০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার শিকার ইউপি সদস্য

  • প্রকাশিত ০৫:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪
  • ২১৫ বার দেখা হয়েছে

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার শিকার ইউপি সদস্য শুকুর আলী এমন অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে এ বিষয়ে শুকুর আলী মেম্বারের সাথে কথা বললে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তিনি বলেন আমার গ্রামের দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা কয়েকজন আত্মীয় স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে আমার সাথে দেখা করে এবং বলেন আমার স্বামী কে মন্টু বিদেশ পাঠাইছে এবং একটু সমস্যা হয়েছে । আমি এই বিষয় নিয়ে মন্টুর সাথে কথা বলি কিন্তু সমাধান করতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মানব পাচারের মামলা দিয়েছে। আমি কখনো এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না, আমার উপরে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, সঠিক তদন্তের দাবি করছি, এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মন্টুর মধ্যস্থতায় করায় এবং বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে বৈধভাবে সৌদি আরবে যান নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত নেকবরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। দুই বছর সৌদি আরবে অবস্থান করে কাজ করেন এবং দেশে রেমিটেন্স পাঠান। দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা গত ৩০ শে এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মন্টু সহ তিন জন কে আসামি করে নওগাঁ কোর্টে মানব পাচারের মামলা করে যার পিটিশন মামলা নাম্বার ১৪ /২০২৪ । এ মামলায় তিন নাম্বার আসামি করা হয় শিকারপুর ইউপি সদস্য শুকুর আলীকে কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানায় শুকুর আলী মেম্বার কোনদিন আদম ব্যবসায় জড়িত ছিল না। তার অপরাধ মন্টুর মধ্যস্থতায় করায়, বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে দেলোয়ার সৌদি আরব যায়, দুই বছর আগে দেলোয়ারকে বিদেশে পাঠানো বিষয়ে যে টাকা লেনদেন হয়েছিল সেই টাকা ফেরতের দাবি করেন দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা। এ বিষয়ে মেম্বার শুকুর আলীর কাছে অভিযোগ করলে শুকুর আলী মিমাংসা করে দিতে না পারায় তাকেই আসামি করা হয়েছে বলে জানান তারা। মামলার ২ নাম্বার আসামী মোস্তাফিজুর বলেন, আমি দেলোয়ারকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে কোন কিছুই জানতামনা কিন্তু দেলোয়ারের স্ত্রী ও তার আত্মীয় স্বজন আমাদের বাড়িতে কিছুদিন আগে আছে আমার বাবার সাথে কথা বললে তখন জানতে পারি যে আমার বাবার পরিচিত লোক বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে দেলোয়ার বৈধভাবে সৌদি আরব গিয়েছিলেন দুই বছর আগে। দেলোয়ার বিদেশে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে আমার বাবা মো: মন্টু , আমাদের গ্রামের মেম্বার শুকুর আলী এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্ত্বিহীন বানোয়াট মানব পাচারের মামলা করেন। আমরা কোনদিন কাহকে বিদেশে পাঠাইনি এবং মানব পাচারের মতো ঘটনার সাথে কোনদিন জরিত নাই।
এ বিষয়ে মামলার বাদী হাফিজা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ বছর আগে আমার স্বামী কে মন্টু সৌদি আরব পাঠান, সেখানে গিয়ে কিছু সমস্যা হয়, আমি ও আমার স্বামীর পরিবারের লোকজন নিয়ে মন্টুর বাড়িতে যাই এবং সমস্যার কথা বলি কিন্তু কোনো সমাধান না পেয়ে আদালতে মামলা করি, আমি মামলা করার কিছু দিন পড়ে আমার স্বামী দেলোয়ার বাংলাদেশে এসেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করছেন, ২ও ৩ নং আসামি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাদি বলেন ২ নং আসামি ১ নং আসামির ছেলে টাকা নেওয়ার বিষয় জানতো তাই তার নাম দিয়েছি এবং ৩ নং আসামি আমাদের গ্রামের মেম্বার সে আমার জানা মতে মন্টুর পক্ষে কাজ করছেন তাই আসামি করেছি, বাদির স্বামীর সাথে সরাসরি কথা বললে তিনি বলেন আমি সৌদি আরব মন্টুর মাধ্যমে গিয়েছিলাম, যাওয়ার পর থেকে সমস্যা, আমি তখন বাড়িতে বিষয় টি খুলে বলি, তখন আমার পরিবার মন্টুর সাথে কথা বলে বিষয় টি সমাধানের জন্য কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান না পেয়ে আদালতে মামলা করেন আমার স্ত্রী। ২ ও ৩ নং আসামির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ নং তার ছেলে এবং ৩ নং আসামি মেম্বার সবসময় মন্টু কে সহযোগিতা করতেছে তাই আমার স্ত্রী আমার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে তার নাম দিয়েছেন। আসামিপক্ষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এমন অভিযোগ করে প্রশাসনের কাছে তাদের পরিবারের নিরাপত্তাসহ এ ঘটনার সঠিক তদন্তের জন্য অনুরোধ জানান।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার শিকার ইউপি সদস্য

প্রকাশিত ০৫:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার শিকার ইউপি সদস্য শুকুর আলী এমন অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে এ বিষয়ে শুকুর আলী মেম্বারের সাথে কথা বললে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তিনি বলেন আমার গ্রামের দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা কয়েকজন আত্মীয় স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে আমার সাথে দেখা করে এবং বলেন আমার স্বামী কে মন্টু বিদেশ পাঠাইছে এবং একটু সমস্যা হয়েছে । আমি এই বিষয় নিয়ে মন্টুর সাথে কথা বলি কিন্তু সমাধান করতে না পারায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মানব পাচারের মামলা দিয়েছে। আমি কখনো এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না, আমার উপরে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, সঠিক তদন্তের দাবি করছি, এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মন্টুর মধ্যস্থতায় করায় এবং বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে বৈধভাবে সৌদি আরবে যান নওগাঁ সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত নেকবরের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। দুই বছর সৌদি আরবে অবস্থান করে কাজ করেন এবং দেশে রেমিটেন্স পাঠান। দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা গত ৩০ শে এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মন্টু সহ তিন জন কে আসামি করে নওগাঁ কোর্টে মানব পাচারের মামলা করে যার পিটিশন মামলা নাম্বার ১৪ /২০২৪ । এ মামলায় তিন নাম্বার আসামি করা হয় শিকারপুর ইউপি সদস্য শুকুর আলীকে কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানায় শুকুর আলী মেম্বার কোনদিন আদম ব্যবসায় জড়িত ছিল না। তার অপরাধ মন্টুর মধ্যস্থতায় করায়, বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে দেলোয়ার সৌদি আরব যায়, দুই বছর আগে দেলোয়ারকে বিদেশে পাঠানো বিষয়ে যে টাকা লেনদেন হয়েছিল সেই টাকা ফেরতের দাবি করেন দেলোয়ারের স্ত্রী হাফিজা। এ বিষয়ে মেম্বার শুকুর আলীর কাছে অভিযোগ করলে শুকুর আলী মিমাংসা করে দিতে না পারায় তাকেই আসামি করা হয়েছে বলে জানান তারা। মামলার ২ নাম্বার আসামী মোস্তাফিজুর বলেন, আমি দেলোয়ারকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে কোন কিছুই জানতামনা কিন্তু দেলোয়ারের স্ত্রী ও তার আত্মীয় স্বজন আমাদের বাড়িতে কিছুদিন আগে আছে আমার বাবার সাথে কথা বললে তখন জানতে পারি যে আমার বাবার পরিচিত লোক বদলগাছী উপজেলার বিলাসবাড়ী গ্রামের আদম বেপারী মো: শাহরিয়ার নাফিজের মাধ্যমে দেলোয়ার বৈধভাবে সৌদি আরব গিয়েছিলেন দুই বছর আগে। দেলোয়ার বিদেশে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে আমার বাবা মো: মন্টু , আমাদের গ্রামের মেম্বার শুকুর আলী এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্ত্বিহীন বানোয়াট মানব পাচারের মামলা করেন। আমরা কোনদিন কাহকে বিদেশে পাঠাইনি এবং মানব পাচারের মতো ঘটনার সাথে কোনদিন জরিত নাই।
এ বিষয়ে মামলার বাদী হাফিজা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ বছর আগে আমার স্বামী কে মন্টু সৌদি আরব পাঠান, সেখানে গিয়ে কিছু সমস্যা হয়, আমি ও আমার স্বামীর পরিবারের লোকজন নিয়ে মন্টুর বাড়িতে যাই এবং সমস্যার কথা বলি কিন্তু কোনো সমাধান না পেয়ে আদালতে মামলা করি, আমি মামলা করার কিছু দিন পড়ে আমার স্বামী দেলোয়ার বাংলাদেশে এসেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করছেন, ২ও ৩ নং আসামি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাদি বলেন ২ নং আসামি ১ নং আসামির ছেলে টাকা নেওয়ার বিষয় জানতো তাই তার নাম দিয়েছি এবং ৩ নং আসামি আমাদের গ্রামের মেম্বার সে আমার জানা মতে মন্টুর পক্ষে কাজ করছেন তাই আসামি করেছি, বাদির স্বামীর সাথে সরাসরি কথা বললে তিনি বলেন আমি সৌদি আরব মন্টুর মাধ্যমে গিয়েছিলাম, যাওয়ার পর থেকে সমস্যা, আমি তখন বাড়িতে বিষয় টি খুলে বলি, তখন আমার পরিবার মন্টুর সাথে কথা বলে বিষয় টি সমাধানের জন্য কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান না পেয়ে আদালতে মামলা করেন আমার স্ত্রী। ২ ও ৩ নং আসামির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ নং তার ছেলে এবং ৩ নং আসামি মেম্বার সবসময় মন্টু কে সহযোগিতা করতেছে তাই আমার স্ত্রী আমার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে তার নাম দিয়েছেন। আসামিপক্ষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এমন অভিযোগ করে প্রশাসনের কাছে তাদের পরিবারের নিরাপত্তাসহ এ ঘটনার সঠিক তদন্তের জন্য অনুরোধ জানান।