০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
এফ এম আব্বাস উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ

গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক বলৎকারের চেষ্টা,মারপিট নির্যাতন ও করে

  • প্রকাশিত ০৭:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৪২ বার দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জে পূর্বতারাপাশা এলাকা রেল স্টেশন সংলগ্ন, কিশোরগঞ্জ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার হেফজ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী বায়েজিদ আহমেদ ওই প্রতিষ্ঠানের নাজেরা বিভাগের পাষণ্ড শিক্ষক হাফেজ মহসিন আহমাদ দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।জানা যায়,শিক্ষার্থী বায়েজিদ, পূর্বতারাপাশা মৃত শেখ কামাল রিপনের ছোট ছেলে। সে কি মধ্যে কোরআন শরীফের ১০ পারা মুখস্ত করেছেন।ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক হাফেজ মহসিন আহমাদ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা আউজিয়া,ইউনিয়ন,মাসকা গ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে,তিনি ২৯/০৫/২০২৪ ইং তারিখে কিশোরগঞ্জ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগের শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন,গত মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় হেফজ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী বায়েজিদকে শিক্ষক মহসিন তার রুমে ডেকে নিয়ে,বলৎকারের প্রস্তাব দেয় আর সেই প্রস্তাবে বায়েজিদ সম্মত না হলে,লম্পট পাষণ্ড শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীকে,গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক বলৎকারের চেষ্টা করে এবং মারপিট নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে এবং মাদ্রাসা থেকে দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় লম্পট শিক্ষক মহসিন।এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বায়েজিদের পরিবার আহত অবস্থায় বায়েজিদকে স্থানীয় লোকজন নিয়ে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা কামাল উদ্দিন এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সততা স্বীকার করেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন,তিনি আরও বলেন,আমার এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দিন যাবত সুনামের সাথে দ্বীনের শিক্ষা দিয়ে আসছে,কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য অপরাধীর,দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।তাছাড়া আমি ঐ শিক্ষক এর মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি এমনকি তার অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছে সে কোথায় আছে আমরা তা জানিনা।এ বিষয়ে কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন,নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি,আইনের আওতায় এনে অপরাধীর উপযুক্ত বিচার চাই।এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র বৈষম্য বিরোধী সমন্বয়ক ইকরাম হোসেন,এর সাথে কথা হলে তিনি জানান,কোমলমতি শিশুর সাথে এরকম অমানবিক নির্যাতনের জন্য তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি পাশাপাশি অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।বায়জিদের মামি আইরিন আক্তার বলেন,, এতিম শিশু বায়েজিদ এর উপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য যথাযথ বিচার চাই।এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় শিক্ষক মহসিন আহমাদ সহ তিন জন এর বিরুদ্ধে বায়জিদ এর মা তানিয়া আক্তার বাদী লিখিত অভিযোগ করেন।এবিষয়ে মডেল থানার ওসি মোঃ গোলাম মোস্তফা ও এস আই আল আমিন বলেন,একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুজ্ঞ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তারাগঞ্জে সাংবাদিকে হুমকি দিলেন আবু সাঈদ হত্যামামলার আসামী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

এফ এম আব্বাস উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ

গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক বলৎকারের চেষ্টা,মারপিট নির্যাতন ও করে

প্রকাশিত ০৭:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কিশোরগঞ্জে পূর্বতারাপাশা এলাকা রেল স্টেশন সংলগ্ন, কিশোরগঞ্জ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার হেফজ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী বায়েজিদ আহমেদ ওই প্রতিষ্ঠানের নাজেরা বিভাগের পাষণ্ড শিক্ষক হাফেজ মহসিন আহমাদ দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।জানা যায়,শিক্ষার্থী বায়েজিদ, পূর্বতারাপাশা মৃত শেখ কামাল রিপনের ছোট ছেলে। সে কি মধ্যে কোরআন শরীফের ১০ পারা মুখস্ত করেছেন।ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক হাফেজ মহসিন আহমাদ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা আউজিয়া,ইউনিয়ন,মাসকা গ্রামের আব্বাস উদ্দিনের ছেলে,তিনি ২৯/০৫/২০২৪ ইং তারিখে কিশোরগঞ্জ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগের শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন,গত মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় হেফজ শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থী বায়েজিদকে শিক্ষক মহসিন তার রুমে ডেকে নিয়ে,বলৎকারের প্রস্তাব দেয় আর সেই প্রস্তাবে বায়েজিদ সম্মত না হলে,লম্পট পাষণ্ড শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীকে,গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে জোরপূর্বক বলৎকারের চেষ্টা করে এবং মারপিট নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে এবং মাদ্রাসা থেকে দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় লম্পট শিক্ষক মহসিন।এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বায়েজিদের পরিবার আহত অবস্থায় বায়েজিদকে স্থানীয় লোকজন নিয়ে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা কামাল উদ্দিন এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সততা স্বীকার করেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন,তিনি আরও বলেন,আমার এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দিন যাবত সুনামের সাথে দ্বীনের শিক্ষা দিয়ে আসছে,কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার জন্য অপরাধীর,দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।তাছাড়া আমি ঐ শিক্ষক এর মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি এমনকি তার অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছে সে কোথায় আছে আমরা তা জানিনা।এ বিষয়ে কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন,নেক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি,আইনের আওতায় এনে অপরাধীর উপযুক্ত বিচার চাই।এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র বৈষম্য বিরোধী সমন্বয়ক ইকরাম হোসেন,এর সাথে কথা হলে তিনি জানান,কোমলমতি শিশুর সাথে এরকম অমানবিক নির্যাতনের জন্য তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি পাশাপাশি অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।বায়জিদের মামি আইরিন আক্তার বলেন,, এতিম শিশু বায়েজিদ এর উপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য যথাযথ বিচার চাই।এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় শিক্ষক মহসিন আহমাদ সহ তিন জন এর বিরুদ্ধে বায়জিদ এর মা তানিয়া আক্তার বাদী লিখিত অভিযোগ করেন।এবিষয়ে মডেল থানার ওসি মোঃ গোলাম মোস্তফা ও এস আই আল আমিন বলেন,একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুজ্ঞ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।