বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধারার আলেমগণের মধ্যে মতপ্রার্থক্য থাকবে কিন্তু অনৈক্যের মতবিরোধ ভুলে যেতে হবে। তবেই কেবল এই দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ফান্ডে টাকা নাই, পর্যাপ্ত টাকা থাকলে এবতেদায়ী শিক্ষকদের আমরা ফেরত দিতাম না। আমরা রিজার্ভে হাত দিতে চাইনা। আমরা যাওয়ার আগে দেশকে একটি নিরাপদ ও টেকসই অর্থনীতি দিয়ে যেতে চাই। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই শিক্ষকদের জন্য একটা কিছু করে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের শাহী জামে মসজিদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য সাধ্যমতো সব করে যাওয়ার আশ্বাস দেন।
৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শহীদ রজব আলী ময়দানে অনুষ্ঠিত আল্লামা সাঈদীর স্মৃতি বিজড়িত ৫দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এই সময় মাহফিলের প্রধান মুফাস্সির ড.মিজানুর রহমান আজহারী উপস্থিত ছিলেন।
মাহফিলের আজ সমাপনী দিবসে সমাজ কল্যাণ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আবু তাহেরের সভাপতিত্বে বিশেষ আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বক্তব্য রাখেন,
বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং নগর আমীর শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান অতিথি ধর্মোপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ইমাম সাহেবদের বেতন বৈষম্য দুর করতে হবে। এবং এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের সরকারি সীকৃতি দাবী করেন।
এদিন বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা সাঈদীর পুত্র শামীম সাঈদী। তিনি বলেন, আল্লামা অপরাধ করেনি, তিনি কুরআনের খেদমত করেছেন এটাই তাঁর অপরাধ। আপনারা সাঈদী হত্যার প্রতিশোধ নিতে চাইলে সাঈদীভক্তদের কোরআনের রাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুনিরুল ইসলাম মজুমদার, চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুজাহিদুল ইসলাম, তরুন ইসলামী স্কলার তৌহিদুল হক মিসবাহ, ড. বিএম মফিজুর রহমান আজহারী, ড. মাহমুদুল হাসান, মাওলানা সাফওয়াত বিন হারুন আজহারীসহ
চট্টগ্রামের খ্যাতিমান আলেম ওলামাগণ।