০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে কৃষি কর্মকর্তাকে শারিরিক হেনস্তার মামলায় ১ জন গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত ০৪:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৯১ বার দেখা হয়েছে

শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীকে শারিরিক হেনস্তার মামলায় ফজলুর রহমান (২৫) নামে এক আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে নকলা থানা ও শেরপুর ডিবি পুলিশের একটি দল ডিএমপি’র আদাবর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফজলুকে গ্রেপ্তার করে। ফজলু নকলা উপজেলার ধুকুরিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ফজলু ছাত্রদলের একজন কর্মী বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ফজলুকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য গত ৫ নভেম্বর বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীর অফিসকক্ষে যান উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাহাত হাসান কাইয়ুম (৩৫)। ওইসময় বাহিরে অপেক্ষা করছিলেন ছাত্রদলকর্মী ফজলুর রহমান (২৫)। কাইয়ুম কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীর কাছে কৃষি প্রণোদনা বিএনপির কোন কোন নেতাকে দেওয়া হয়েছে জানতে চান এবং ছাত্রদলের ভাগ তাঁকে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কৃষি কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক বিষয়টি মোবাইল ফোনে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমানকে জানালে কাইয়ুম আরও ক্ষিপ্ত হন এবং কথা বলার এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে কৃষি কর্মকর্তার গালে থাপ্পর মারেন। পরে কাইয়ুম কৃষি কর্মকর্তাকে টেনেহিঁচড়ে অফিসকক্ষের বাহিরে নিয়ে কাইয়ুম ও ফজলু মিলে মারধর করতে থাকলে আশপাশের লোকজন গিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন।

বিষয়টি নিয়ে ওইদিন কৃষি কর্মকর্তা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাহাত হাসান কাইয়ুম ও সদস্য ফজলুকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে। এরপর থেকে আত্মগোপনে চলে যায় কাইয়ুম ও ফজলু। পরদিন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কাইয়ুমকে দলীয় পদপদবী ও সাধারণ সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করে।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া মামলার আসামি ফজলুর রহমানকে ডিএমপি’র আদাবর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি রাহাত হাসান কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারে সাড়াশি অভিযান চলছে।

Tag :
জনপ্রিয়

মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশুকে অপহরণের পরে হত্যা, রায়ে আসামীর ফাঁসি:

শেরপুরে কৃষি কর্মকর্তাকে শারিরিক হেনস্তার মামলায় ১ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত ০৪:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীকে শারিরিক হেনস্তার মামলায় ফজলুর রহমান (২৫) নামে এক আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে নকলা থানা ও শেরপুর ডিবি পুলিশের একটি দল ডিএমপি’র আদাবর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফজলুকে গ্রেপ্তার করে। ফজলু নকলা উপজেলার ধুকুরিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ফজলু ছাত্রদলের একজন কর্মী বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ফজলুকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য গত ৫ নভেম্বর বেলা আনুমানিক আড়াইটার দিকে নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীর অফিসকক্ষে যান উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাহাত হাসান কাইয়ুম (৩৫)। ওইসময় বাহিরে অপেক্ষা করছিলেন ছাত্রদলকর্মী ফজলুর রহমান (২৫)। কাইয়ুম কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসালিন মেহেদীর কাছে কৃষি প্রণোদনা বিএনপির কোন কোন নেতাকে দেওয়া হয়েছে জানতে চান এবং ছাত্রদলের ভাগ তাঁকে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কৃষি কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক বিষয়টি মোবাইল ফোনে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমানকে জানালে কাইয়ুম আরও ক্ষিপ্ত হন এবং কথা বলার এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে কৃষি কর্মকর্তার গালে থাপ্পর মারেন। পরে কাইয়ুম কৃষি কর্মকর্তাকে টেনেহিঁচড়ে অফিসকক্ষের বাহিরে নিয়ে কাইয়ুম ও ফজলু মিলে মারধর করতে থাকলে আশপাশের লোকজন গিয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে উদ্ধার করেন।

বিষয়টি নিয়ে ওইদিন কৃষি কর্মকর্তা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাহাত হাসান কাইয়ুম ও সদস্য ফজলুকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে। এরপর থেকে আত্মগোপনে চলে যায় কাইয়ুম ও ফজলু। পরদিন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কাইয়ুমকে দলীয় পদপদবী ও সাধারণ সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করে।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া মামলার আসামি ফজলুর রহমানকে ডিএমপি’র আদাবর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি রাহাত হাসান কাইয়ুমকে গ্রেপ্তারে সাড়াশি অভিযান চলছে।