১০:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর মুহুরীনদীর বেডীবাধ ভাংগনের কয়েকটি ভাগনা পরিদর্শন করেছেন প্রগতিশীল নাগরিক ফোরাম ফেনীর নেতৃবৃন্দ।

  • প্রকাশিত ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে

২০২৪ সালের ফেনী নদীর বেডববাদ ভাঙ্গনের ফলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক অঞ্চলের ক্ষতি হয়েছে, কৃষকেরা আজ দিশেহারা,সাধারণ মানুষের আর্থিক অবস্থা ভয়াবহ। অচিরেই বেডিবাদ না বাদলে যেকোনো সময় পাহাড়িয়া ঢলে ফেনী অঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। মুহুরীর পাডে টেকশই বাধ নির্মাণ, কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা ও প্রনোধনার দাবিতে প্রগতিশীল নাগরিক ফোরাম – ফেনী আন্দোলন করছেন।
সম্প্রতি বন্যায় মুহুরীর ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শন করেছেন প্রগতিশীল নাগরিক কোরাম- ফেনীর নেতৃবৃন্দ।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে থেকে মুহুরী নদী বাংলাদেশের প্রবেশ পথ ফেনীর পরশুরাম উপজেলা নিজ কালিকা পুর গ্রাম। নিজ কালিকা বেডিবাধ মুহুরীর পূর্ব পাশে ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া শহর। সম্প্রতি আগস্ট মাসে প্রচন্ড বৃষ্টির কারণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অনেক স্থানে প্লাবিত হয়, অতিরিক্ত পানির কারণে ডংগুর বাধ
ছেড়ে দেয়ার ফলে এবং অতিবৃষ্টির কারণে বিলোনিয়া শহর প্লাবিত হলে ভারতীয়রা মুহুরীর নিজ কালিকাপুরের বেডি বাধ কেটে দিলে প্রচন্ড ব্যাগে বাংলাদেশের পানি ডিকে ফেনী সহ অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ স্মরণকালের বন্যা হয়।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে এ বেডি বাধ না বাদলে যে কোন সময় বৃষ্টি হলে পানি পরশুরাম বিস্তৃর্ণ অন্চল প্রাবিত হবে। এ বাধ বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়।ভারতের যৌথ প্রচেষ্টায় এ বাধ নির্মান করা ছাডা সম্ভব নয়।
নিজ কালিকা পুরের বেডি বাধ ভাঙগনে ফলে মির্জাপুর ইউনিযনের ৬/৭ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে মুহুরীর পশ্চিম অলকার বেডি বাধ ভেঙ্গে প্রচন্ড স্রোতে ফুলগাজী পরশুরামে ৪০-৫০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সম্প্রতি বন্যায় ফেনীর মুহুরী নদীর প্রায় ৯১ স্থানে ভাঙ্গন হয়েছে। সরজমিনে দেখা গেছে পশ্চিম অলকার এ ভাঙ্গন সবচেয়ে বড়, ভারতের ত্রিপুরার বেশিরভাগ পানি এ ভাগ্নার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফেনী অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এলাকাবাসী জানন এ ভাগনা না বাধলে যেকোনো সময় ভারতীয় পানি প্রবেশ করতে পারে। তাই এলাকাবাসী প্রচন্ড চাপে আছে, এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ, এ প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে অনেকেই এ ভাগনা দেখতে আসেন না, তারা ত্রান সামগ্রীয় খুব কম পেয়েছে। অনেকেই বাড়িঘর হারিয়ে বেডিবাধের উপর বসবাস করছে, অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাসায় অবস্থান করছেন, এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত আবুল কালাম দ্রুত এ বেরডিবাধ নির্মাণ করে এলাকাবাসীকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসক ফেনী সহ সংশ্লিষ্ট দেশ নিকট দাবি জানান।
সাড়ে তিন কিলোমিটার লম্বা মুহুরীর বেডি ভাধ সম্বলিত শ্রীচন্দ্রপুর গ্রামে ১৩ টি ভাঙ্গনের সবচেয়ে বড় ভাঙ্গন হল সেলিম মিয়া ঘাটের উত্তর পাশে জগতপুরের দক্ষিণ পাশে উত্তর শ্রীপুরের ভাঙ্গন। এ ভাঙ্গনের সংস্কার কাজ চলছে, ভাঙ্গন স্থলে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করছে ঠিকাদারারা, এলাকাবাসী জানান এ বাধঁ টেকসই হবে না, যেকোনো সময় প্রচন্ড বৃষ্টি হলে শ্রোতে তেড়ে নিবে এ অস্থায়ী বাধঁ, তারা দ্রুত বেডিবাধঁ নির্মাণ করে এলাকাবাসীকে পাহাডিয়া বন্যার কবল থেকে স্হকয়ীভাবে রক্ষা করার দাবি জানান এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানান। এলাকাবাসীর দাবি মুহুরী প্রকল্প পূর্ণবাস্যবায়ন হলে মুহুরীর পশ্চিম পাশে স্থায়ীভাবে বেডিবাধ নির্মান করে জনগণকে বেডিবাধের উপর বসবাস করার সুযোগ এবং চলাচলের সু বন্দোবস্ত করে মুহুরীর আকাবাকা সোজা এবং মুহুর খানন করে পানি ধারণ এবং নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা উচিত। মুহুরীর জগত পুর অংশে ১২ টি ভাগনার সঙস্কার করার দাবি জানান এলাকাবাসি।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর মুহুরীনদীর বেডীবাধ ভাংগনের কয়েকটি ভাগনা পরিদর্শন করেছেন প্রগতিশীল নাগরিক ফোরাম ফেনীর নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশিত ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪

২০২৪ সালের ফেনী নদীর বেডববাদ ভাঙ্গনের ফলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক অঞ্চলের ক্ষতি হয়েছে, কৃষকেরা আজ দিশেহারা,সাধারণ মানুষের আর্থিক অবস্থা ভয়াবহ। অচিরেই বেডিবাদ না বাদলে যেকোনো সময় পাহাড়িয়া ঢলে ফেনী অঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। মুহুরীর পাডে টেকশই বাধ নির্মাণ, কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা ও প্রনোধনার দাবিতে প্রগতিশীল নাগরিক ফোরাম – ফেনী আন্দোলন করছেন।
সম্প্রতি বন্যায় মুহুরীর ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শন করেছেন প্রগতিশীল নাগরিক কোরাম- ফেনীর নেতৃবৃন্দ।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে থেকে মুহুরী নদী বাংলাদেশের প্রবেশ পথ ফেনীর পরশুরাম উপজেলা নিজ কালিকা পুর গ্রাম। নিজ কালিকা বেডিবাধ মুহুরীর পূর্ব পাশে ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া শহর। সম্প্রতি আগস্ট মাসে প্রচন্ড বৃষ্টির কারণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অনেক স্থানে প্লাবিত হয়, অতিরিক্ত পানির কারণে ডংগুর বাধ
ছেড়ে দেয়ার ফলে এবং অতিবৃষ্টির কারণে বিলোনিয়া শহর প্লাবিত হলে ভারতীয়রা মুহুরীর নিজ কালিকাপুরের বেডি বাধ কেটে দিলে প্রচন্ড ব্যাগে বাংলাদেশের পানি ডিকে ফেনী সহ অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ স্মরণকালের বন্যা হয়।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে এ বেডি বাধ না বাদলে যে কোন সময় বৃষ্টি হলে পানি পরশুরাম বিস্তৃর্ণ অন্চল প্রাবিত হবে। এ বাধ বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়।ভারতের যৌথ প্রচেষ্টায় এ বাধ নির্মান করা ছাডা সম্ভব নয়।
নিজ কালিকা পুরের বেডি বাধ ভাঙগনে ফলে মির্জাপুর ইউনিযনের ৬/৭ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে মুহুরীর পশ্চিম অলকার বেডি বাধ ভেঙ্গে প্রচন্ড স্রোতে ফুলগাজী পরশুরামে ৪০-৫০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সম্প্রতি বন্যায় ফেনীর মুহুরী নদীর প্রায় ৯১ স্থানে ভাঙ্গন হয়েছে। সরজমিনে দেখা গেছে পশ্চিম অলকার এ ভাঙ্গন সবচেয়ে বড়, ভারতের ত্রিপুরার বেশিরভাগ পানি এ ভাগ্নার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফেনী অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এলাকাবাসী জানন এ ভাগনা না বাধলে যেকোনো সময় ভারতীয় পানি প্রবেশ করতে পারে। তাই এলাকাবাসী প্রচন্ড চাপে আছে, এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ, এ প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে অনেকেই এ ভাগনা দেখতে আসেন না, তারা ত্রান সামগ্রীয় খুব কম পেয়েছে। অনেকেই বাড়িঘর হারিয়ে বেডিবাধের উপর বসবাস করছে, অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের বাসায় অবস্থান করছেন, এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত আবুল কালাম দ্রুত এ বেরডিবাধ নির্মাণ করে এলাকাবাসীকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসক ফেনী সহ সংশ্লিষ্ট দেশ নিকট দাবি জানান।
সাড়ে তিন কিলোমিটার লম্বা মুহুরীর বেডি ভাধ সম্বলিত শ্রীচন্দ্রপুর গ্রামে ১৩ টি ভাঙ্গনের সবচেয়ে বড় ভাঙ্গন হল সেলিম মিয়া ঘাটের উত্তর পাশে জগতপুরের দক্ষিণ পাশে উত্তর শ্রীপুরের ভাঙ্গন। এ ভাঙ্গনের সংস্কার কাজ চলছে, ভাঙ্গন স্থলে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করছে ঠিকাদারারা, এলাকাবাসী জানান এ বাধঁ টেকসই হবে না, যেকোনো সময় প্রচন্ড বৃষ্টি হলে শ্রোতে তেড়ে নিবে এ অস্থায়ী বাধঁ, তারা দ্রুত বেডিবাধঁ নির্মাণ করে এলাকাবাসীকে পাহাডিয়া বন্যার কবল থেকে স্হকয়ীভাবে রক্ষা করার দাবি জানান এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানান। এলাকাবাসীর দাবি মুহুরী প্রকল্প পূর্ণবাস্যবায়ন হলে মুহুরীর পশ্চিম পাশে স্থায়ীভাবে বেডিবাধ নির্মান করে জনগণকে বেডিবাধের উপর বসবাস করার সুযোগ এবং চলাচলের সু বন্দোবস্ত করে মুহুরীর আকাবাকা সোজা এবং মুহুর খানন করে পানি ধারণ এবং নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা উচিত। মুহুরীর জগত পুর অংশে ১২ টি ভাগনার সঙস্কার করার দাবি জানান এলাকাবাসি।