বড় ভাই মোশারফ হোসেন এর হাতে নির্মম নির্যাতনে বোন মমতাজ বেগম হাসপাতালে
নিজস্ব প্রতিবেদক। পৈত্রিক সম্পত্তির মাঝ বরাবর গেইট নির্মান করে যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটানোকে কেন্দ্র করে বাধা দেয়ায় সুইডেন প্রবাসী বড় ভাই। মোশারফ হোসেন খান রিপন (৫৫), পিতা- মোয়াজ্জেম হোসেন খান, এর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে ছোট বোন মমতাজ বেগম (৫০) জরতর আহত হয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ দক্ষিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোছাঃ মমতাজ বেগম। আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ আসামীকে ধরছে না।বাদীনি মমতাজ বেগম এই প্রতিবেদককে জানান তার বড় ভাই মোশারফ হোসেন খান রিপন (৫৫), পিতা- মোয়াজ্জেম হোসেন খান, একজন নিষ্ঠুর স্বার্থপর মানুষ। সে স্ব-পরিবারে সুইডেন প্রবাসী। কয়েক দিনের জন্য বাংলাদেশে এসে বোনদের ওপর নির্যাতন করে। মূলতঃ জালিয়াতির মাধ্যমে মায়ের কাছ থেকে পাওয়ার নেয়ার নাম ধরে জাল দলিল করে নেয় বসতবাড়ীরবাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। অসহার মা ঐ জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন আছে, ইতোমধ্যে বাবা-মা দু’জনেই মারা গেছেন। মারা যাওয়ার পূর্বে বড় মেয়ে মমতাজ এর কাছেই থাকতেন। ঘটনার প্রতিবাদ করায় দু’ভাই বোনের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই আছে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রায় পাল্টাপাল্ট ৪০টি মামলা হয়েছে। মোশারফ হোসেন খান রিপনের করা ৩৪টি মামলাই হয়রানীমূলক। মমতাজ নিজের আত্মরক্ষার্থে ৪টি মামলা করেছেন ভাই এর বিরুদ্ধে। গত ৮ই ফেব্রুয়ারী এজমালী সম্পত্তির মাঝ বরাবর একটি গেট নির্মান করে বোনদের যাতায়াতের পথ বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে বিরোধীতা করায় বোন মমতাজ কে ৫/৬ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে হামলা করায় গুরুতর আহত অবস্থায় মিটফোর্ড হাসপাতালে মমতাজ ভর্তি হন। পরের দিন ০৯ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২৫ তারিখে মমতাজ বেগম কেরানীগঞ্জ দক্ষিন থানায় একটি মামলা করেন। অথচ কোন অজ্ঞাত কারনে পুলিশ আসামীদেরকে ধরছেনা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোশারফ হোসেন খান রিপন (৫৫) অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ তার কাছে ঘেঁসেনা।
ভুক্তভোগী মমতাজের দাবী প্রশাসন এই নিষ্ঠুর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক এবং তার সম্পদ-সম্পত্তি রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা বিধান করুন। উল্লেখ রিপন সুইডেন চলে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসীকে ভাড়া করে রেখে যায়, তারাই সবসময় মমতাজকে উত্ত্যক্ত বিরক্ত করে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তার বাড়ীর ভাড়াটিয়াদের ভয় দেখিয়ে চলে যেতে বাধ্য করে। ফলে মমতাজ সবসময় ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটায়। পুলিশকে জানালেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয় না উল্টো উপহাস করে। গতকাল আসামী মোশারফ হোসেন খান রিপন কোর্ট থেকে অগ্রীম জামিন নিয়েছেন। তারা সকলেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা উত্তরপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। উল্লেখ্য যে, মামলায় অন্যান্য যারা আসামী তারা হলেন- মিজারুন রহমান রুবেল, পিতা-মৃত আব্দুর রহমান, মেঃ হারুন অর রশিদ, পিা- আদম আলী, মোঃ আব্দুর রহিম, পিতা-মৃত আব্দুল লতিফ।