময় থেকে আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্য বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে অতিতেও করেছিল তারা ব্যর্থ হয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমি নির্দোষ প্রমাণিত হবো।

অভিযোগকারি মােহাম্মদ মামুন মিয়া বলেন,,,,আশা করি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে সত্য উৎগাটন হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন বলেন,,, তদন্তের আংশিক সত্যতা পেয়েছি চেয়ারম্যান সাহেবকে বলেছি যে অতি বৃষ্টির কারনে যে সকল স্থান থেকে মাঠি গুলো সরে গিয়েছে পুনরায় কাজগুলো করে দেওয়ার জন্য। এবং হাজিপুর আনিছ মিয়ার বাড়ির পাশে পাইব কালভার্টি তে আরু দুটি পাইব দিয়ে চওড়া করার জন্য বলা হয়েছে বর্ষা মৌসুমে কৃষকের যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য চেয়ারম্যান নিজ অর্থায়নে করে দিবে বলেছে।

Tag :
জনপ্রিয়

বাহারছড়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে জুলুস অনুষ্ঠিত

মোঃ কয়েছ আহম্মেদ বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নবীনগরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাজ না করে এল, জি, এস,পি ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ

প্রকাশিত ০৪:৪১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার লাউরফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত এল,জি,এস,পি এ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুনির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পের কাজ সম্পুর্ন না করে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নামে এল,জি,এস,পির বরাদ্দকৃত প্রকল্প গুলো হচ্ছে ১/আহমদপুর বিলে আবু তাহের মোল্লার খাটের পাশে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ২/ আহম্মদপুর মিস্ত্রি পাড়া সংলগ্ন খালে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ৩/ আবু ইসলাম মিয়া বাড়ির পাশের খালে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ ও মাটি ভরাট। ৪/ হাজিপুর আনিস মিয়ার বাড়ির পাশে পাইপ কালবার্ট নির্মাণ ৫/ আহমদপুর উত্তরপাড়া ব্রিজ হইতে আলিম চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মাণ ৬/ হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা আত্মসাৎ ৭/ ডিজিটাল নাম্বার প্লেট দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ ৮/ অটো রিক্সা ( ইজি বাইক) লাইসেন্স দেওয়ার নামে আত্মসাৎ ৯/ টি আর কাবিখা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ১০/ ডাঃ শাহ আলম কমিনিটি ক্লিনিক এর পাশে গার্ড ওয়ালের অনিয়মের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবর ৫ জানুয়ারি ২০২৪ ইংরেজি ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন মিয়া ও ৫ নং ওয়ার্ড বি এন পির সভাপতি নাজিমুদ্দিন।

জানাযায়, উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও সমাজসেবা কর্মকর্তা সমন্বয় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাহার প্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার উক্ত প্রকল্পের সরজমিনে যান তদন্ত কমিটি।

এই অভিযোগের সূত্রধরে সরজমিন প্রকল্প গুলোর অবস্থা পরিদর্শন ও এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যায়ে আহমদপুর বিলে যে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ হউয়ার কথাছিল সরজমিনে গিয়ে তার কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তদন্ত অফিসার চেয়ারম্যান কে অতি দ্রুত কাজ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আহমদপুর মেস্তরী পাড়া সংলগ্ন প্রকল্পের সিডুলের সাথে কাজের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। আবু ইসলাম মিয়ার বাড়ির পার্শে পাইব কালভার্ট ১৫ ফুট ও পাইবের দু পাশে সি সি ডালাই দেওয়ার কথা থাকলে ও ১২ ফুট ৬ ইঞ্চি পাইব পাওয়া যায় ও দু পাশে সি সি ডালাই পাউয়া যায়নি। হাজিপুর আনিছ মিয়ার বাড়ীর পাশে ১৫ ফুট পাইব কালভার্ট ও দু পাশে সি সি ডালাই দেওয়ার কথা থাকলে ও বাস্তবে১২ ফুট ৬ ইঞ্চি পাইব কালভার্ট পাওয়া যায় সি সি ডালাইয়ের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আহম্মদপুর উচাব্রীজ হইতে আলীম চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের তিন বার বাজেট হলে ও তেমন কিছু সংস্কার দেখাযায় নি। আহম্মদপুর ডাঃ শাহ আলম কমিনিটি ক্লিনিকে গার্ড ওয়াল ৭৬ ফুট হউয়ার কথা থাকলে ও সরজমিনে ৫২ ফুট গার্ড ওয়াল পাওয়া যায়। এবং হোল্ডিং ট্যাক্স এর মানি রিসিট নিয়ে উপজেলা অফিসে যাওয়ার জন্য চেয়ারম্যানকে বলে যান।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানতে চাইলে উনি বলেন নির্বাচন চলাকালিন সময় থেকে আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্য বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে অতিতেও করেছিল তারা ব্যর্থ হয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমি নির্দোষ প্রমাণিত হবো।

অভিযোগকারি মােহাম্মদ মামুন মিয়া বলেন,,,,আশা করি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে সত্য উৎগাটন হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন বলেন,,, তদন্তের আংশিক সত্যতা পেয়েছি চেয়ারম্যান সাহেবকে বলেছি যে অতি বৃষ্টির কারনে যে সকল স্থান থেকে মাঠি গুলো সরে গিয়েছে পুনরায় কাজগুলো করে দেওয়ার জন্য। এবং হাজিপুর আনিছ মিয়ার বাড়ির পাশে পাইব কালভার্টি তে আরু দুটি পাইব দিয়ে চওড়া করার জন্য বলা হয়েছে বর্ষা মৌসুমে কৃষকের যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য চেয়ারম্যান নিজ অর্থায়নে করে দিবে বলেছে।