গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি গভীর নলকূপ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গোলযোগ। আগামীতে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাঁঠালবাড়ী কৃষক সমবায় সমিতি ১৯৮২/৮৩ সালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির মাধ্যমে লোনে একটি গভীর নলকূপ উক্ত সমিতি গ্রহণ করে। গভীর নলকূপটির সেচ কাজ পরিচালনার জন্য অত্র সমিতির রেজুলেশন মূলে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেওয়া হয় ।
উক্ত গভীর নলকূপটি পরিচালনার জন্য ৭ সদস্য মধ্যে থেকে সমিতির ম্যানেজার মোঃ খলিলুর রহমানকে নলকূপটি পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর সমিতির তোয়াক্কা না করে এককভাবে স্বেচ্ছাচারীতার মাধ্যমে পরিচালনা করতে থাকে এবং বিগত ১৭ বছর পরিচালনা করে সেচ থেকে পাওয়া অর্থ, সমিতির সদস্যগণকে কোন হিসাব পাতি না দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন সমিতির সদস্য বৃন্দ।
এমত অবস্থায় ম্যানেজার খলিলুর রহমান সম্প্রতি মারা যাওয়ার কারণে তার আত্মীয়-স্বজন ভোগ দখল করা কালে গত ৫ আগস্ট/২০২৪ ইং ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলে সমিতির সদস্য মোঃ ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে সম্প্রতি গভীর নলকূপের পানি তোলা মটর ও ডেলিভারি পাইপ খুলে নিয়ে যাওয়ার পর অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অপরদিকে ম্যানেজার খলিলুর রহমানের পক্ষের লোকজন রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সংযোগের ট্রান্সফরমার খুলে নিয়ে যায়।
বর্তমানে এলাকার সচেতন মহল ও সুধীজন আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, এ অচল অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় গভীর নলকূপ নিয়ে উভয়ের পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে এবং সেচ কাজ ব্যাহত হবে।