০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বুধবার (২ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে যৌথ বাহিনীর গুলিতে ম্যাঙ্গোটেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক কাউসারের মৃত্যুতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

  • প্রকাশিত ০৪:২৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
  • ২০৬ বার দেখা হয়েছে

আশুলিয়ায় আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং ম্যাঙ্গোটেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক কাউসার হোসেন খানের মৃত্যুতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতারিত শ্রমিকরা নিজ অধিকার প্রশ্নে বিভিন্ন সময়ে , কর্মক্ষেত্রে গণতান্রিক অধিকার , ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে পথে নেমেছে।
কিন্তু অতীতের মতোই এই শিল্পের মালিকেরা শ্রমিকদের আন্দোলনকে নাশকতা, অন্তর্ঘাত ও বাজার হারানোর ভয় দেখিয়ে সরকারের আনুকুল্যে শ্রম আইনের ১৩(১) ধারার মত অগণতান্ত্রিক আইনের অপপ্রয়োগ করে কারখানা বন্ধ করার কারণে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।

পুর্ব ঘোষিত দিনে শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া পাওনা পরিশোধ করলে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হইতোনা। মালিকরা কথিত শ্রমিক নেতাদের সাথে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন করে সংশ্লিষ্ট দিনের পরিবর্তে নতুন তারিখ ঘোষণা করলে শ্রমিকরা বিক্ষুদ্ধ হয়। অন্যদিকে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন ঘটনার জন্য দায়ী মালিক পক্ষকে গ্রেফতার না করে শ্রমিকদের উপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও জখম করে অত্যন্ত অন্যায় ও নিন্দনিয় কাজ করেছেন, যা ফ্যাসিবাদী আচরণ ছাড়া অন্য কিছু নয়। যা বৈষম্য মুলক।

নেতৃবৃন্দ, ঘটনার জন্য দায়ী মালিকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা এবং নিহত ও আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপুরণ প্রদান, আহত শ্রমিকদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা প্রদানের দাবী জানান।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

বুধবার (২ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে যৌথ বাহিনীর গুলিতে ম্যাঙ্গোটেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক কাউসারের মৃত্যুতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।

প্রকাশিত ০৪:২৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

আশুলিয়ায় আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং ম্যাঙ্গোটেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক কাউসার হোসেন খানের মৃত্যুতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতারিত শ্রমিকরা নিজ অধিকার প্রশ্নে বিভিন্ন সময়ে , কর্মক্ষেত্রে গণতান্রিক অধিকার , ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবিতে পথে নেমেছে।
কিন্তু অতীতের মতোই এই শিল্পের মালিকেরা শ্রমিকদের আন্দোলনকে নাশকতা, অন্তর্ঘাত ও বাজার হারানোর ভয় দেখিয়ে সরকারের আনুকুল্যে শ্রম আইনের ১৩(১) ধারার মত অগণতান্ত্রিক আইনের অপপ্রয়োগ করে কারখানা বন্ধ করার কারণে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।

পুর্ব ঘোষিত দিনে শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও বকেয়া পাওনা পরিশোধ করলে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হইতোনা। মালিকরা কথিত শ্রমিক নেতাদের সাথে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন করে সংশ্লিষ্ট দিনের পরিবর্তে নতুন তারিখ ঘোষণা করলে শ্রমিকরা বিক্ষুদ্ধ হয়। অন্যদিকে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন ঘটনার জন্য দায়ী মালিক পক্ষকে গ্রেফতার না করে শ্রমিকদের উপর গুলি চালিয়ে হত্যা ও জখম করে অত্যন্ত অন্যায় ও নিন্দনিয় কাজ করেছেন, যা ফ্যাসিবাদী আচরণ ছাড়া অন্য কিছু নয়। যা বৈষম্য মুলক।

নেতৃবৃন্দ, ঘটনার জন্য দায়ী মালিকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা এবং নিহত ও আহত শ্রমিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপুরণ প্রদান, আহত শ্রমিকদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা প্রদানের দাবী জানান।