০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তারাগঞ্জে অবৈধ সো মিলের রমরমা ব্যবসা বৈধ কাগজপত্র নেই লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

  • প্রকাশিত ০৬:২১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪
  • ১৬৯ বার দেখা হয়েছে

রংপুর থেকে রংপুরে তারাগঞ্জে সরকারি অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে করাত কল। অনেক হাট বাজার অফিস বাসা বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায়পরিবেশ দূষণ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সমিল অধিকাংশ সময় সচল থাকায় আশপাশের বাড়িতে বসবাস করা কষ্টকর বলে দাবি করছে ভুক্তভোগী।এ ব্যাপারে বন ও পরিবেশ তারাগঞ্জ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান রোকন বলেন অধিকাংশ করাতগুলোকে নোটিশ করা হয়েছে । অফিস সূত্রে জানা গেছে তারাগঙ্জ উপজেলায় মোট ২৫ টি স মিল রয়েছে।তারমধ্যে চারটি বৈধ। বাকি একুশ টি অবৈধ। কুশা ইউনিয়নের নয়টি সয়ার ইউনিয়নের পাঁচটি আলমপুর ইউনিয়নের দুটি হাভিয়ার কুঠি ইউনিয়নে তিনটি ইকর চালি ইউনিয়নে ছয়টি। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের গুরুত্ব পুনস্থানের ২০০ মিটার এরমধ্যে সমিল স্থাপন ও রাতে চালানো নিষিদ্ধ হলে অনেক জায়গা মানা হচ্ছে না। ইকুরচালী ইউনিয়নের ১০০ মিটারের মধ্যে তিনটি স মিল রয়েছে। তাদের মধ্যে সুমাইয়া ও ও অহিদুল সম্মিল কোনবৈধ কাগজপত্র নেই। উক্ত ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম শহিদুল ইসলাম আনোয়ার হোসেন সহ একাধিক ব্যক্তি জানান যত্রতত্রভাবে গড়ে উঠেছে স মিল। এ সমস্ত স মিলের ধুলাবালুর কারণে প্রতিনিয়ত আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি। শ্বাসকষ্ট হাঁপানি অ্যাজমা মত রোগ থেকে আমরা রেহাই পাচ্ছিনা।। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে চলে। সুমাইয়া ও ও অহিদুল মিলের মালিকের মুঠোফোনে ফোন দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি । জেলা রেঙ্জ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন তাদেরকে আমরা নোটিশ প্রদান করেছি। বৈধ কাগজ দেখাতে না বললে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

তারাগঞ্জে অবৈধ সো মিলের রমরমা ব্যবসা বৈধ কাগজপত্র নেই লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

প্রকাশিত ০৬:২১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

রংপুর থেকে রংপুরে তারাগঞ্জে সরকারি অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে করাত কল। অনেক হাট বাজার অফিস বাসা বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায়পরিবেশ দূষণ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সমিল অধিকাংশ সময় সচল থাকায় আশপাশের বাড়িতে বসবাস করা কষ্টকর বলে দাবি করছে ভুক্তভোগী।এ ব্যাপারে বন ও পরিবেশ তারাগঞ্জ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান রোকন বলেন অধিকাংশ করাতগুলোকে নোটিশ করা হয়েছে । অফিস সূত্রে জানা গেছে তারাগঙ্জ উপজেলায় মোট ২৫ টি স মিল রয়েছে।তারমধ্যে চারটি বৈধ। বাকি একুশ টি অবৈধ। কুশা ইউনিয়নের নয়টি সয়ার ইউনিয়নের পাঁচটি আলমপুর ইউনিয়নের দুটি হাভিয়ার কুঠি ইউনিয়নে তিনটি ইকর চালি ইউনিয়নে ছয়টি। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের গুরুত্ব পুনস্থানের ২০০ মিটার এরমধ্যে সমিল স্থাপন ও রাতে চালানো নিষিদ্ধ হলে অনেক জায়গা মানা হচ্ছে না। ইকুরচালী ইউনিয়নের ১০০ মিটারের মধ্যে তিনটি স মিল রয়েছে। তাদের মধ্যে সুমাইয়া ও ও অহিদুল সম্মিল কোনবৈধ কাগজপত্র নেই। উক্ত ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম শহিদুল ইসলাম আনোয়ার হোসেন সহ একাধিক ব্যক্তি জানান যত্রতত্রভাবে গড়ে উঠেছে স মিল। এ সমস্ত স মিলের ধুলাবালুর কারণে প্রতিনিয়ত আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি। শ্বাসকষ্ট হাঁপানি অ্যাজমা মত রোগ থেকে আমরা রেহাই পাচ্ছিনা।। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে চলে। সুমাইয়া ও ও অহিদুল মিলের মালিকের মুঠোফোনে ফোন দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি । জেলা রেঙ্জ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন তাদেরকে আমরা নোটিশ প্রদান করেছি। বৈধ কাগজ দেখাতে না বললে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।