১২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বন্যার পানিতে শেরপুরের ঝিনাইগাতি,নালিতাবাড়ী,ও নকলার মানুষ পানি বন্দি

  • প্রকাশিত ০১:০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৯৭ বার দেখা হয়েছে

 

গত কয়েকদিন থেকে ভারী বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী,নালিতাবাড়ী ও নকলার মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষের আহার,অন্ন,বস্ত্র ও বাসস্থান নিয়ে শঙ্কায় জীবন কাটছে এ অঞ্চলের মানুষের। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি ছুটিতে অবস্থান করায় একজন সেনাসদস্য বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ভুলে যাননি আল্লাহর কালাম কোরআন শরীফ হেফাজতে নিতে। বন্যার ১ম দিনে উদ্ধার অভিযানের পর থেকে নিম্নাঞ্চলে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করায় বিগত ৩ দিন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার নিজস্ব অর্থায়ন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে শুকনা খাবার বিতরণ করেছেন এই সেনাসদস্য টি। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার নাম হারুনুর রশিদ,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন।এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে আরও জানা জায় নিজের জায়গায় একটা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের ও কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী অর্থায়নে এবং এতিম ছেলে মেয়েদের জন্য বিনা টাকায় পড়াশুনা করার সুযোগ করে দিয়েছেন।
সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের ভালবাসা, সন্মান ও শ্রদ্ধাবোধ দিন দিন বহুগুনে বেড়ে চলেছে।

Tag :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বার বার সড়ক দুর্ঘটনার লোমহর্ষ রহস্য ও কারণ

বন্যার পানিতে শেরপুরের ঝিনাইগাতি,নালিতাবাড়ী,ও নকলার মানুষ পানি বন্দি

প্রকাশিত ০১:০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

 

গত কয়েকদিন থেকে ভারী বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী,নালিতাবাড়ী ও নকলার মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষের আহার,অন্ন,বস্ত্র ও বাসস্থান নিয়ে শঙ্কায় জীবন কাটছে এ অঞ্চলের মানুষের। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি ছুটিতে অবস্থান করায় একজন সেনাসদস্য বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ভুলে যাননি আল্লাহর কালাম কোরআন শরীফ হেফাজতে নিতে। বন্যার ১ম দিনে উদ্ধার অভিযানের পর থেকে নিম্নাঞ্চলে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করায় বিগত ৩ দিন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার নিজস্ব অর্থায়ন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে শুকনা খাবার বিতরণ করেছেন এই সেনাসদস্য টি। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার নাম হারুনুর রশিদ,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন।এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে আরও জানা জায় নিজের জায়গায় একটা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের ও কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী অর্থায়নে এবং এতিম ছেলে মেয়েদের জন্য বিনা টাকায় পড়াশুনা করার সুযোগ করে দিয়েছেন।
সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের ভালবাসা, সন্মান ও শ্রদ্ধাবোধ দিন দিন বহুগুনে বেড়ে চলেছে।