১০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সাইফুর মিনা, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:

খুলনা বিভাগের আমন চাষিরা বাম্পার ফসল ঘরে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে

  • প্রকাশিত ১১:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ১৪৩ বার দেখা হয়েছে
  1. সাইফুর মিনা: খুলনা বিভাগের দশটি জেলার চাষিরা বাম্পার ফলনের আমন ধান ঘরে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে । সংস্কার করছে ধান কাটার যন্ত্র কাচি। নতুন ধান ঘরে তোলার জন্য বসত বাড়িতে ও মাঠে চলছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ। ২/১ সপ্তাহের মধ্যে সব জায়গাতে ধান কাটা শুরু হবে। বর্ষা ঋতুতে এ বছর বর্ষা বেশি হওয়ায় ফসলের মাঠে সবুজের সোনালী ধানের হাসি যেন কৃষকদের মনে আনন্দ বয়ে আনছে। তবে দুর্যোগের মধ্য দিয়েও এবছর মাঠে বাম্পার ফলন ফলেছে। সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আমন আবাদ করেছিলেন তারা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা আশানূরুপ উৎপাদিত ফসল পাবে।

বিভাগীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ১৬০ হাজার ৩২৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছিলো। যার ৬০৫০ মেঃ টন ধান উৎপাদনের টার্গেট রয়েছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলার ফসলের মাঠে সোনালি ধানের সমারোহ। রোদ আর হিমেল বাতাসে ফসলের মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন ধানের শীষ। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ, সবুজ বর্ণ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করার অপেক্ষায়। আর মাত্র ক’দিনের মধ্যেই কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হবে। কৃষকরা কাচি সংস্কার করছে। বাড়ি ও মাঠের উঠানে ধান তোলার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছে।

বিভাগীয় কৃষি অফিস প্রণোদনার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ সংগ্রহ করে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে। সুষম সার প্রয়োগ, উন্নত জাতের আবাদ সর্বপরি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মতৎপরতায় আমনে প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও লক্ষ্যমাত্রার অধিক ফলন পাওয়া যাবে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

সাইফুর মিনা, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:

খুলনা বিভাগের আমন চাষিরা বাম্পার ফসল ঘরে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে

প্রকাশিত ১১:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  1. সাইফুর মিনা: খুলনা বিভাগের দশটি জেলার চাষিরা বাম্পার ফলনের আমন ধান ঘরে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে । সংস্কার করছে ধান কাটার যন্ত্র কাচি। নতুন ধান ঘরে তোলার জন্য বসত বাড়িতে ও মাঠে চলছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ। ২/১ সপ্তাহের মধ্যে সব জায়গাতে ধান কাটা শুরু হবে। বর্ষা ঋতুতে এ বছর বর্ষা বেশি হওয়ায় ফসলের মাঠে সবুজের সোনালী ধানের হাসি যেন কৃষকদের মনে আনন্দ বয়ে আনছে। তবে দুর্যোগের মধ্য দিয়েও এবছর মাঠে বাম্পার ফলন ফলেছে। সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আমন আবাদ করেছিলেন তারা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা আশানূরুপ উৎপাদিত ফসল পাবে।

বিভাগীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ১৬০ হাজার ৩২৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছিলো। যার ৬০৫০ মেঃ টন ধান উৎপাদনের টার্গেট রয়েছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলার ফসলের মাঠে সোনালি ধানের সমারোহ। রোদ আর হিমেল বাতাসে ফসলের মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন ধানের শীষ। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ, সবুজ বর্ণ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করার অপেক্ষায়। আর মাত্র ক’দিনের মধ্যেই কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হবে। কৃষকরা কাচি সংস্কার করছে। বাড়ি ও মাঠের উঠানে ধান তোলার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছে।

বিভাগীয় কৃষি অফিস প্রণোদনার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ সংগ্রহ করে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে। সুষম সার প্রয়োগ, উন্নত জাতের আবাদ সর্বপরি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মতৎপরতায় আমনে প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও লক্ষ্যমাত্রার অধিক ফলন পাওয়া যাবে।