জাফরান আকন্দ: রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গুলশান ট্রাফিক জোনের যানজট নিরসন ও সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার (এডিসি) জিয়াউর রহমান। তার নেতৃত্বে কূটনৈতিক এলাকা গুলশান বনানী ধীরে ধীরে একটি শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সুসংগঠিত ট্রাফিক ব্যবস্থার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে।
ট্রাফিক গুলশান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গুলশান, বাড্ডা, মহাখালী কুড়িল এলাকা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং যানজটপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এডিসি জিয়াউর রহমান এই সমস্যা সমাধানে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, রিকশা ও গাড়ির জন্য অবৈধ পার্কিং রোধে এবং মূল সড়কে/সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিটি করপোরেশনের অনুমোদনবিহীন রিকশা চলাচল মুক্ত রাখার ক্ষেত্রেও কার্যকরী আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে যার ফলে গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী, বাড্ডা এলাকার যানজট পরিস্থিতির দারুন উন্নতি সাধিত হয়েছে।
এডিসি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে গুলশান এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সড়কের প্রতিটি কোণায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনলাইনে ট্রাফিক জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের হয়রানি কমিয়েছে।
জিয়াউর রহমান শুধু আইন প্রয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং সাধারণ মানুষকে ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করেছেন। স্কুল, কলেজ, ও কর্পোরেট অফিসে ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতামূলক সেমিনার এবং প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এডিসি জিয়াউর রহমান নিয়মিত ফিল্ড পর্যায়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় একজন জনপ্রিয় উদ্যমি সেবা দানকারী কর্মকর্তা হিসেবে তুলে ধরেছে।
গুলশান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় তার নিরলস প্রচেষ্টা জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। অনেকেই এখন ট্রাফিক পুলিশের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন, যা আগে বিরল ছিল।
এডিসি জিয়াউর রহমানের এই প্রচেষ্টা শুধু গুলশান নয়, বরং গোটা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার নেতৃত্বে গুলশান এলাকা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং যানজটমুক্ত হয়ে উঠবে—এটি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।