মাদক এক সর্বনাশা নেশা। এই নেশা থেকে উত্তরণের উপায় খোঁজে যখন পরিবারের কেউ একজন নেশাগ্রস্ত হয় ।
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী এই কাজটি করছেন যা সবার জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় । ড. জাহিদ শৈশবকাল থেকে সংগঠন প্রিয়। তার মাদকবিরোধী সংগঠন ঝলক ফাউন্ডেশন সমাজে সচেতনতা এনেছে । তিনি মাদকবিরোধী আন্দোলন চালাচ্ছেন সুদীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ।
সর্বনাশা নেশার চোরাবালিতে তলিয়ে যেতে বসেছে আমাদের যুবসমাজ, নেশার আগ্রসন ঠেকানোর জন্য চাই সম্মিলিত উদ্যোগ, এই উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি । মাদকের বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে তিনি সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার জন্য মাদকবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে চাচ্ছেন।
তিনি মাদকবিরোধী আন্দোলন বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন । অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রতিমাসে মাদক পরামর্শ সহায়তা গোলটেবিল শোভাযাত্রা মানব বন্ধন আলোচনা ও সামাজিক অনুষ্ঠান ।
২৬ জুন বিশ্ব মাদক মুক্ত দিবস উপলক্ষে সারাদেশে ব্যাপক আয়োজন করার জন্য তার ঐকান্তিকে ইচ্ছা রয়েছে । তার সবচেয়ে বড় কাজ হল মাদকবিরোধী সংগঠন ঝলক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি বেশ কিছু সেমিনার করেছেন দেশে ও বিদেশে, পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।
মাদক মুক্ত বাংলাদেশ চাই, নেশা সর্বনাশা, সর্বনাশা নেশা, ড্রাগ ফ্রী বাংলাদেশ এই চারটি গ্রন্থ তিনি রচনা করেছেন ।
তিনি কয়েকটি সংগঠনের সাথে যুক্ত আছেন। দূর্নীতি বিরোধী প্রতিষ্ঠান টিআইবি’র সদস্য,
সেফ ফুড বাংলাদেশের সভাপতি,সিনিয়র সহসভাপতি বাংলাদেশ সাংবাদিক জোট, স্থায়ী সদস্য ঢাকা প্রেস ক্লাব, নিরাপদ সড়ক নিয়ে কর্মরত সংগঠন সেবক এর উপদেষ্টা, সামাজিক সংগঠন শুদ্ধচিত্ত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা, সম্পাদক মাদক প্রতিরোধ নিউজ,
নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি।
চেয়ারম্যান অবাক বাংলাদেশ {প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কর্মরত} সাধারণ সম্পাদক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, ভাইস চেয়ারম্যান জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ , উপদেষ্টা মানবাধিকার খবর,উপদেষ্টা সম্পাদক দৈনিক দেশের পত্র, ভাইস চেয়ারম্যান জাতীয় সাংবাদিক পরিষদ।স্থায়ী সদস্য ঢাকা প্রেসক্লাব , উপদেষ্টা ছায়াতল বাংলাদেশ [পথশিশুদের স্কুল ], আজীবন সদস্য জালালাবাদ সম্মাননা যুব অর্গানাইজেশন বাংলাদেশ। অনারারি ভাইস প্রেসিডেন্ট পূর্বাচল বোট ক্লাব লিমিটেড, উপদেষ্টা ডন গ্রামার স্কুল, উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা, উপদেষ্টা আলোকিত নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, সদস্য সিলেট স্টেশন ক্লাব লিমিটেড, আজীবন সদস্য বনানী সোসাইটি, আজীবন সদস্য জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ঢাকা বাংলাদেশ, সিনিয়র সহসভাপতি ঢাকা কালচারাল রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাংলাদেশ প্রতিনিধি বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, উপদেষ্টা টেলিভিশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশন, কর্মসংস্থান সম্পাদক সিলেট বিভাগ যোগাযোগ ও উন্নয়ন পরিষদ। তিনি এরকম অনেক সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ।
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী লায়ন্স ইনটারন্যাশনাল এর সাথে জড়িত। তিনি লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা Meta4 এর সেক্রেটারি ।
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী আন্তর্জাতিক সংগঠক হিসেবে জাতিসংঘের সেমিনারে যুক্তরাস্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, নরওয়ে, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সাউথ আফ্রিকা,কুয়েত, মিয়ানমার, সাউথ কোরিয়া, ভারত ও নেপাল ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন ।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অমায়িক ভদ্র পরোপকারী এবং দানশীল।