০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি মুগদার লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ॥ মালামাল লুট ॥ অভিযোগ বাবরের বিরুদ্ধে ॥ মামলা হচ্ছে 

  • প্রকাশিত ০৪:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃবৃহত্তর নোয়াখালী জনকল্যাণ সমিতি মুগদার ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর গং এর বিরুদ্ধে সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, মালামাল লুট, টাকা আদায়ের রশিদ বই, আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্যের রেজিষ্ট্রার সহ মূল্যবান রেজিষ্ট্রার, ডকুমেন্ট রাতের আধারে, মার্কেটের লাইট নিভিয়ে, সঙ্গীয় সহযোগীসহ নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

সূত্র জানায়, ২০০১ সনে বৃহত্তর নোয়াখালী জনকল্যাণ সমিতি মুগদা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর সমিতি পরিচালনার জন্য একটি অনির্বাচিত কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরকে ক্যাশিয়ার মনোনীত করা হয়। অনেকে আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্য হন। সমিতি সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য আর্থিকভাবে স্বচ্ছল অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দেন। তাছাড়া ইফতার পার্টি, অভিষেক, ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিকের খরচের জন্যও প্রচুর অনুদান পাওয়া যায়। ১২৬/২ উত্তর মুগদায় সমিতির স্থায়ী অফিস ক্রয়ের টাকা নিয়েও নানা কেলেঙ্কারীর কথা শুনা যায়। সূত্রমতে সমিতির হিসাবে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। ২০২০ সনে সমিতির অফিস ভাড়া দেয়া হয়, ২০২৪ সনের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অফিস ভাড়া চলমান থাকে। অফিস ভাড়াসহ সমিতির সমুদয় টাকা ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরের কাছে জমা আছে। গত সপ্তাহে সমিতির অফিসে একজন স্টাফ নিয়োগ দিয়ে, সমিতির নিজস্ব কার্য্যক্রম চালু করা হয়। গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে রাত ৮ ঘটিকায় সমিতির অফিসে একটি জরুরী সভা আহ্বান করা হয়। সেই সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ নূর বখ্শ মজুমদার। বক্তব্য রাখেন খোরশেদ আলম, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী ফারুক, মুকুল, পারভেজ প্রমুখ। সেই সভায় অন্যদের সাথে ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরও যোগ দেন। একটি বিশ^স্ত সূত্র জানায়, সেই সভায় কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেননি। গোজামিলে ভরা, ক্রুটিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ একটি হিসাবের কাগজ নিয়ে আসলেও, হিসাব না দিয়ে তিনি তড়িঘড়ি চলে যান। সঙ্গে হিসাবের আনিত কাগজটিও নিয়ে যান। ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর কর্তৃক সমিতির ৩৯ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি এলাকার সবার মুখে মুখে। বর্তমানে ঢাকার মুগদায় বসবাসরত ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষীপুরের বাসিন্দাগণ অবিলম্বে সমিতির টাকার সুষ্ঠ হিসাব চান। অন্যথায় ১০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন কে আসামী করে একটি মামলার প্রস্তুতি চুড়ান্ত পর্যায়ে। উল্লেখ্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির উক্ত সমিতি প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি মুগদার লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ॥ মালামাল লুট ॥ অভিযোগ বাবরের বিরুদ্ধে ॥ মামলা হচ্ছে 

প্রকাশিত ০৪:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার ঃবৃহত্তর নোয়াখালী জনকল্যাণ সমিতি মুগদার ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর গং এর বিরুদ্ধে সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, মালামাল লুট, টাকা আদায়ের রশিদ বই, আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্যের রেজিষ্ট্রার সহ মূল্যবান রেজিষ্ট্রার, ডকুমেন্ট রাতের আধারে, মার্কেটের লাইট নিভিয়ে, সঙ্গীয় সহযোগীসহ নিয়ে যাওয়ার গুরুত্বর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

সূত্র জানায়, ২০০১ সনে বৃহত্তর নোয়াখালী জনকল্যাণ সমিতি মুগদা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর সমিতি পরিচালনার জন্য একটি অনির্বাচিত কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরকে ক্যাশিয়ার মনোনীত করা হয়। অনেকে আজীবন সদস্য, সাধারণ সদস্য হন। সমিতি সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য আর্থিকভাবে স্বচ্ছল অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দেন। তাছাড়া ইফতার পার্টি, অভিষেক, ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিকের খরচের জন্যও প্রচুর অনুদান পাওয়া যায়। ১২৬/২ উত্তর মুগদায় সমিতির স্থায়ী অফিস ক্রয়ের টাকা নিয়েও নানা কেলেঙ্কারীর কথা শুনা যায়। সূত্রমতে সমিতির হিসাবে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। ২০২০ সনে সমিতির অফিস ভাড়া দেয়া হয়, ২০২৪ সনের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অফিস ভাড়া চলমান থাকে। অফিস ভাড়াসহ সমিতির সমুদয় টাকা ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরের কাছে জমা আছে। গত সপ্তাহে সমিতির অফিসে একজন স্টাফ নিয়োগ দিয়ে, সমিতির নিজস্ব কার্য্যক্রম চালু করা হয়। গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে রাত ৮ ঘটিকায় সমিতির অফিসে একটি জরুরী সভা আহ্বান করা হয়। সেই সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ নূর বখ্শ মজুমদার। বক্তব্য রাখেন খোরশেদ আলম, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী ফারুক, মুকুল, পারভেজ প্রমুখ। সেই সভায় অন্যদের সাথে ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবরও যোগ দেন। একটি বিশ^স্ত সূত্র জানায়, সেই সভায় কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেননি। গোজামিলে ভরা, ক্রুটিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ একটি হিসাবের কাগজ নিয়ে আসলেও, হিসাব না দিয়ে তিনি তড়িঘড়ি চলে যান। সঙ্গে হিসাবের আনিত কাগজটিও নিয়ে যান। ক্যাশিয়ার কাজী জাহাঙ্গীর কবির বাবর কর্তৃক সমিতির ৩৯ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি এলাকার সবার মুখে মুখে। বর্তমানে ঢাকার মুগদায় বসবাসরত ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষীপুরের বাসিন্দাগণ অবিলম্বে সমিতির টাকার সুষ্ঠ হিসাব চান। অন্যথায় ১০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন কে আসামী করে একটি মামলার প্রস্তুতি চুড়ান্ত পর্যায়ে। উল্লেখ্য সর্বজন শ্রদ্ধেয় অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির উক্ত সমিতি প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন।