১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন :

চট্টগ্রামের বাঁশখালিতে প্রথমবারে গোলমরিচ চাষে অপার সম্ভাবনার হাতছানি

  • প্রকাশিত ০৪:৪৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলার পুকুরিয়া এলাকায় পাহাড়ি জনপদে প্রথমবারের মতো আইডিএফ এর সহযোগিতায় গোল মরিচ চাষ করছেন এক কৃষক । এলাকার মাটি গোল মরিচ চাষে উপযোগী হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে গোল মরিচ চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছেন কৃষি বিভাগ।

গোলমরিচ গাছ দেখতে অনেকটা পান গাছের মতোই। গোলমরিচের গাছ অন্য গাছ বিশেষ করে সুপারি গাছকে অবলম্বন করে বেড়ে ওঠে। প্রায় ৪ বছরে একটি গোল মরিচের গাছ পূর্ণতা পায়। তখন প্রতিটি গাছে ১ থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত গোল মরিচ উৎপাদন হয়।

গোলমরিচ চাষি আইডিএফের সহকারী কৃষিকর্মকর্তা আরিফ জানান, আমরা বাঁশখালীতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে গোল মরিচ চাষে উদ্যোগ গ্রহণ করি। বিশেষ করে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে গোল মরিচের চারা রোপণ করা হয়। গাছের লতা থেকেই স্থানীয়ভাবে চারা উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত গোল মরিচ আহরণের পর শুকিয়ে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে এখানে এসে গোলমরিচ কিনে নিয়ে বাজারজাত করেন। আধুনিক পদ্ধতিতে গোল মরিচ চাষ এবং চাষিদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে জেলার পাহাড়ি এলাকায় মূল্যবান গোল মরিচ চাষের জমির পরিমাণ কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে তিনি।
পরিত্যক্ত পাহাড়ি এলাকায় গোল মরিচ চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তারা অংশ হিসেবে আমরা এই বার
বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামে ৪০ শতাংশ জমিতে আইডিএফের সহযোগিতায় গোল মরিচের চাষ শুরু করেছেন এক কৃষক।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পিকেএসএফের অর্থায়নে আইডিএফ’র সহযোগিতায় এইটি প্রথম গোল মরিচ চাষে আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। দির্ঘ ২৫ বছর পর্যন্ত একটি মরিচ গাছ ফলন দিতে সক্ষম।
গোলমরিচের ভালো ফলন হয়, আমরা কাটিং সংগ্রহ করে কৃষকদের গোল মরিচ চাষের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করব।
সরজমিনে দেখা যায়, ৩ ফুট দূরত্বে ৮ ফুট লম্বা পিলারের একটি সারি। একটি সারি থেকে অন্যটির দূরত্ব ৭ ফুট। প্রতি পিলারে ৪-৫টি গোল মরিচের লতা বেড়ে উঠছে।

গোল মরিচ চাষে উদ্যোক্তা নুরুল আজম
জানান , ১ বছরে লাভের মুখ দেখছি। গোল মরিচের চাহিদার পাশাপাশি প্রতি মৌসুমে গাছের কলমের চাহিদা বাড়ছে। আশা করি ভালো ফলন পাব।

Tag :

টঙ্গীতে ভাড়াটিয়ার মাদক কারবার বন্ধের নির্দেশ প্রদান করায় বাড়িওয়ালাকে কুপিয়ে জখম করলো ভাড়াটিয়া

মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন :

চট্টগ্রামের বাঁশখালিতে প্রথমবারে গোলমরিচ চাষে অপার সম্ভাবনার হাতছানি

প্রকাশিত ০৪:৪৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলার পুকুরিয়া এলাকায় পাহাড়ি জনপদে প্রথমবারের মতো আইডিএফ এর সহযোগিতায় গোল মরিচ চাষ করছেন এক কৃষক । এলাকার মাটি গোল মরিচ চাষে উপযোগী হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে গোল মরিচ চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছেন কৃষি বিভাগ।

গোলমরিচ গাছ দেখতে অনেকটা পান গাছের মতোই। গোলমরিচের গাছ অন্য গাছ বিশেষ করে সুপারি গাছকে অবলম্বন করে বেড়ে ওঠে। প্রায় ৪ বছরে একটি গোল মরিচের গাছ পূর্ণতা পায়। তখন প্রতিটি গাছে ১ থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত গোল মরিচ উৎপাদন হয়।

গোলমরিচ চাষি আইডিএফের সহকারী কৃষিকর্মকর্তা আরিফ জানান, আমরা বাঁশখালীতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে গোল মরিচ চাষে উদ্যোগ গ্রহণ করি। বিশেষ করে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে গোল মরিচের চারা রোপণ করা হয়। গাছের লতা থেকেই স্থানীয়ভাবে চারা উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত গোল মরিচ আহরণের পর শুকিয়ে রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে এখানে এসে গোলমরিচ কিনে নিয়ে বাজারজাত করেন। আধুনিক পদ্ধতিতে গোল মরিচ চাষ এবং চাষিদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে জেলার পাহাড়ি এলাকায় মূল্যবান গোল মরিচ চাষের জমির পরিমাণ কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে তিনি।
পরিত্যক্ত পাহাড়ি এলাকায় গোল মরিচ চাষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তারা অংশ হিসেবে আমরা এই বার
বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামে ৪০ শতাংশ জমিতে আইডিএফের সহযোগিতায় গোল মরিচের চাষ শুরু করেছেন এক কৃষক।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পিকেএসএফের অর্থায়নে আইডিএফ’র সহযোগিতায় এইটি প্রথম গোল মরিচ চাষে আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। দির্ঘ ২৫ বছর পর্যন্ত একটি মরিচ গাছ ফলন দিতে সক্ষম।
গোলমরিচের ভালো ফলন হয়, আমরা কাটিং সংগ্রহ করে কৃষকদের গোল মরিচ চাষের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করব।
সরজমিনে দেখা যায়, ৩ ফুট দূরত্বে ৮ ফুট লম্বা পিলারের একটি সারি। একটি সারি থেকে অন্যটির দূরত্ব ৭ ফুট। প্রতি পিলারে ৪-৫টি গোল মরিচের লতা বেড়ে উঠছে।

গোল মরিচ চাষে উদ্যোক্তা নুরুল আজম
জানান , ১ বছরে লাভের মুখ দেখছি। গোল মরিচের চাহিদার পাশাপাশি প্রতি মৌসুমে গাছের কলমের চাহিদা বাড়ছে। আশা করি ভালো ফলন পাব।