পটুয়াখালী বাউফলে উপজেলা বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী পালিত হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় বাউফল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বিএনপির একাংশ। অপরদিকে একই ঘটনায় সকাল ১২টায় উপজেলার কালাইয়া বন্দর বাজারে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে বিএনপির অপরপক্ষ।
জানাগেছে, গত শনিবার সাকালে উপজোর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর ফেডারেশনে তরমুজ ক্ষেতের দখলদারিত্ব নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আহত হন ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহম্মেদ তালুকদার সমর্থীত বিএনপির অন্তত ৫ নেতা-কর্মী। এঘটনায় কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন তুহিনকে দায়ি করে একই দিন বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার ও কৃষকদল নেতা মিজানুর রহমান লিটু সমর্থিত বিএনপির একাংশ জসিম উদ্দিন তুহিনের উপর হামলা চালায়। তুহিন কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মু. মুনির হোসেনের সমর্থক। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় প্রানে বেঁচে যান তুহিন। ইঞ্জনিয়ার ফারুক গ্রুপের সমর্থকদের তোপের মুখে তুহিনকে গ্রেপ্তার ও পরের দিন সকালে ওই ঘটনায় মামলা দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। বিএনপির ওই নেতা তুহিনের বিচারের দাবিতে গতকাল রবিবার সকাল ১১টায় মানববন্ধন করেন ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহম্মেদ তালুকদার ও কৃষক দল নেতা মিজানুর রহমান লিটু সমর্থকরা। অপরদিকে কালাইয়া বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন তুহিনের উপর সন্ত্রসী হামলা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় মানববন্ধন করেছে মু.মুনির হোসেন সমার্থিত কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ঘটানার সময় তুহিন উপজেলা সদরে অবস্থান করছিলেন। এঘটনার সাথে কোনভাবেই তুহিন জড়িত নয়। কিন্তু কিছু সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে তার উপর হামলা করেছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, কালাইয়া ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় বিএনপি নেতা তুহিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সকালে তাকে জেল হাজতে পঠানো হয়েছে।