সম্প্রতি ঢাকা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও জামালপুরের স্থানীয় পত্রিকা সহ অনলাইন পত্রিকায়” জামালপুর মেলান্দহের আলেয়া আজম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ও মেলান্দহের ফুলকোচা আলেয়া আজম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের খুটির জোর কোথায়
শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হয়েছে। কিছু কুচক্রী মহল ঈশ্বার্ন্বিত হয়ে সাংবাদিকদের ভূল তথ্য দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেছে।
প্রকৃত ঘটনা এই যে, ফুলকোঁচা আলেয়া আজম উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক হাবিবুর রহমান ময়না প্রতিষ্ঠানের মান ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য কুচক্রী মহলের কাছে পাচার করে এবং ধর্ম বিষয়ক শিক্ষক ইসমাইল হোসেন নিজস্ব প্রতিষ্ঠান চালু করেন এবং বিভিন্ন কাজকর্মের সাথে লিপ্ত থাকায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের অবহেলা করেন তিনি , এবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নজরে আসলে তাকে দীর্ঘদিন আগে সাসপেন্ড করেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন কুচক্রী মহল নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অত্যাচার ও নির্যাতন করে আসছে। এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আস্থাভাজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস এর নেতৃত্বে কিছু কুচক্রী মহল কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন এবং সতর্কবাণী দিয়ে যান তারা, এরপরেও থেমে থাকেনি কুচক্রিমহলরা।
উক্ত প্রতিষ্ঠানে আমি আমার দায়িত্ব পালনের জন্য বাড়ী হতে রাস্তা দিয়ে প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে,তাই অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনুস সহ প্রশাসনের কাছে আমার জান ও মালের নিরাপত্তা চেয়ে আমি, তাদের বিচারের দাবি জানাচ্ছি। বিভিন্নভাবে আমাকে ফাসানোর জন্য তারা পায়তারা করে আসছে। আমি এই ধরনের মিথ্যা, ভিত্তিহীন বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
‘হারুন অর রশিদ ”
প্রধান শিক্ষক ফুলকোচা আলেয়া আজম উচ্চবিদ্যালয়,মেলান্দহ, জামালপুর।