০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নজরুল ইসলাম খোকন :

রাজ ফুলবাড়িয়া শ্রী শ্রী আনন্দময়ী ও শ্মশান কালী মন্দিরে শনিদেবের পূজা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত ০১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

রাজ ফুলবাড়িয়া শ্রী শ্রী আনন্দময়ী ও শ্মশান কালী মন্দিরে অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে শ্রী শ্রী বাবা শনিদেবের পূজা অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে সকাল থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে শত শত ভক্তের সমাগম ঘটে।
প্রবীণ চিকিৎসক নারায়ণ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজার পৌরোহিত্য করেন পৌরোহিত স্মরণ চক্রবর্তী। কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমগ্র পূজা অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
সকাল থেকেই পূজা মণ্ডপে শ্রী শ্রী শনি দেবের ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তরা তাদের মনোবাসনা পূরণের জন্য শনিদেবের কাছে প্রার্থনা করেন। পূজার আচার-অনুষ্ঠান অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়। এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি এলাকার মানুষের মধ্যে এক আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে।

Tag :
জনপ্রিয়

তারেক রহমান যেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারে, সে জন্য ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত

নজরুল ইসলাম খোকন :

রাজ ফুলবাড়িয়া শ্রী শ্রী আনন্দময়ী ও শ্মশান কালী মন্দিরে শনিদেবের পূজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত ০১:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

রাজ ফুলবাড়িয়া শ্রী শ্রী আনন্দময়ী ও শ্মশান কালী মন্দিরে অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে শ্রী শ্রী বাবা শনিদেবের পূজা অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে সকাল থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে শত শত ভক্তের সমাগম ঘটে।
প্রবীণ চিকিৎসক নারায়ণ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজার পৌরোহিত্য করেন পৌরোহিত স্মরণ চক্রবর্তী। কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন কর্মকার মনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমগ্র পূজা অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
সকাল থেকেই পূজা মণ্ডপে শ্রী শ্রী শনি দেবের ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তরা তাদের মনোবাসনা পূরণের জন্য শনিদেবের কাছে প্রার্থনা করেন। পূজার আচার-অনুষ্ঠান অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়। এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি এলাকার মানুষের মধ্যে এক আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে।