০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেরপুর জেলার বেশিরভাগ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীতে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার

  • প্রকাশিত ০৯:১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৯৭ বার দেখা হয়েছে

 

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার পৌর শহরে আল আমিন বেকারি ও জিহাদ বেকারির কারখানায় নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রকমারি খাবার। কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার নালিতাবাড়ি বাজারে একটি টিনের তৈরি ঘরের ভেতরেই তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন বেকারি পণ্য। আর এই সব খাবার যাচ্ছে পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন দোকান থেকে শুরু করে নামিদামি বেকারিতে।

বিক্রি হচ্ছে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি সহ নানা বাহারি খাবার। কখনও কি কেউ ভেবে দেখেছেন এই খাবারগুলো কোথায় তৈরি হচ্ছে? কী দিয়ে তৈরি হচ্ছে? এসব খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও যাচাই করার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তাদের দায়িত্ব কতটা পালন করছেন? এক কথায় না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাবার দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোন বেকারির উৎপাদন। এসব বেকারিতে মানা হয় না নিরাপদ খাদ্য তৈরির কোন নিয়ম। তৈরি করা খাবারে বসছে মশা-মাছি আর পোকা। আবার ধূলা বালি ও শ্রমিকের ঘাম। কারখানায় নেই স্যানিটেশন এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা।

আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের তৈরি পণ্য। ডালডা দিয়ে তৈরি করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ বাহারি মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট, পুডিংসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। আটঘরিয়া উপজেলায় এমন আরো প্রতিষ্ঠান আছে যাদের অবস্থাও এমন ধরনের। ভোর রাতে ফ্যাক্টরির ভ্যানে বিভিন্ন এলাকার পাড়া মহল্লায়, অলিগলির জেনারেল স্টোর ও চায়ের দোকানে ওই সব পণ্য পৌঁছে দেন ডেলিভারিম্যানরা। বিভিন্ন

চায়ের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, বিকল্প বেকারির মোড়কে একাধিক পলি প্যাকেটে ঝুলছে পারুটি, বাটারবন, কেক, পেটিস, সিঙ্গাড়াসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্য।নালিতাবাড়ি পৌরসভার আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরির মালিক শফিকুল ইসলাম ও জিহাদ বেকারির মালিক লুৎফর জানান, কয়েকদিন যাবত এ কারখানা শুরু করেছেন। তাই পরিবেশ তৈরি করতে একটু সময় লাগবে। তারা আরও বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন নিতে সময়ের প্রয়োজন। শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নোংরা পরিবেশেই তৈরি হচ্ছে খাবার।এই বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তার সাথে কিন্তু কল রিসিভ না কোন কথা হয়নি।এরপর মুঠোফোনে কথা হয় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর শেরপুর কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম (সহকারী পরিচালক) এর সাথে তিনি বলেন অনেক সময় এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নোংরা পরিবেশ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের অভিযোগে অনেক সময় জেল জরিমানা করা হয়।এই বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি মনিরুল হাসান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(ভারপ্রাপ্ত) তিনি বলেন এগুলো দেখার জন্য আলাদা আলাদা ডিপার্টমেন্ট আছে।তিনি আশ্বস্ত করলেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর শেরপুর, নিরাপদ খাদ্য সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর কে তৎপর করবেন।

Tag :

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তারাগঞ্জে সাংবাদিকে হুমকি দিলেন আবু সাঈদ হত্যামামলার আসামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

শেরপুর জেলার বেশিরভাগ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীতে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার

প্রকাশিত ০৯:১১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার পৌর শহরে আল আমিন বেকারি ও জিহাদ বেকারির কারখানায় নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রকমারি খাবার। কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে উপজেলার নালিতাবাড়ি বাজারে একটি টিনের তৈরি ঘরের ভেতরেই তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন বেকারি পণ্য। আর এই সব খাবার যাচ্ছে পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন দোকান থেকে শুরু করে নামিদামি বেকারিতে।

বিক্রি হচ্ছে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি সহ নানা বাহারি খাবার। কখনও কি কেউ ভেবে দেখেছেন এই খাবারগুলো কোথায় তৈরি হচ্ছে? কী দিয়ে তৈরি হচ্ছে? এসব খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও যাচাই করার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তাদের দায়িত্ব কতটা পালন করছেন? এক কথায় না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাবার দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোন বেকারির উৎপাদন। এসব বেকারিতে মানা হয় না নিরাপদ খাদ্য তৈরির কোন নিয়ম। তৈরি করা খাবারে বসছে মশা-মাছি আর পোকা। আবার ধূলা বালি ও শ্রমিকের ঘাম। কারখানায় নেই স্যানিটেশন এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা।

আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের তৈরি পণ্য। ডালডা দিয়ে তৈরি করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ বাহারি মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট, পুডিংসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। আটঘরিয়া উপজেলায় এমন আরো প্রতিষ্ঠান আছে যাদের অবস্থাও এমন ধরনের। ভোর রাতে ফ্যাক্টরির ভ্যানে বিভিন্ন এলাকার পাড়া মহল্লায়, অলিগলির জেনারেল স্টোর ও চায়ের দোকানে ওই সব পণ্য পৌঁছে দেন ডেলিভারিম্যানরা। বিভিন্ন

চায়ের স্টলে গিয়ে দেখা যায়, বিকল্প বেকারির মোড়কে একাধিক পলি প্যাকেটে ঝুলছে পারুটি, বাটারবন, কেক, পেটিস, সিঙ্গাড়াসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্য।নালিতাবাড়ি পৌরসভার আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরির মালিক শফিকুল ইসলাম ও জিহাদ বেকারির মালিক লুৎফর জানান, কয়েকদিন যাবত এ কারখানা শুরু করেছেন। তাই পরিবেশ তৈরি করতে একটু সময় লাগবে। তারা আরও বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন নিতে সময়ের প্রয়োজন। শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার বেশ কয়েকটি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নোংরা পরিবেশেই তৈরি হচ্ছে খাবার।এই বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তার সাথে কিন্তু কল রিসিভ না কোন কথা হয়নি।এরপর মুঠোফোনে কথা হয় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর শেরপুর কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম (সহকারী পরিচালক) এর সাথে তিনি বলেন অনেক সময় এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নোংরা পরিবেশ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের অভিযোগে অনেক সময় জেল জরিমানা করা হয়।এই বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করি মনিরুল হাসান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(ভারপ্রাপ্ত) তিনি বলেন এগুলো দেখার জন্য আলাদা আলাদা ডিপার্টমেন্ট আছে।তিনি আশ্বস্ত করলেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর শেরপুর, নিরাপদ খাদ্য সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর কে তৎপর করবেন।