ঢাকার প্রানকেন্দ্র সাব রেজিস্ট্রি অফিস তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স যেখানে প্রতিনিয়ত সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারের নামে ফি নিলেও সেই ফি যাচ্ছে তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স কিছু অসাধু
সিন্ডিকেট ও দুর্নীতিবাজদের হাতে যারা জিম্বি করে রেখেছে গোটা কমপ্লেক্সকে
এদের কাছে টাকা দিলে ভূমি অফিসের কোন কাগজ বাকি থাকলে চোখের পলকে সমাধান করে ফেলে তারা বিনিময়ে নেন বকশিশ যার আরেক নাম ঘুষ (অবশ্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষের আরেক নাম বকশিশ ) যেমন নামজারি, খতিয়ান, ডিসিআর, খাজনার রসিদ কিংবা ভূমি অফিসের রেকর্ডপত্র সবই হয়ে যাবে সেকেন্ডের ভিতর শুধু তাই নয় জমির কাগজে ভিটা জমিকে নালে পরিবর্তন করাও
উওরা সাব রেজিস্ট্রির অফিসে ঘটছে এরকম হরেকর কমের দুর্নীতি সেখানকার সিন্ডিকেটর গডফাদার হচ্ছে নকল নবীশ মানিক ও ঝাড়ুদার মঞ্জু এদের দু’জনের নেতৃত্বে উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে সকলের করেন উঠাবসা এ যেন দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য যে কোন দলিল করলে এদেরকে দিতে হয় ঘুষ যা না দিলে হয়ে যাবে দলিল গায়েব থেকে শুরু করে নানা রকম অপকর্ম তাদের মূল হতা ছিলো ক্ষমতাশীল আওয়ামী লীগের সাবেক আইনমন্ত্রী ৫ই আগষ্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর মাসখানিক চুপছিলো ২ দুর্নীতিবাজ তখন নিঃশ্বাস নিতে পেরেছিলো উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মকর্তা থেকে কর্মচারীরা কিন্তুু কথায় আছে গান্ধী পুকা যেখানে যায় সেখান তার গন্ধ ছড়িয়ে যায় দেশের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসলে আবার গর্তে ভিতর থাকা এই দুই দুর্নীতিবাজ বেড়িয়ে আছে
শুরু করে নতুন করে আধিপত্য বিস্তার সময়ের সাথে বদলিয়ে ফেলে তাদের খোলস হয়ে যায় আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপির কর্মী অথচ নকল নবীশ মানিকের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ যেখানে বলা হয় আওয়ামী লীগের আসল ঘাঁটি শশুর বাড়ি ময়মনসিংহ আর ঝাড়ুদার মঞ্জুরও গ্রামের বাড়ি মুক্তগাছা, জেলাঃ ময়মনসিংহ তার বাবার নাম মোঃ আব্দুল বারেক গ্রামে বারেকের ছেলে নামে পরিচিত মঞ্জু
উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতি করে নকল নবীশ মানিক ঢাকায় উওরা গড়ে তুলেছেন বিলাশ বহুল কয়েকটি বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট ক্রয় করেছেন দামি টয়োটা কোম্পানির প্রিমিও গাড়ি যার নাম্বার প্লেট নংঃ ঢাকা মেট্রো-গ ২৮-০৫২০. যার বাজার মূল্য ৪৫ লক্ষ টাকা উপড়ে তার সাথে কিশোরগঞ্জের করেছেন নামে বেনামে অনেক অবৈধ সম্পদ ছাড়েনি তার শশুর বাড়ি সেখানেও গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়
সেই সাথে বাদ যাননি ঝাড়ু দার মঞ্জু ও আগে পর্বে অনুসন্ধানের পরেও বেড়িয়ে আসতে থাকে এক এক করে তার অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের খবর তার নিজ গ্রামের বাড়িতে খোজ নিয়ে জানা যায় মুক্তগাছা মার্কেট, বাংলো বাড়ি,মাছের গের সব কিছু আছে তার
উওরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নাম না বলা এক উমেদার বলেন এই দলিল নং ৫৭০৯,৫৭২২ সরকার তদন্ত করে জানতে পারবে যে এই অফিসে কত পরিমান সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে যার সাথে সম্পূন নকল নবীশ মানিক ও ঝাড়ুদার মঞ্জু জড়িত
এ সকল বিষয় আরও জানার জন্য তাদের দু’জনকে একাধিকবার ফোন করা হলে ফোনটি তারা রিসিভ করেন না
এদের বিষয় আরও অনুসন্ধানে জন্য আগামী পর্ব : ৩ উপদেষ্টা, আইজি আর, ও ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার সহ অনেকর বক্তব্য নিয়ে আসছে দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা।