ধৈর্য্যের পরীক্ষা অহনিশি
ধৈর্য ধরে কোনো কিছু অবলোকন করা যেমন প্রয়োজন-
তেমনি মাথা ঠান্ডা রেখে প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করে,
নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে অন্যের কটু কথায় কান না দিলেই চলে।
সামনে দেখতে হবে, মাথা উঁচু করে,মাটির সহ্য ক্ষমতা কত?
মাটির তৈরি মানুষ মাটিতেই মেশে সব কিছুই জানে বোঝে। সুযোগ পেলেই চিমটি কাটে,হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ করে অবিচল,
তারপরও চলে মানসিক নির্যাতন, এতেই অনেক প্রাপ্তি ভাবে।
ভুলেই যায় সময়ের ব্যবধানে এই মানুষের একই সৃষ্টিকর্তা,
শুধু অপেক্ষার প্রহর গুনতে, সময় ঠিক সঠিক উত্তর দেবে।
হিসেবের খাতায় যোগ, বিযোগ, গুন, ভাগ যে অংকই কষ-
শতকরায় দেখে নিও চালাকি করে, কত নম্বর তুমি পেয়েছো।
জেনে রেখো আজ,কাল,পরশু চলে যাওয়ার আগে দেখবেই,
অংকের ফলাফল মিলে যাবে,তাই অহংকার পতনের মূল-
এটা মাথায় রাখতে হবে, প্রতিটি সৃষ্টি জীবকে সকাল বিকাল অহনিশি,
যেকোনো সময় ঝড় আসবে, উড়ে নিয়ে যাবে অথৈই জলে-
তল খুঁজে পাওয়া দায়, এমন কোনো ইতিহাস পাওয়া যায়,
অন্যকে কষ্ট দিয়ে,অসম্মান করে, নিজে কখনও সম্মান পায়,
এতে জগত সংসারে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের সামিল;
তাই সৃষ্টির রহস্য সমষ্টিকের পাল্লায়, সত্যের জয় দেরিতে হয়।
আজও ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় মানুষকে সকল ক্ষেত্রে,
তবুও ধৈর্য্য ধারণ করতেই হয় যদি সৃষ্টিকর্তা বিশ্বাস করে।
ধৈর্য্যের ফল মিষ্টি জানে সর্বজনে,সেখানেই রয়েছে মুক্তি,
মুখ ও মুখোশের আড়ালে অন্যায়কে হারাতে ধৈর্য্যের বিকল্প নেই।
নন্দিনী লুইজা
শিক্ষক, লেখক, কবি ও প্রকাশক
বর্ণপ্রকাশ লিমিটেড