১১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সিকু চাকমা

আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় শিমরাইলে মান্নান প্রধানগংদের বাড়িতে হামলা বাউন্ডারীদেওয়াল ও গেট ভাংচুরের অভিযোগ।

  • প্রকাশিত ০৪:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে
সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে একটি বাড়ির সীমানা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ সিনিয়র ২য় সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা বিচারাধীন (নং ৫০৭/২০২২) থাকা অবস্থায় বাদীরা জোরপূর্বক  সন্ত্রাসী কায়দায় মামলার বিবাদী আব্দুল মান্নান প্রধানগংদের বাড়িতে গভীর রাতে হামলা চালিয়ে বাড়ির সীমানা দেওয়াল ও গেট ভাংচুর করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গভীর রাতে তাজুল ও হান্নানগংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভাংচুর ও তান্ডবলীলা চালানোর কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। গত ১২ আগস্ট  শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে শিমরাইল এলাকার মৃত আব্দুল লতিফ প্রধানের ছেলে আব্দুল মান্নান প্রধান ও তার ভাই মোঃ শাহাদাৎ হোসেন রিপনগংদের বাড়িঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে। একই এলাকারমৃত জাবেদ আলী ওরফে আবেদ মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার, মোঃ আব্দুল হান্নান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ শামীম, আব্দুল করিম, খোরশেদা বেগম, হাসনা বেগম, মোসাঃ অ,লেয়া বেগম, রোকেয়া বেগম মৃত ছালামের ছেলে মোঃ নুরুননবী, মোঃ হারুন অর রশিদ, নুর মোহাম্মাদ, মোঃ শুভ মোসাঃ সাজেদা বেগমসহ ভাড়াটে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জন সম্মিলিতভাবে মান্নান প্রধানের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে বাড়িতে হামলা চালায় এবং বাড়ির সীমানা দেওয়াল ও গেট ভাংচুর করতে থাকে। এ সময় আতংকিত হয়ে পড়ে মান্নান প্রধানের পরিবারবর্গ ও ভাড়াটিয়ারা। মান্নান প্রধান মসজিদের ইমামকে ফোন করে জানায় যো তার বাড়িতে ডাকাতরা হামলা করেছে। এলাকাবাসী ছুটে এলে তাজুল গংদের দেখতে পায় এবং তাজুলের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার বাদী হওয়া সত্বেও তাজুল ইসলামগং সংঘবদ্ধ হয়ে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি নিয়ে মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদীপক্ষের বাড়িঘরে গভীররাতে হামলা ভাংচুর করে বাড়ির সীমানা দেওয়াল ভাংচুর করে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে মামলার বাদী আব্দুল হানানগং বলেন, আমরা  ভাড়াটে লোকজন নিয়ে মান্নান প্রধানের বাড়িঘরে হামলা চালাইনি, রোববার ভোরে শুধুমাত্র চলাচলের রাস্তার জন্য সীমানা দেওয়াল ভেঙ্গে দিয়েছি। তারা আরও বলেন, আমরা উক্ত দাগে জমি পাওনা রয়েছি এবং আদালতে মামলা চলছে বলেও স্বীকার করেন হান্নানগং। আদালতে বিচারাধীণ থাকা অবস্থায় মান্নান প্রধানগংদের বাড়ির দেওয়াল ভাংচুর করে  তাজুল হান্নানগং বড় অপরাধ করেছেন বলে এলাকাবাসীরা জানায়। তারা আরও অভিযোগ করেন আদালতে মামলা দায়ের করে কিভাবে তারাই আবার আইন হাতে তুলে নিলেন তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয় বলে স্থানীয়রা তাজুল ও হান্নানগংদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।ভুক্তভোগী মামলার বিবাদীপক্ষের  মান্নান প্রধান বলেন, আমাদের জমিতে আমরা অনেক দিন আগেই বাউন্ডারী দেওয়াল নির্মাণ করেছি এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরউদ্দিন মিয়া অবগত রয়েছেন ।  আব্দুল মান্নান প্রধান  জানায়, তাজুল ইসলাম গংদের সাথে আমাদের যে বিরোধ ছিল তা নাসিক ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরউত্তিন মিয়া স্থানীয়গন্যমান্য লোকজন নিয়ে  আমাদের উভয়পক্ষের কথা শুনে  অনেকদিন পূর্বে বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাদীপক্ষ হঠাৎ জোরপূর্বক আমাদের বাড়িঘরে হামলা করে দেওয়াল ভাংচুর করে আমাদের বাড়িঘর ও  জমি জবর দখল করে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে আব্দুল মান্নান প্রধান ও মোঃ শাহদাত হোসেন রিপন অভিযোগ করেন। তারা আরও বলেন আমরা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
Tag :
জনপ্রিয়

খুলনায় গ্যাস সরবরাহের দাবিতে খুলনা নাগরিক সমাজের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিকু চাকমা

আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় শিমরাইলে মান্নান প্রধানগংদের বাড়িতে হামলা বাউন্ডারীদেওয়াল ও গেট ভাংচুরের অভিযোগ।

প্রকাশিত ০৪:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪
সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে একটি বাড়ির সীমানা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ সিনিয়র ২য় সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা বিচারাধীন (নং ৫০৭/২০২২) থাকা অবস্থায় বাদীরা জোরপূর্বক  সন্ত্রাসী কায়দায় মামলার বিবাদী আব্দুল মান্নান প্রধানগংদের বাড়িতে গভীর রাতে হামলা চালিয়ে বাড়ির সীমানা দেওয়াল ও গেট ভাংচুর করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গভীর রাতে তাজুল ও হান্নানগংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভাংচুর ও তান্ডবলীলা চালানোর কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। গত ১২ আগস্ট  শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে শিমরাইল এলাকার মৃত আব্দুল লতিফ প্রধানের ছেলে আব্দুল মান্নান প্রধান ও তার ভাই মোঃ শাহাদাৎ হোসেন রিপনগংদের বাড়িঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে। একই এলাকারমৃত জাবেদ আলী ওরফে আবেদ মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার, মোঃ আব্দুল হান্নান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ শামীম, আব্দুল করিম, খোরশেদা বেগম, হাসনা বেগম, মোসাঃ অ,লেয়া বেগম, রোকেয়া বেগম মৃত ছালামের ছেলে মোঃ নুরুননবী, মোঃ হারুন অর রশিদ, নুর মোহাম্মাদ, মোঃ শুভ মোসাঃ সাজেদা বেগমসহ ভাড়াটে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জন সম্মিলিতভাবে মান্নান প্রধানের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে বাড়িতে হামলা চালায় এবং বাড়ির সীমানা দেওয়াল ও গেট ভাংচুর করতে থাকে। এ সময় আতংকিত হয়ে পড়ে মান্নান প্রধানের পরিবারবর্গ ও ভাড়াটিয়ারা। মান্নান প্রধান মসজিদের ইমামকে ফোন করে জানায় যো তার বাড়িতে ডাকাতরা হামলা করেছে। এলাকাবাসী ছুটে এলে তাজুল গংদের দেখতে পায় এবং তাজুলের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার বাদী হওয়া সত্বেও তাজুল ইসলামগং সংঘবদ্ধ হয়ে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি নিয়ে মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদীপক্ষের বাড়িঘরে গভীররাতে হামলা ভাংচুর করে বাড়ির সীমানা দেওয়াল ভাংচুর করে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে মামলার বাদী আব্দুল হানানগং বলেন, আমরা  ভাড়াটে লোকজন নিয়ে মান্নান প্রধানের বাড়িঘরে হামলা চালাইনি, রোববার ভোরে শুধুমাত্র চলাচলের রাস্তার জন্য সীমানা দেওয়াল ভেঙ্গে দিয়েছি। তারা আরও বলেন, আমরা উক্ত দাগে জমি পাওনা রয়েছি এবং আদালতে মামলা চলছে বলেও স্বীকার করেন হান্নানগং। আদালতে বিচারাধীণ থাকা অবস্থায় মান্নান প্রধানগংদের বাড়ির দেওয়াল ভাংচুর করে  তাজুল হান্নানগং বড় অপরাধ করেছেন বলে এলাকাবাসীরা জানায়। তারা আরও অভিযোগ করেন আদালতে মামলা দায়ের করে কিভাবে তারাই আবার আইন হাতে তুলে নিলেন তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয় বলে স্থানীয়রা তাজুল ও হান্নানগংদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।ভুক্তভোগী মামলার বিবাদীপক্ষের  মান্নান প্রধান বলেন, আমাদের জমিতে আমরা অনেক দিন আগেই বাউন্ডারী দেওয়াল নির্মাণ করেছি এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরউদ্দিন মিয়া অবগত রয়েছেন ।  আব্দুল মান্নান প্রধান  জানায়, তাজুল ইসলাম গংদের সাথে আমাদের যে বিরোধ ছিল তা নাসিক ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরউত্তিন মিয়া স্থানীয়গন্যমান্য লোকজন নিয়ে  আমাদের উভয়পক্ষের কথা শুনে  অনেকদিন পূর্বে বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাদীপক্ষ হঠাৎ জোরপূর্বক আমাদের বাড়িঘরে হামলা করে দেওয়াল ভাংচুর করে আমাদের বাড়িঘর ও  জমি জবর দখল করে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে আব্দুল মান্নান প্রধান ও মোঃ শাহদাত হোসেন রিপন অভিযোগ করেন। তারা আরও বলেন আমরা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।