০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
স্টাফ রিপোর্টার :

সোনারগাওয়ে ডাকাত হাবু গংদের দৌরাত্ম্যে এলাকাবাসী আতঙ্কিত, অত্যাচারিত, ঘরবাড়ি ছাড়া , অপরাধ দমনে পুলিশি ভূমিকা নিষ্ক্রিয়

  • প্রকাশিত ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ২০ বার দেখা হয়েছে

সোনারগাঁয়ে ডাকাত হাবু গংদের দৌড়াত্বে সাধারণ ও নিরীহ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আওয়ামী লীগের দোসর হাবু সেকাল আর একালে একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ সংগঠিত করে, চুরি, ডাকাতি,ছিনতাই দখলবাজি , চাঁদাবাজি , মাদক ব্যবসা, মানব পাচার, হোটেলে পতিতা ব্যবসা, এ সকল অপকর্মের সহযোগী সেকাল আর একালের রাজনৈতিক নেতা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর
দায়িত্ব অবহেলা, অপরাধী হাবুর থেকে মাসে মাসে মাসোয়ারা নেওয়া পুলিশি নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় সাধারণ মানুষ অপরাধীদের কাছে অসহায়। বর্তমানে বারোদি ইউনিয়নের হাবুর অত্যাচারে সংগঠিত অপরাধের শিকার একটি ভুক্তভোগী পরিবারের বর্ণনায় যা উঠে আসলো।

মৃত শুকুর আলীর ছেলে ডালিম তার পাওনা টাকা চাইতে যেয়ে ডাকাত হাবু গং কর্তৃক মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডাকাত হাবু ও তার সহোদর, ছত্রছায়ায় থাকা মৃত আদু মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ গংদের বিরুদ্ধে । জানা যায় , সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়ন মান্দের পাড়া গ্রামের মৃত আদু মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ প্রতারণার ফাঁদ পেতে কৌশলগতভাবে তিন মাস পূর্বে মৃত শুকুর আলীর ছেলে ডালিমের নিকট হইতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ধার নেয় । যথা সময়ে পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ায় ১৯ আগস্ট ২০২৫ ইং ডালিম তার ধার দেওয়া টাকা চাইতে গেলে প্রতারক ও বিভিন্ন অপকর্মের মূল হোতা ডাকাত হাবুর দলের সদস্য নূর মোহাম্মদ দেশিও অস্ত্র দিয়ে তাহার উপরে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হামলা করে বসে। ধার নেওয়া টাকা না দেয়ার জন্য পূর্বে ডাকাত হাবু তার দলের সদস্যদের পরিকল্পনা অনুযায়ী মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে ডালিমকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। এমত অবস্থায় ডালিমের ডাক চিৎকারে তার স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করে নূর মোহাম্মদ ও তার সাথে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা । এতে ডাকাত হাবুর সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা হামলার শিকার হয়ে মারাত্মকভাবে আহত হয় ডালিম, শালিম, আব্দুল হাই ও জয়নাল । ডাকাত হাবুর প্রাণনাশের হুমকি থেকে বাদ পড়েনি মৃত শুকুর আলীর বাকি চার ছেলেও। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল ছালেক বলেন সোনারগাও থানায় অভিযোগ দিলেও এ ঘটনার সমাধানে থানা পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন । এতে করে আমরা হাবু ডাকাতের প্রাণ্ণাশের হুমকিতে ঘর বাড়ি ছাড়া হয়ে ভয়ে ও আতঙ্কে দিনাতিপাত করছি। তিনি আরো বলেন হাবু ডাকাত তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদেরকে মারধর করেও ক্ষ্যান্ত হননি, তারা লুটপাট করে আমাদের প্রায়ই ১০ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এখন আমরা অসহায় । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ন্যায় বিচারের দাবি জানান আবু ডাকাত দলের হামলার শিকার আব্দুল মালেক ও তার পরিবার ও আহত হওয়া স্বজনরা। এলাকা ঘুরে হাবু সম্পর্কে জানা যায়, জঙ্গি /সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে থেকে সোনারগাঁও বারদী ইউনিয়নের মান্দের পাড়া গ্রামের এই হাবু একজন চিহ্নিত অস্ত্রধারী, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক কার বাড়ি এবং সব অপকর্মের প্রধান হতা। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনে আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে নির্বিচার ছাত্র জনতার উপরে গুলি চালিয়ে বহু ছাত্র জনতাকে হত্যা করে ডাকাত ও সন্ত্রাসী হাবু।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন অপরাধের কারণে তার নামে বিভিন্ন থানায় মামলা থাকলেও সে রয়েছে পুলিশি ধরাছোঁয়ার বাহিরে। তারই ধারাবাহিকতায় এখনো এলাকায় অপরাধ সাম্রাজ্য ঘরে তুলেছেন হাবু তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে। এখনো সোনারগায়ের কতিপয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছেন, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও সন্ত্রাসী হাবুর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ থানায় রয়েছে অনেক মামলা। গত প্রায় দের দশক ধরে নিজস্ব বলয়ের অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী নিয়ে বারদী ইউনিয়ন তথা সোনারগাঁও এবং বাহিরের বিভিন্ন এলাকায় তার বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে অনেকটা প্রকাশ্যে মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে নিরীহ মানুষদের ঘরবাড়ি লুটপাট জমি দখল ও বাড়ি দখল করার চেষ্টায় নিরীহ লোকদের ঘর ছাড়া করার নিয়োজীত এই হাবু করে থাকেন। তবে তার সহযোগিতা রয়েছে বিএনপি নেতা ও ঘুষখোর কিছু পুলিশ সদস্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী বলেন, ইয়াবা, হেরোইন, আইস, ফেনসিডিল, ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকের চোরাকারবারি করে যাচ্ছেন তিনি। এক সময় আওয়ামী লীগের সেল্টারে থাকা হাবু ও তার বাহিনী এখন স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছায়াতলে। বিভিন্ন অবৈধ কাজের নিয়ন্ত্রণ করে হাবু গত কয়েক বছরে শূন্য থেকে আঙ্গুল খুলে কলাগাছ নয়, পরিণত হয়েছে বটগাছে। এই হাবুর আতঙ্কে এখন এলাকাবাসী অসহায়, পুলিশ প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে রয়েছে। এলাকাবাসী বলেন পুলিশি নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় এলাকায় রাম রাজত্ব ঘরে তোলেছে যতসব অপকর্মে অর্থ উপার্জনকারী ডাকাত হাবু। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী জোরদাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রত্যাশা করেন যে, হাবুকে আইনের আওতায় এনে এলাকাবাসীকে শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাবুর সকল অপরাধের প্রতিকার করতে হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

তারেক রহমান যেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারে, সে জন্য ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টার :

সোনারগাওয়ে ডাকাত হাবু গংদের দৌরাত্ম্যে এলাকাবাসী আতঙ্কিত, অত্যাচারিত, ঘরবাড়ি ছাড়া , অপরাধ দমনে পুলিশি ভূমিকা নিষ্ক্রিয়

প্রকাশিত ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সোনারগাঁয়ে ডাকাত হাবু গংদের দৌড়াত্বে সাধারণ ও নিরীহ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আওয়ামী লীগের দোসর হাবু সেকাল আর একালে একই ধারাবাহিকতায় অপরাধ সংগঠিত করে, চুরি, ডাকাতি,ছিনতাই দখলবাজি , চাঁদাবাজি , মাদক ব্যবসা, মানব পাচার, হোটেলে পতিতা ব্যবসা, এ সকল অপকর্মের সহযোগী সেকাল আর একালের রাজনৈতিক নেতা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর
দায়িত্ব অবহেলা, অপরাধী হাবুর থেকে মাসে মাসে মাসোয়ারা নেওয়া পুলিশি নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় সাধারণ মানুষ অপরাধীদের কাছে অসহায়। বর্তমানে বারোদি ইউনিয়নের হাবুর অত্যাচারে সংগঠিত অপরাধের শিকার একটি ভুক্তভোগী পরিবারের বর্ণনায় যা উঠে আসলো।

মৃত শুকুর আলীর ছেলে ডালিম তার পাওনা টাকা চাইতে যেয়ে ডাকাত হাবু গং কর্তৃক মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডাকাত হাবু ও তার সহোদর, ছত্রছায়ায় থাকা মৃত আদু মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ গংদের বিরুদ্ধে । জানা যায় , সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়ন মান্দের পাড়া গ্রামের মৃত আদু মিয়ার ছেলে নূর মোহাম্মদ প্রতারণার ফাঁদ পেতে কৌশলগতভাবে তিন মাস পূর্বে মৃত শুকুর আলীর ছেলে ডালিমের নিকট হইতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ধার নেয় । যথা সময়ে পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ায় ১৯ আগস্ট ২০২৫ ইং ডালিম তার ধার দেওয়া টাকা চাইতে গেলে প্রতারক ও বিভিন্ন অপকর্মের মূল হোতা ডাকাত হাবুর দলের সদস্য নূর মোহাম্মদ দেশিও অস্ত্র দিয়ে তাহার উপরে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হামলা করে বসে। ধার নেওয়া টাকা না দেয়ার জন্য পূর্বে ডাকাত হাবু তার দলের সদস্যদের পরিকল্পনা অনুযায়ী মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে ডালিমকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে। এমত অবস্থায় ডালিমের ডাক চিৎকারে তার স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করে নূর মোহাম্মদ ও তার সাথে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা । এতে ডাকাত হাবুর সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা হামলার শিকার হয়ে মারাত্মকভাবে আহত হয় ডালিম, শালিম, আব্দুল হাই ও জয়নাল । ডাকাত হাবুর প্রাণনাশের হুমকি থেকে বাদ পড়েনি মৃত শুকুর আলীর বাকি চার ছেলেও। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল ছালেক বলেন সোনারগাও থানায় অভিযোগ দিলেও এ ঘটনার সমাধানে থানা পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন । এতে করে আমরা হাবু ডাকাতের প্রাণ্ণাশের হুমকিতে ঘর বাড়ি ছাড়া হয়ে ভয়ে ও আতঙ্কে দিনাতিপাত করছি। তিনি আরো বলেন হাবু ডাকাত তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদেরকে মারধর করেও ক্ষ্যান্ত হননি, তারা লুটপাট করে আমাদের প্রায়ই ১০ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এখন আমরা অসহায় । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ন্যায় বিচারের দাবি জানান আবু ডাকাত দলের হামলার শিকার আব্দুল মালেক ও তার পরিবার ও আহত হওয়া স্বজনরা। এলাকা ঘুরে হাবু সম্পর্কে জানা যায়, জঙ্গি /সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে থেকে সোনারগাঁও বারদী ইউনিয়নের মান্দের পাড়া গ্রামের এই হাবু একজন চিহ্নিত অস্ত্রধারী, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক কার বাড়ি এবং সব অপকর্মের প্রধান হতা। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনে আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে নির্বিচার ছাত্র জনতার উপরে গুলি চালিয়ে বহু ছাত্র জনতাকে হত্যা করে ডাকাত ও সন্ত্রাসী হাবু।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন বিভিন্ন অপরাধের কারণে তার নামে বিভিন্ন থানায় মামলা থাকলেও সে রয়েছে পুলিশি ধরাছোঁয়ার বাহিরে। তারই ধারাবাহিকতায় এখনো এলাকায় অপরাধ সাম্রাজ্য ঘরে তুলেছেন হাবু তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে। এখনো সোনারগায়ের কতিপয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছেন, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও সন্ত্রাসী হাবুর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ থানায় রয়েছে অনেক মামলা। গত প্রায় দের দশক ধরে নিজস্ব বলয়ের অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী নিয়ে বারদী ইউনিয়ন তথা সোনারগাঁও এবং বাহিরের বিভিন্ন এলাকায় তার বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে অনেকটা প্রকাশ্যে মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে নিরীহ মানুষদের ঘরবাড়ি লুটপাট জমি দখল ও বাড়ি দখল করার চেষ্টায় নিরীহ লোকদের ঘর ছাড়া করার নিয়োজীত এই হাবু করে থাকেন। তবে তার সহযোগিতা রয়েছে বিএনপি নেতা ও ঘুষখোর কিছু পুলিশ সদস্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী বলেন, ইয়াবা, হেরোইন, আইস, ফেনসিডিল, ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকের চোরাকারবারি করে যাচ্ছেন তিনি। এক সময় আওয়ামী লীগের সেল্টারে থাকা হাবু ও তার বাহিনী এখন স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছায়াতলে। বিভিন্ন অবৈধ কাজের নিয়ন্ত্রণ করে হাবু গত কয়েক বছরে শূন্য থেকে আঙ্গুল খুলে কলাগাছ নয়, পরিণত হয়েছে বটগাছে। এই হাবুর আতঙ্কে এখন এলাকাবাসী অসহায়, পুলিশ প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে রয়েছে। এলাকাবাসী বলেন পুলিশি নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় এলাকায় রাম রাজত্ব ঘরে তোলেছে যতসব অপকর্মে অর্থ উপার্জনকারী ডাকাত হাবু। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী জোরদাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রত্যাশা করেন যে, হাবুকে আইনের আওতায় এনে এলাকাবাসীকে শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাবুর সকল অপরাধের প্রতিকার করতে হবে।