০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তানজিম ইসলাম :

দিনমজুরের ছেলে সাব রেজিস্ট্রার হয়ে অঢেল সম্পদের মালিক – ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়ে হয়েছেন মুজিবনগর কর্মচারী সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা

  • প্রকাশিত ০৬:১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫১ বার দেখা হয়েছে

জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার লুৎতফর রহমান মোল্লা যার বয়স মুক্তিযোদ্ধার চলাকালীন মাএ ৫ বছর ছিল এখন তিনি মুক্তিযোদ্ধা” কথাটা কল্পনা মনে হলে আসলে তা বাস্তব শুধু তাই নয় সেই মুক্তিযুদ্ধার সার্টিফিকেট জমা দিয়ে ভাগিয়ে নিয়েছেন সাব রেজিস্ট্রার পদ এবং হয়েছেন মুজিব নগর সরকারের কর্মচারী এখন সাধারন জনগনের প্রশ্ন? ৫ বছরের একটি শিশু বাচ্চা কিভাবে যুদ্ধ করলেন আর এখন কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা হলেন।

সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা সাব রেজিস্ট্রার হওয়ার আগে ছিলেন একজন আমিনে সহকারী ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১৮৯ জনের সাব-রেজিস্ট্রার পদে চাকরি হয় উচ্চ আদালতের নির্দেশে। তাদের মধ্যে লুৎফর রহমান একজন। স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে এই সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে জাল দলিল করে বনে যান অঢেল সম্পদের মালিক যা দুদকের নজরের আড়ালে।

২০১৬ সালে দিকে সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন লুৎফর রহমান মোল্লা । জাল দলিল করার কারনে। ওই বছরের ১৫ মে তিনি ও দলিল লেখক মুনসুর রহমান জাল দলিল করার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে আটক হয়েছিলেন। কিন্তুু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে বেশি দিন এর ভোগ পোহাতে হয়নি।

১৭।১১।২৪ইং তারিখে তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দাখিল করে যা আজও আলোর মুখ দেখেনি। সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা তার অবৈধ উপার্জনের অর্থ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হাওয়া ফাইলগুলো ধামাচাপার দিয়ে রাখেন যাতে করে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ সহজে প্রমাণিত না হয়।

স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের স্টিকার গায়ে লাগিয়ে তিনি দেশের সবচেয়ে বড় বড় স্টেশনগুলোতে কর্মরত থাকেন তেরখাদা, ফুলতলা, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, সদর সাতক্ষীরা, সদর মাগুরা, ধানমন্ডি ঢাকা, সদর কিশোরগঞ্জ, উওরা,বর্তমানে নীলফামারী জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত রয়েছে এই সকল প্রত্যেক স্টেশনে তদন্ত করলে জানাযাবে লুৎফুর রহমান মোল্লার অনৈতিক কার্যকলাপ।

সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজের পকেট ভাড়ি করে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদ পাহাড় যা তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে দুদুকে দাখিল করা এক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। ঢাকা রাজধানীর শান্তিনগর মোড়সংলগ্ন আবাসিক ভবন ইস্টার্ন পয়েন্ট বহুতল ভবনের ৬০২ নম্বর ফ্ল্যাট , ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট, বড় বড় হাউজিং কোম্পানিগুলোতে শেয়ার, তার নিজ জেলা মাদারীপুরে একটি ৮ শতাংশ জমির উপর ৬ তলা বাড়ি , মাদারীপু শহরে ৫ তলা বাড়ি, গ্রামে মাছের ঘের, হাসাপাতাল, মার্কেট,ইট ভাটা, জুট বাইন্ডিং মিল, সহ নামে বেনামে বিঘা বিঘা জমির মালিক এবং ব্যবহার করেন মোট ৪ টি বিলাসবহুল গাড়ি যার মূল্য এক একটি অর্ধ কোটি টাকার কাছাকাছি, ২০২২ সালের আগস্টে ৬৩৭২ নম্বর দলিলমূলে ১১১ শকুনী মৌজার বিআরএস ১১৩৬ নম্বর দাগের ৭ শতাংশ জমিসহ ছয় তলা ভবন লুৎফর রহমান মোল্লাকে হেবা করে দেন তার ভাই লোকমান মোল্লা, ২০১২ সালের নভেম্বরে ১১১ শকুনী মৌজার ৩৯ নম্বর দাগের ৪ শতাংশ জমি কেনেন। দলিলে দাম দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা কিন্তু সেই জমির আসল দাম প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি যা শহরের সৈদার বালি এলাকার পারুল বেগম ও কানিজ ফাতেমার কাছ থেকে ক্রয় করেন দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা।

এত দুর্নীতি করার পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে ভূয়া সার্টিফিকেটের নিয়োগপ্রাপ্ত সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা। তাহলে কি সাধারণ জনগণ বুঝে নিবে আইনে চোখ কি আসলেই অন্ধ।

এ সকল বিষয়ে সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লাকে একাধিকবার ফোন করা হলে ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি।

Tag :
জনপ্রিয়

তারেক রহমান যেন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারে, সে জন্য ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত

তানজিম ইসলাম :

দিনমজুরের ছেলে সাব রেজিস্ট্রার হয়ে অঢেল সম্পদের মালিক – ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়ে হয়েছেন মুজিবনগর কর্মচারী সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা

প্রকাশিত ০৬:১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার লুৎতফর রহমান মোল্লা যার বয়স মুক্তিযোদ্ধার চলাকালীন মাএ ৫ বছর ছিল এখন তিনি মুক্তিযোদ্ধা” কথাটা কল্পনা মনে হলে আসলে তা বাস্তব শুধু তাই নয় সেই মুক্তিযুদ্ধার সার্টিফিকেট জমা দিয়ে ভাগিয়ে নিয়েছেন সাব রেজিস্ট্রার পদ এবং হয়েছেন মুজিব নগর সরকারের কর্মচারী এখন সাধারন জনগনের প্রশ্ন? ৫ বছরের একটি শিশু বাচ্চা কিভাবে যুদ্ধ করলেন আর এখন কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা হলেন।

সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা সাব রেজিস্ট্রার হওয়ার আগে ছিলেন একজন আমিনে সহকারী ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে ১৮৯ জনের সাব-রেজিস্ট্রার পদে চাকরি হয় উচ্চ আদালতের নির্দেশে। তাদের মধ্যে লুৎফর রহমান একজন। স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে এই সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে জাল দলিল করে বনে যান অঢেল সম্পদের মালিক যা দুদকের নজরের আড়ালে।

২০১৬ সালে দিকে সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন লুৎফর রহমান মোল্লা । জাল দলিল করার কারনে। ওই বছরের ১৫ মে তিনি ও দলিল লেখক মুনসুর রহমান জাল দলিল করার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে আটক হয়েছিলেন। কিন্তুু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে বেশি দিন এর ভোগ পোহাতে হয়নি।

১৭।১১।২৪ইং তারিখে তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দাখিল করে যা আজও আলোর মুখ দেখেনি। সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা তার অবৈধ উপার্জনের অর্থ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হাওয়া ফাইলগুলো ধামাচাপার দিয়ে রাখেন যাতে করে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ সহজে প্রমাণিত না হয়।

স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের স্টিকার গায়ে লাগিয়ে তিনি দেশের সবচেয়ে বড় বড় স্টেশনগুলোতে কর্মরত থাকেন তেরখাদা, ফুলতলা, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, সদর সাতক্ষীরা, সদর মাগুরা, ধানমন্ডি ঢাকা, সদর কিশোরগঞ্জ, উওরা,বর্তমানে নীলফামারী জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার পদে কর্মরত রয়েছে এই সকল প্রত্যেক স্টেশনে তদন্ত করলে জানাযাবে লুৎফুর রহমান মোল্লার অনৈতিক কার্যকলাপ।

সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজের পকেট ভাড়ি করে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদ পাহাড় যা তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে দুদুকে দাখিল করা এক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। ঢাকা রাজধানীর শান্তিনগর মোড়সংলগ্ন আবাসিক ভবন ইস্টার্ন পয়েন্ট বহুতল ভবনের ৬০২ নম্বর ফ্ল্যাট , ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট, বড় বড় হাউজিং কোম্পানিগুলোতে শেয়ার, তার নিজ জেলা মাদারীপুরে একটি ৮ শতাংশ জমির উপর ৬ তলা বাড়ি , মাদারীপু শহরে ৫ তলা বাড়ি, গ্রামে মাছের ঘের, হাসাপাতাল, মার্কেট,ইট ভাটা, জুট বাইন্ডিং মিল, সহ নামে বেনামে বিঘা বিঘা জমির মালিক এবং ব্যবহার করেন মোট ৪ টি বিলাসবহুল গাড়ি যার মূল্য এক একটি অর্ধ কোটি টাকার কাছাকাছি, ২০২২ সালের আগস্টে ৬৩৭২ নম্বর দলিলমূলে ১১১ শকুনী মৌজার বিআরএস ১১৩৬ নম্বর দাগের ৭ শতাংশ জমিসহ ছয় তলা ভবন লুৎফর রহমান মোল্লাকে হেবা করে দেন তার ভাই লোকমান মোল্লা, ২০১২ সালের নভেম্বরে ১১১ শকুনী মৌজার ৩৯ নম্বর দাগের ৪ শতাংশ জমি কেনেন। দলিলে দাম দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা কিন্তু সেই জমির আসল দাম প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি যা শহরের সৈদার বালি এলাকার পারুল বেগম ও কানিজ ফাতেমার কাছ থেকে ক্রয় করেন দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা।

এত দুর্নীতি করার পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে ভূয়া সার্টিফিকেটের নিয়োগপ্রাপ্ত সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা। তাহলে কি সাধারণ জনগণ বুঝে নিবে আইনে চোখ কি আসলেই অন্ধ।

এ সকল বিষয়ে সাব রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লাকে একাধিকবার ফোন করা হলে ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি।