মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ১০৬ তম জন্মদিন উৎযাপিত । ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী।
বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানীর জন্মদিনে ফাতেহা পাঠ, শ্রদ্ধাঞ্জলি ও কেক কেটে পালন করে বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানীর হাতে গরা সংগঠন জনতা পাটি সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মজিবর রহমান চৌধুরী হীরু ও আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদক অশোক ধর, মহানগর প্রেসক্লাব এর সভাপতি লায়ন আবুল কালাম আজাদ, ও সংগঠনের নেত্রবৃন্দ সঞ্চালনা করেন এডভোকেট হুমায়ূন কবির আকন্দ।
জেনারেল ওসমানী যৌবনে ব্রিটিশ আর্মিতে যোগ দেন। সেখানে তিনি ছিলেন বাঙালিদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ মেজর। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে থাকাকালে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সেনানিবাসের প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন কর্নেল হিসেবে।
বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে এমএনএ নির্বাচিত হন ওসমানী। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তাকে বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সের জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।