০৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হুমায়ূন মুজিব :

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আনছার আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৪:২৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে এই আনছার আলী কোটি
কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক,
দূর্নীতি দমন কমিশনে (দূদকে) রয়েছে বিস্তর অভিযোগ
হুমায়ূন মুজিব : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনছার আলী যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন, ঘুষ বাণিজ্যের চারণ ভূমি তেরী করেছেন মন্ত্রণালয়কে। কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেয়া সহ অবৈধ উপায়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী দিপু মনির একান্ত কাছের লোক হিসেবে পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাবেক সেক্রেটারী বর্তমানের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা-১ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এ,ও) হিসেবে কাজ করছেন মোঃ আনছার আলী।
দূর্নীতি দমন কমিশন -দূদকে ইতিমধ্যে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আনছার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ফাইল আটকিয়ে টাকা কামানো তার অন্যতম কাজ। বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তার গোপন লেনদেন রয়েছে। বিশেষ করে ঝামেলাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়কে টার্গেট করে সে ঘুষ বাণিজ্য করে। নিজ এখতিয়ারের বাইরে যেয়ে অন্যদের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রবণতাও প্রবল। ডেস্কে কাজ না করে বিভিন্ন শাখায় ঘুরাফেরা করা,রাজনীতি করা আর বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চক্রান্তে নানারকম ফন্দি ফিকির ও গোপন মিটিং করে বেড়ায়।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের কাছের লোক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন কর্মকর্তা টু শব্দ করতে পারেনি সেই সময়। এমনকি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল কর্মকর্তা ডেপুটি সেক্রেটারী পর্যন্ত তার সাথে পেরে ওঠেনি। সবাই তাকে সমীহ করে চলত। নিজ ডেস্কের কাজ ফাঁকি দিয়ে তদ্বির করাই ছিল তার মূল কাজ। আর উপরের দিকে চ্যানেল মেন্টেন করতে সে ছিল সিদ্ধহস্ত। কারন তার এলাকার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির সাথে ছিল ঘনিষ্ট যোগাযোগ। রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে সবসময় ভালো শাখায় পোস্টিং নেয়া এবং ঘুষ বাণিজ্য করা তার অন্যতম পেশা। তার ব্যাংকে রয়েছে অঢেল টাকা এবং ঢাকা শহরে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট এছাড়া ব্যাংকে রয়েছে বড় অংকের এফডিআর।
ইতিমধ্যে দূদকে তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও আর্থিক অনিয়মের কারনে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, এ বিষয়ে দূদক ও বিশেষ গোয়েন্দা মারফত তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে তার আসল চেহারা। এই অসৎ.দূর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর কি করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মতো গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করে এটা অনেকের প্রশ্ন।
আনছার আলীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি দূদকে একটি অভিযোগ জমা পড়েছে এবং এ বিষয়ে দ্রুতই তদন্ত করার জন্য বিভাগীয় সিন্ধান্ত নেয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

খুলনায় গ্যাস সরবরাহের দাবিতে খুলনা নাগরিক সমাজের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

হুমায়ূন মুজিব :

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আনছার আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রকাশিত ০৪:২৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে এই আনছার আলী কোটি
কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক,
দূর্নীতি দমন কমিশনে (দূদকে) রয়েছে বিস্তর অভিযোগ
হুমায়ূন মুজিব : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনছার আলী যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়েছেন, ঘুষ বাণিজ্যের চারণ ভূমি তেরী করেছেন মন্ত্রণালয়কে। কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেয়া সহ অবৈধ উপায়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী দিপু মনির একান্ত কাছের লোক হিসেবে পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাবেক সেক্রেটারী বর্তমানের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা-১ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এ,ও) হিসেবে কাজ করছেন মোঃ আনছার আলী।
দূর্নীতি দমন কমিশন -দূদকে ইতিমধ্যে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আনছার আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ফাইল আটকিয়ে টাকা কামানো তার অন্যতম কাজ। বেশকিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তার গোপন লেনদেন রয়েছে। বিশেষ করে ঝামেলাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়কে টার্গেট করে সে ঘুষ বাণিজ্য করে। নিজ এখতিয়ারের বাইরে যেয়ে অন্যদের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রবণতাও প্রবল। ডেস্কে কাজ না করে বিভিন্ন শাখায় ঘুরাফেরা করা,রাজনীতি করা আর বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চক্রান্তে নানারকম ফন্দি ফিকির ও গোপন মিটিং করে বেড়ায়।
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের কাছের লোক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন কর্মকর্তা টু শব্দ করতে পারেনি সেই সময়। এমনকি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল কর্মকর্তা ডেপুটি সেক্রেটারী পর্যন্ত তার সাথে পেরে ওঠেনি। সবাই তাকে সমীহ করে চলত। নিজ ডেস্কের কাজ ফাঁকি দিয়ে তদ্বির করাই ছিল তার মূল কাজ। আর উপরের দিকে চ্যানেল মেন্টেন করতে সে ছিল সিদ্ধহস্ত। কারন তার এলাকার সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির সাথে ছিল ঘনিষ্ট যোগাযোগ। রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে সবসময় ভালো শাখায় পোস্টিং নেয়া এবং ঘুষ বাণিজ্য করা তার অন্যতম পেশা। তার ব্যাংকে রয়েছে অঢেল টাকা এবং ঢাকা শহরে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট এছাড়া ব্যাংকে রয়েছে বড় অংকের এফডিআর।
ইতিমধ্যে দূদকে তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও আর্থিক অনিয়মের কারনে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, এ বিষয়ে দূদক ও বিশেষ গোয়েন্দা মারফত তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে তার আসল চেহারা। এই অসৎ.দূর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর কি করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মতো গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় দায়িত্ব পালন করে এটা অনেকের প্রশ্ন।
আনছার আলীর বিরুদ্ধে সম্প্রতি দূদকে একটি অভিযোগ জমা পড়েছে এবং এ বিষয়ে দ্রুতই তদন্ত করার জন্য বিভাগীয় সিন্ধান্ত নেয়া হবে।