১০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও প্রকাশ, সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ২

  • প্রকাশিত ০৪:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে ধর্ষণ ও তার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে সাংবাদিকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মোজাহার হাওলাদারের ছেলে মো. জাহিদ (৪০) এবং একই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ (৩২)। জিহাদ দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সোমবার গভীর রাতে ভান্ডারিয়া থানার হাসপাতাল মোড়ে ফারুকের দোকানের সামনে রাত ৩টার দিকে রিকশাচালক মো. জাহিদ মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় সাংবাদিক জিয়াউল ইসলাম জিহাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন।

পরে জিহাদ ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের নিকট অর্থ দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করেন। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিডিও অপসারণে পুলিশ সদর দফতর ও বিটিআরসির সহযোগিতা নেয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

তারেক রহমান যেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারে, সে জন্য ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত

পিরোজপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও প্রকাশ, সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ২

প্রকাশিত ০৪:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে ধর্ষণ ও তার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে সাংবাদিকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ভান্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মোজাহার হাওলাদারের ছেলে মো. জাহিদ (৪০) এবং একই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ (৩২)। জিহাদ দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সোমবার গভীর রাতে ভান্ডারিয়া থানার হাসপাতাল মোড়ে ফারুকের দোকানের সামনে রাত ৩টার দিকে রিকশাচালক মো. জাহিদ মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় সাংবাদিক জিয়াউল ইসলাম জিহাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন।

পরে জিহাদ ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ভিকটিমের নিকট অর্থ দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করেন। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে দ্রুত অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিডিও অপসারণে পুলিশ সদর দফতর ও বিটিআরসির সহযোগিতা নেয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত আদালতে সোপর্দ করা হবে।