১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সহিদ উল্লাহ মিয়াজী, কুমিল্লা

বিপৎসীমার নিচে নামল গোমতীর পানি

  • প্রকাশিত ০২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
  • ১৫২ বার দেখা হয়েছে

বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শুরু হয়েছে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি। বর্তমানে নদীটির পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জাম।
তিনি জানান, গোমতী নদীর পানি কমছে। বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
এর আগে, গত ২২ আগস্ট রাতে গোমতীর পানি বিপৎসীমার স্মরণকালের সর্বোচ্চ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেদিন রাতে পানি বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওইদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে নদীর বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া এলাকার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানির প্রবাহ বাড়ে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।
বাঁধ ভাঙার পর থেকে কমতে থাকে গোমতীর পানি। পরদিন শুক্রবার ও শনিবার বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার ৩-৭ সেন্টিমিটার কমে প্রবাহিত হয়। সোমবার পর্যন্ত পানির প্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিপৎসীমার সমান হয় এ নদীর পানি।

 

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

সহিদ উল্লাহ মিয়াজী, কুমিল্লা

বিপৎসীমার নিচে নামল গোমতীর পানি

প্রকাশিত ০২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শুরু হয়েছে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি। বর্তমানে নদীটির পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জাম।
তিনি জানান, গোমতী নদীর পানি কমছে। বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
এর আগে, গত ২২ আগস্ট রাতে গোমতীর পানি বিপৎসীমার স্মরণকালের সর্বোচ্চ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেদিন রাতে পানি বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওইদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে নদীর বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া এলাকার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানির প্রবাহ বাড়ে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।
বাঁধ ভাঙার পর থেকে কমতে থাকে গোমতীর পানি। পরদিন শুক্রবার ও শনিবার বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার ৩-৭ সেন্টিমিটার কমে প্রবাহিত হয়। সোমবার পর্যন্ত পানির প্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিপৎসীমার সমান হয় এ নদীর পানি।