১২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সমন্বয়ক পরিচয়ে কনসার্ট দেখার চেষ্টা, চমেক এর ফটক ভাঙচুর।

  • প্রকাশিত ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২০৪ বার দেখা হয়েছে

 

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
স্টাফ রিপোর্টার

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) এর ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কনসার্ট দেখতে
২১ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় মেডিকেলের মূল ফটকে একদল তরুণ ভিড় করেছিলেন চমেক ক্যাম্পাসে। এভয়ড রাফা নামে ব্যান্ডের গান শোনার জন্য তাঁরা নিজেদের সমন্বয়ক এবং সাধারণ ছাত্র পরিচয় দেন। কিন্তু, চমেকের নিজস্ব কনসার্টের বাইরের কেউ ঢুকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিলে তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে পালায় ৫০–৬০ জনের এই দল।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে চমেক শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনের ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সমন্বয়ক ও সাধারণ ছাত্র পরিচয়দানকারী তরুণেরা চমেকের ফটকে ভাঙচুর চালান এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে। সড়কের এক পাশ অবরোধ করে রাখেন কিছুক্ষণ।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, চমেকের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে গত ২০শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। ২১শে সেপ্টেম্বর শনিবার দ্বিতীয় দিনে ছিল কনসার্টের আয়োজন। এই কনসার্টে কেবল চমেকের সাবেক ও শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার ছিল। এ জন্য বিশেষ প্রবেশ কার্ডও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটার দিকে একদল তরুণ এসে মিলনায়তনে প্রবেশ করতে চাইলে বিপত্তি বাধে।
ঢুকতে বাধা পেয়ে চমেকের মূল ফটকের সামনে তরুণেরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

‘কনসার্ট দেখতে দিতে হবে’, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন তাঁরা। আগে থেকে চমেকে পুলিশ দায়িত্বে ছিল। এই পরিস্থিতি দেখে আরও অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়। ঘটনাস্থলে রাত আটটায় পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান যান। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, একদল তরুণ সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে কনসার্টে ঢুকতে চেয়েছেন। বাধা দিলে তাঁরা সড়কে এসে স্লোগান দেন। পুলিশ ও চমেক ছাত্রদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ফটক ভেঙে ঢুকতে চাইলে পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীরা ধাওয়া করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ রাসেল আহমেদ বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন না।

Tag :
জনপ্রিয়

বাহারছড়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে জুলুস অনুষ্ঠিত

সমন্বয়ক পরিচয়ে কনসার্ট দেখার চেষ্টা, চমেক এর ফটক ভাঙচুর।

প্রকাশিত ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
স্টাফ রিপোর্টার

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) এর ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কনসার্ট দেখতে
২১ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় মেডিকেলের মূল ফটকে একদল তরুণ ভিড় করেছিলেন চমেক ক্যাম্পাসে। এভয়ড রাফা নামে ব্যান্ডের গান শোনার জন্য তাঁরা নিজেদের সমন্বয়ক এবং সাধারণ ছাত্র পরিচয় দেন। কিন্তু, চমেকের নিজস্ব কনসার্টের বাইরের কেউ ঢুকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিলে তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে পালায় ৫০–৬০ জনের এই দল।

সন্ধ্যা সাতটার দিকে চমেক শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনের ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সমন্বয়ক ও সাধারণ ছাত্র পরিচয়দানকারী তরুণেরা চমেকের ফটকে ভাঙচুর চালান এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে। সড়কের এক পাশ অবরোধ করে রাখেন কিছুক্ষণ।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, চমেকের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে গত ২০শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার থেকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। ২১শে সেপ্টেম্বর শনিবার দ্বিতীয় দিনে ছিল কনসার্টের আয়োজন। এই কনসার্টে কেবল চমেকের সাবেক ও শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার ছিল। এ জন্য বিশেষ প্রবেশ কার্ডও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটার দিকে একদল তরুণ এসে মিলনায়তনে প্রবেশ করতে চাইলে বিপত্তি বাধে।
ঢুকতে বাধা পেয়ে চমেকের মূল ফটকের সামনে তরুণেরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

‘কনসার্ট দেখতে দিতে হবে’, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন তাঁরা। আগে থেকে চমেকে পুলিশ দায়িত্বে ছিল। এই পরিস্থিতি দেখে আরও অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়। ঘটনাস্থলে রাত আটটায় পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলাইমান যান। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, একদল তরুণ সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে কনসার্টে ঢুকতে চেয়েছেন। বাধা দিলে তাঁরা সড়কে এসে স্লোগান দেন। পুলিশ ও চমেক ছাত্রদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ফটক ভেঙে ঢুকতে চাইলে পুলিশ ও চমেক শিক্ষার্থীরা ধাওয়া করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ রাসেল আহমেদ বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন না।