০১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পল্লবী সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার জসিম ও রাজিবের দুর্নীতির শেষ কোথায়

  • প্রকাশিত ০৯:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪
  • ৪৯১ বার দেখা হয়েছে

তানজিম ইসলাম: ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে একাধিকবার পল্লবী অফিস থেকে অন্যত্র অফিসে বদলি হলেও। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এই দুই উমেদার ঘুরে ফিরে একই অফিসে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে যা দেখার কেউ নেই । নানাবিদ দুর্নীতির মাধ্যমে পল্লবী অফিসে গড়ে তুলেছেন উমেদা সিন্ডিকেট। উমেদার পদে কাজ করা এই দুই ব্যক্তি সব অপকর্ম করে থাকেন অবলীলায়। দলিলের পাতা পরিবর্তন, দাগ ও খতিয়ান পরিবর্তন, ভলিউম ছেঁড়া, ঘুষ আদায়, জমির শ্রেণী পরিবর্তন, এবং দলিল দেখার কাজ এদের না হলে তারা ক্ষমতা প্রভাব দেখিয়ে এই কাজটিও করে থাকেন। অনুসন্ধানে গেলে নাম না বলা এক দলিল লেখক বলে থাকেন দলিল করতে আসা দাতা-গ্রহিতাদের অনেক হেস্ত নেস্ত করে থাকেন। তাদের দুইজনের ভয়ে কেউ ততস্ত নরেন না সকল দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

বর্তমান সরকার যেখানে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সেখানে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ৬০ টাকা বেতনের প্রভাবশালী ওমেদা জসিম, রাজীব ও তাদের ভয়ংকর সিন্ডিকেট। আর সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে প্রতি বছরে কোটি কোটি টাকা। অথচ উমেদার সরকার অনুমোদিত বৈধ কোনো পদ নয়।
দৈনিক ৬০ টাকা মাসে ১৮০০ টাকার কর্মী হয়েও নামে বেনামে গড়েছেন আরো সম্পদের পাহাড়। দামি হাইয়েস মাইক্রোবাস, সাভার মসুরি খোলা এলাকায় ১৫/২০ শতাংশ জমি রয়েছে জসিমের। ময়মনসিংহ, ভালুকা রয়েছে গরুর খামার। সৌদি আরবের রয়েছে ব্যবসায়ী পাটনার।
শুধু পল্লবী অফিস নয়, তার ভয়ংকর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করেন মিরপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস। মিরপুর ও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম জসিমে গং।
জানা যায়, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘুষ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন প্রশাসনের ভয়ে। তখন ঘুষ নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় দৈনিক ৬০ টাকা বেতনের উমেদারদের। এখন পর্যন্ত এই সুযোগটাই কাজে লাগান উমেদার সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলার রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলে ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি।
প্রশ্ন এখন এখানে দৈনিক ৬০ টাকা হাজিরারর বেতনের কাজ করে কিভাবে গড়ে তুলল এত অবৈধ সম্পর্ক যার সম্পূর্ণরূপে দুদকের চোখের আড়ালে

Tag :

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তারাগঞ্জে সাংবাদিকে হুমকি দিলেন আবু সাঈদ হত্যামামলার আসামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

পল্লবী সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের উমেদার জসিম ও রাজিবের দুর্নীতির শেষ কোথায়

প্রকাশিত ০৯:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০২৪

তানজিম ইসলাম: ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে একাধিকবার পল্লবী অফিস থেকে অন্যত্র অফিসে বদলি হলেও। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এই দুই উমেদার ঘুরে ফিরে একই অফিসে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছে যা দেখার কেউ নেই । নানাবিদ দুর্নীতির মাধ্যমে পল্লবী অফিসে গড়ে তুলেছেন উমেদা সিন্ডিকেট। উমেদার পদে কাজ করা এই দুই ব্যক্তি সব অপকর্ম করে থাকেন অবলীলায়। দলিলের পাতা পরিবর্তন, দাগ ও খতিয়ান পরিবর্তন, ভলিউম ছেঁড়া, ঘুষ আদায়, জমির শ্রেণী পরিবর্তন, এবং দলিল দেখার কাজ এদের না হলে তারা ক্ষমতা প্রভাব দেখিয়ে এই কাজটিও করে থাকেন। অনুসন্ধানে গেলে নাম না বলা এক দলিল লেখক বলে থাকেন দলিল করতে আসা দাতা-গ্রহিতাদের অনেক হেস্ত নেস্ত করে থাকেন। তাদের দুইজনের ভয়ে কেউ ততস্ত নরেন না সকল দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

বর্তমান সরকার যেখানে দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সেখানে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ৬০ টাকা বেতনের প্রভাবশালী ওমেদা জসিম, রাজীব ও তাদের ভয়ংকর সিন্ডিকেট। আর সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে প্রতি বছরে কোটি কোটি টাকা। অথচ উমেদার সরকার অনুমোদিত বৈধ কোনো পদ নয়।
দৈনিক ৬০ টাকা মাসে ১৮০০ টাকার কর্মী হয়েও নামে বেনামে গড়েছেন আরো সম্পদের পাহাড়। দামি হাইয়েস মাইক্রোবাস, সাভার মসুরি খোলা এলাকায় ১৫/২০ শতাংশ জমি রয়েছে জসিমের। ময়মনসিংহ, ভালুকা রয়েছে গরুর খামার। সৌদি আরবের রয়েছে ব্যবসায়ী পাটনার।
শুধু পল্লবী অফিস নয়, তার ভয়ংকর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করেন মিরপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস। মিরপুর ও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম জসিমে গং।
জানা যায়, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘুষ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন প্রশাসনের ভয়ে। তখন ঘুষ নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় দৈনিক ৬০ টাকা বেতনের উমেদারদের। এখন পর্যন্ত এই সুযোগটাই কাজে লাগান উমেদার সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলার রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলে ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি।
প্রশ্ন এখন এখানে দৈনিক ৬০ টাকা হাজিরারর বেতনের কাজ করে কিভাবে গড়ে তুলল এত অবৈধ সম্পর্ক যার সম্পূর্ণরূপে দুদকের চোখের আড়ালে