এসময় কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে। বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার রাত ৯টার দিকে ঘন্টা ব্যাপি এই সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে।
নিহত ইকবাল মাতুব্বর পেয়ারপুর ইউনিয়নের গাছবাড়ীয়া এলাকার ছলেমান মাতুব্বরের ছেলে। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর শহরের চরমুগুরিয়া খান বংশের সাথে মৃধা বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্ব›দ্ব চলে আসছিলো। এ ঘটনার জের ধরে শনিবার রাত ৯ টার দিকে দুইগ্রপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময় বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে ও একটি বসতবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় দুই পক্ষ বেশ কয়েকটি হাত বোমা নিক্ষেপ করে। হাত বোমার আঘাতে ইকবাল মাতুব্বর নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। আহত ইকবাল মাতুব্বরকে উদ্ধার করে মাদারীপুরের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিতেল কলেজে নেয়ার পরামর্শ দেয়। এসময় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায় ইকবাল। নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে বিরাজ করছে। এদিকে সংঘর্ষের সময় মাদারীপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাইম খানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও তার চাচাত ভাই টিটু খানের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নাইম খানের স্ত্রী নাদিরা খান বলেন, আমার স্বামী এই দ্ব›েদ্বর সাথে জড়িত নয়। মুলত এই দ্ব›দ্ব ইকবাল মাতুব্বরের সাথে। শুধু শুধু আমার স্বামীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
মাদারীপুর পুলিশ সুপার মো.সাইফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্তপুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।