বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১৯৪৯ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি ব্যবসা, বাণিজ্য ও রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
ব্যবসা-বাণিজ্যে অবদান
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম চেয়ারম্যান।
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি।
দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি।
রাজনৈতিক জীবন
১৯৯১ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে একাধিকবার চট্টগ্রাম থেকে এমপি হন।
২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং দলের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
সাংবাদিকবান্ধব চিন্তা ও উদ্যোগ
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন।
তিনি বিশ্বাস করেন, গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ—যেখানে সৎ সাংবাদিকতা জাতিকে সত্য পথ দেখায়।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ ও স্বাধীন মতপ্রকাশের বিষয়ে সরব থেকেছেন।
সংবাদপত্র ও টেলিভিশন গণমাধ্যমে স্বাধীনতা বজায় রাখতে তিনি সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন।
তাঁর মতে, সাংবাদিকদের মূল্যায়ন ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন সম্ভব নয়।
সারসংক্ষেপ
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুধু একজন রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ী নন, তিনি একজন সাংবাদিকবান্ধব চিন্তাশীল ব্যক্তিত্ব, যিনি দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের পাশাপাশি সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছেন।