০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“বাজুস এর সংবাদ সম্মেলন”

  • প্রকাশিত ০৮:৫০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
  • ৩৩৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস এর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি জনাব আনভিরের হাত থেকে জুয়েলারি শিল্পকে রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস। গতকাল ২৮ আগস্ট রোজ বুধবার বাজুস প্রধান কার্যালয় ৩,বাইতুল মোকাররম ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাজুস এর সাবেক সভাপতি জনাব এনামুল হক (দোলন) এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ ইলেকট্রিক মিডিয়া প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ সহ বাজুসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। জনাব এনামুল হক খান (দোলন) বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সকল বীর ছাত্র-জনতার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং আহত সকল লড়াকু ভাইবোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রক্তিম শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত সাধারণ জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের ভালোবাসা ও সমর্থনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি কিন্তু পরিতাপের বিষয় (২০১৯- ২০২১) মেয়াদের নির্বাচনের প্রস্ততিকালে আমাদেরকে বসুন্ধরা গ্রুপের এম ডি সায়েম সুবহান এর পক্ষ থেকে চা চক্রের আমন্ত্রণ জানিয়ে জিম্মি করা হয় এবং জোর করে বাজুসের সভাপতি পদে নির্বাচন না করা ও তাকে সভাপতি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে এরই ধারাবাহিকতায় বাজুস গঠনতন্ত্র বাণিজ্য সংগঠন নীতিমালা লংঘন করে আনভিরের অজ্ঞাবহ একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে কোন ধরনের প্রতিযোগিতার সুযোগ না রেখেই তার নিজ বাসভবনকে নির্বাচন কার্যালয় বানানো হয় এবং সাধারণ প্রার্থীদের নমিনেশন কেনার সুযোগ না দিয়ে সায়েম সোবহান নিজেকে সভাপতি ঘোষণা করেন। তিনি আরো বলেন বাজুসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আনভীরের সাধারণ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা না থাকলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই বাণিজ্য সংগঠনের সর্বোচ্চ পদটি জোড়পূর্বক দখল করেন । তার বিরুদ্ধে কেহ কথা বললে তার উপর চলত অমানবিক নির্যাতন যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না আমি আমাদের ব্যবসায়ী ভাইদের হয়ে কথা বলাতে আমার উপরও অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছেন ওই সায়েম সোবহান । তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে আরো বলেন বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির (১০ থেকে ১২টি ) নামে জনপ্রতি দুই লাখ থেকে ৫০ লাখ পর্যন্ত টাকা গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেনএ কাজে তাকে সাহায্য করে তথাকথিত উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল। তিনি আরো বলেন উল্লেখ্য রাসেল এর নিয়োগ ও সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ।সে পেশায় বসুন্ধরা গ্রুপেরই পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক এবং আনভিরের অপকর্মের দোসর এই কুখ্যাত রাসেল জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের নিকট এক আতঙ্কের নাম তার বিরুদ্ধে নিরীহ জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে গত চার বছরে ৫০কোটি টাকা চাঁদা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরো বলেন সায়েম সোবহান দেশের সর্ববৃহৎ জুয়েলারি মার্কেটে অবস্থিত বাজুসের নিজস্ব কার্যালয় তালা মেরে তার নিজ মালিকানাধীন রাজধানীর পান্থপথ বসুন্ধরা মার্কেটে বাজুস কার্যালয় স্থানান্তর করেন উদ্দেশ্য নিজ মালিকানাধীন বসুন্ধরা মার্কেটের সাধারণ জুয়েলার্সদের দোকান করায় বাধ্য করা ।নিজ মালিকানাধীন বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি এর কর্মচারীদের বাজুসে নিয়োগ প্রদান করে বাজুস কার্যালয় নিজ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন এবং সার্ভিস রুলের তোয়াক্কা না করে পুরাতন ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে বেতন ভাতা প্রদান না করে চাকুরী থেকে অপসারণ করেছেন। তিনি আরো বলেন জোরপূর্বক আনভীর বাজুসের প্রেসিডেন্ট হয়েই সাধারণ সদস্যদের চাঁদা ৫০০ টাকা থেকে বাড়ি এ ১০০০ (এক হাজার) টাকা করেছেন এবং নতুন সদস্যদের ভর্তি ও সার্টিফিকেট বাবদ ১০ হাজার টাকা ধার্য করেছেন যা সম্পূর্ণ অমানবিক তাছাড়া সদস্য হওয়ার অযোগ্য ব্যবসায়ীদের টাকার বিনিময়ে সদস্য করেছেন। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তা করে দেশীয় আন্তর্জাতিক বাজারদর উপেক্ষা করে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছেন এতে স্বর্ণের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাহিরে চলে যায় এবং ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়ে উদ্দেশ্য পরবর্তীতে নিজের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি থেকে উচ্চমূল্যে গোল্ড বিক্রয় এর পথ সুগাম করা ।এছাড়াও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গোল্ডের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যা বাজুসের আইন বহির্ভূত। বাজুসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা বলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে আয়োজনের কথা বলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে একাধিকবার অনুষ্ঠানের খরচ বাবদ বিনা রশিদে ৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা আদায় করেছেন। তাছাড়া কোন কারণ ব্যতীত স্বনামধন্য জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ভিন্ন মতকে দমন করার জন্যই এই তথাকথিত জরিমানা তিনি জোরপূর্বক আদায় করতেন এবং তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার উপর চলত অমানবিক নির্যাতন। আনভীর এর মালিকানাধীন রাজধানীর পান্থপথ বসুন্ধরা মার্কেটের পঞ্চম ও সপ্তম তলায় জুয়েলারি পল্লীর নামে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অতি উচ্চমূল্যে দোকান ক্রয়ে বাধ্য করা হয় এবং জোরপূর্বক বসুন্ধরা মার্কেটের জুয়েলারি মালিক দোকানদারদের জোর করে পঞ্চম তলা ও সপ্তম তলা থেকে উৎখাত করা হয় এবং এই দোকান তাদের দিয়েই উচ্চ মূল্যে ক্রয় করায় বাধ্য করা হয় তাছাড়া সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার জন্য দোকানদারের নিকট থেকে বেশি টাকা নিয়েও দলিলে কম টাকা দেখানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিষয়টি নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। দখলদার আনভির (২০২১ -২০২৩ )মেয়াদে সাধারণ প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে সে কারণে নিজের পকেট কমিটি (নির্বাচন কমিশন) দিয়ে (২০২১ – ২০২৩) মেয়াদে নির্বাচন করে। এখানে সাধারণ সদস্য পদের জন্য পাঁচ লাখ কোষাধ্যক্ষ ৩০ লাখ সাধারণ সম্পাদক ১ কোটি ও সভাপতি পদের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ধার্য করে তারপরও নিজ বাসভবনকে নির্বাচন কার্যালয় বানিয়ে সাধারণ প্রার্থীদের নমিনেশন কেনার সুযোগও বন্ধ করে দেয় ।পণ্য ভিত্তিক দেশের সবচেয়ে বৃহৎ বাণিজ্য সংগঠনের সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও গত এক বছরে তিনি কোন কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেননি বা বাজুসের হয়ে সরকারের কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার সাথে মিটিংএ তিনি
অংশগ্রহণ করেননি । কোন সাধারণ জুয়েলারি ব্যবসায়ী গত চার বছরে তার সাথে অনেক চেষ্টা করেও দেখা করতে পারেনি তিনি মূলত জনবিচ্ছিন্ন একজন মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত ছিলেন। জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা আরও বলেন যখনি তিনি সায়েম সোবহান আনভিরের এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন তারপর থেকেই তার নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ প্রতিদিন কালের কন্ঠ নিউজ 24 সহ নিজেদের পালিত মিডিয়াকে নির্লজ্জভাবে তার পিছনে লেলিয়ে দিয়ে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষের কাছে তাকে হেও প্রতিপন্ন করে আসছেন বিশেষ করে উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল যিনি পেশায় বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক এবং আনভিরের অপকর্মের দোসর তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন এবং বিগত দিনে বসুন্ধরা মার্কেটে ভালো পজিশনে দোকান পাইয়ে দেয়ার কথা বলেও ২৫ লক্ষ টাকা তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন তার গঠিত বাহিনী দিয়ে সার্বক্ষণিক তাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ফলে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির সম্মুখীন এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলেও আমাদেরকে জানিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে তার জীবন রক্ষার্থে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সর্বোচ্চ মহলে অনুরোধ জানিয়েছেন এবং আনভিরের কুকর্মের বিচার দ্রুত না করা হলে এই স্বৈরাচারী ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং তাদের কুকর্মে গড়া বসুন্ধরা গ্রুপের যত প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলির বিরুদ্ধেও যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ।সবশেষে সভাপতির সম্মতিক্রমে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

“বাজুস এর সংবাদ সম্মেলন”

প্রকাশিত ০৮:৫০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস এর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি জনাব আনভিরের হাত থেকে জুয়েলারি শিল্পকে রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বাজুস। গতকাল ২৮ আগস্ট রোজ বুধবার বাজুস প্রধান কার্যালয় ৩,বাইতুল মোকাররম ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাজুস এর সাবেক সভাপতি জনাব এনামুল হক (দোলন) এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা সহ ইলেকট্রিক মিডিয়া প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ সহ বাজুসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। জনাব এনামুল হক খান (দোলন) বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সকল বীর ছাত্র-জনতার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং আহত সকল লড়াকু ভাইবোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রক্তিম শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জুয়েলারি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত সাধারণ জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের ভালোবাসা ও সমর্থনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি কিন্তু পরিতাপের বিষয় (২০১৯- ২০২১) মেয়াদের নির্বাচনের প্রস্ততিকালে আমাদেরকে বসুন্ধরা গ্রুপের এম ডি সায়েম সুবহান এর পক্ষ থেকে চা চক্রের আমন্ত্রণ জানিয়ে জিম্মি করা হয় এবং জোর করে বাজুসের সভাপতি পদে নির্বাচন না করা ও তাকে সভাপতি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে এরই ধারাবাহিকতায় বাজুস গঠনতন্ত্র বাণিজ্য সংগঠন নীতিমালা লংঘন করে আনভিরের অজ্ঞাবহ একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে কোন ধরনের প্রতিযোগিতার সুযোগ না রেখেই তার নিজ বাসভবনকে নির্বাচন কার্যালয় বানানো হয় এবং সাধারণ প্রার্থীদের নমিনেশন কেনার সুযোগ না দিয়ে সায়েম সোবহান নিজেকে সভাপতি ঘোষণা করেন। তিনি আরো বলেন বাজুসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আনভীরের সাধারণ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা না থাকলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই বাণিজ্য সংগঠনের সর্বোচ্চ পদটি জোড়পূর্বক দখল করেন । তার বিরুদ্ধে কেহ কথা বললে তার উপর চলত অমানবিক নির্যাতন যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না আমি আমাদের ব্যবসায়ী ভাইদের হয়ে কথা বলাতে আমার উপরও অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছেন ওই সায়েম সোবহান । তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে আরো বলেন বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির (১০ থেকে ১২টি ) নামে জনপ্রতি দুই লাখ থেকে ৫০ লাখ পর্যন্ত টাকা গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেনএ কাজে তাকে সাহায্য করে তথাকথিত উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল। তিনি আরো বলেন উল্লেখ্য রাসেল এর নিয়োগ ও সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ।সে পেশায় বসুন্ধরা গ্রুপেরই পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক এবং আনভিরের অপকর্মের দোসর এই কুখ্যাত রাসেল জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের নিকট এক আতঙ্কের নাম তার বিরুদ্ধে নিরীহ জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে গত চার বছরে ৫০কোটি টাকা চাঁদা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরো বলেন সায়েম সোবহান দেশের সর্ববৃহৎ জুয়েলারি মার্কেটে অবস্থিত বাজুসের নিজস্ব কার্যালয় তালা মেরে তার নিজ মালিকানাধীন রাজধানীর পান্থপথ বসুন্ধরা মার্কেটে বাজুস কার্যালয় স্থানান্তর করেন উদ্দেশ্য নিজ মালিকানাধীন বসুন্ধরা মার্কেটের সাধারণ জুয়েলার্সদের দোকান করায় বাধ্য করা ।নিজ মালিকানাধীন বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি এর কর্মচারীদের বাজুসে নিয়োগ প্রদান করে বাজুস কার্যালয় নিজ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন এবং সার্ভিস রুলের তোয়াক্কা না করে পুরাতন ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে বেতন ভাতা প্রদান না করে চাকুরী থেকে অপসারণ করেছেন। তিনি আরো বলেন জোরপূর্বক আনভীর বাজুসের প্রেসিডেন্ট হয়েই সাধারণ সদস্যদের চাঁদা ৫০০ টাকা থেকে বাড়ি এ ১০০০ (এক হাজার) টাকা করেছেন এবং নতুন সদস্যদের ভর্তি ও সার্টিফিকেট বাবদ ১০ হাজার টাকা ধার্য করেছেন যা সম্পূর্ণ অমানবিক তাছাড়া সদস্য হওয়ার অযোগ্য ব্যবসায়ীদের টাকার বিনিময়ে সদস্য করেছেন। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তা করে দেশীয় আন্তর্জাতিক বাজারদর উপেক্ষা করে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছেন এতে স্বর্ণের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাহিরে চলে যায় এবং ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়ে উদ্দেশ্য পরবর্তীতে নিজের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি থেকে উচ্চমূল্যে গোল্ড বিক্রয় এর পথ সুগাম করা ।এছাড়াও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গোল্ডের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে যা বাজুসের আইন বহির্ভূত। বাজুসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা বলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে আয়োজনের কথা বলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে একাধিকবার অনুষ্ঠানের খরচ বাবদ বিনা রশিদে ৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা আদায় করেছেন। তাছাড়া কোন কারণ ব্যতীত স্বনামধন্য জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে দুই থেকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ভিন্ন মতকে দমন করার জন্যই এই তথাকথিত জরিমানা তিনি জোরপূর্বক আদায় করতেন এবং তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার উপর চলত অমানবিক নির্যাতন। আনভীর এর মালিকানাধীন রাজধানীর পান্থপথ বসুন্ধরা মার্কেটের পঞ্চম ও সপ্তম তলায় জুয়েলারি পল্লীর নামে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অতি উচ্চমূল্যে দোকান ক্রয়ে বাধ্য করা হয় এবং জোরপূর্বক বসুন্ধরা মার্কেটের জুয়েলারি মালিক দোকানদারদের জোর করে পঞ্চম তলা ও সপ্তম তলা থেকে উৎখাত করা হয় এবং এই দোকান তাদের দিয়েই উচ্চ মূল্যে ক্রয় করায় বাধ্য করা হয় তাছাড়া সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার জন্য দোকানদারের নিকট থেকে বেশি টাকা নিয়েও দলিলে কম টাকা দেখানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিষয়টি নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। দখলদার আনভির (২০২১ -২০২৩ )মেয়াদে সাধারণ প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে সে কারণে নিজের পকেট কমিটি (নির্বাচন কমিশন) দিয়ে (২০২১ – ২০২৩) মেয়াদে নির্বাচন করে। এখানে সাধারণ সদস্য পদের জন্য পাঁচ লাখ কোষাধ্যক্ষ ৩০ লাখ সাধারণ সম্পাদক ১ কোটি ও সভাপতি পদের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ধার্য করে তারপরও নিজ বাসভবনকে নির্বাচন কার্যালয় বানিয়ে সাধারণ প্রার্থীদের নমিনেশন কেনার সুযোগও বন্ধ করে দেয় ।পণ্য ভিত্তিক দেশের সবচেয়ে বৃহৎ বাণিজ্য সংগঠনের সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও গত এক বছরে তিনি কোন কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেননি বা বাজুসের হয়ে সরকারের কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার সাথে মিটিংএ তিনি
অংশগ্রহণ করেননি । কোন সাধারণ জুয়েলারি ব্যবসায়ী গত চার বছরে তার সাথে অনেক চেষ্টা করেও দেখা করতে পারেনি তিনি মূলত জনবিচ্ছিন্ন একজন মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত ছিলেন। জনাব দিলীপ কুমার আগারওয়ালা আরও বলেন যখনি তিনি সায়েম সোবহান আনভিরের এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন তারপর থেকেই তার নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ প্রতিদিন কালের কন্ঠ নিউজ 24 সহ নিজেদের পালিত মিডিয়াকে নির্লজ্জভাবে তার পিছনে লেলিয়ে দিয়ে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষের কাছে তাকে হেও প্রতিপন্ন করে আসছেন বিশেষ করে উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল যিনি পেশায় বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক এবং আনভিরের অপকর্মের দোসর তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন এবং বিগত দিনে বসুন্ধরা মার্কেটে ভালো পজিশনে দোকান পাইয়ে দেয়ার কথা বলেও ২৫ লক্ষ টাকা তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন তার গঠিত বাহিনী দিয়ে সার্বক্ষণিক তাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ফলে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির সম্মুখীন এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলেও আমাদেরকে জানিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে তার জীবন রক্ষার্থে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সর্বোচ্চ মহলে অনুরোধ জানিয়েছেন এবং আনভিরের কুকর্মের বিচার দ্রুত না করা হলে এই স্বৈরাচারী ব্যক্তি বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং তাদের কুকর্মে গড়া বসুন্ধরা গ্রুপের যত প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলির বিরুদ্ধেও যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ।সবশেষে সভাপতির সম্মতিক্রমে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।